ঢাকা, শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

পুতিনকে মাদুরোর মতো তুলে নেয়ার বিষয়ে যা জানালেন ট্রাম্প

২০২৬ জানুয়ারি ১০ ১৫:৪০:৩১
পুতিনকে মাদুরোর মতো তুলে নেয়ার বিষয়ে যা জানালেন ট্রাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক : ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সম্পর্কের গতিপথে স্পষ্ট ভিন্নতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর এই দুই দেশের সম্পর্ককে অনেক সময় ‘দা–কুমড়া’ হিসেবে দেখা হলেও, ট্রাম্প প্রশাসনের সময় রাশিয়া ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান তুলনামূলকভাবে নরম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ভেনেজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপ করে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পর একের পর এক দেশ ও অঞ্চলকে কঠোর বার্তা দিলেও, রাশিয়ার ক্ষেত্রে এখনো সংযত ভাষাতেই কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন মিত্র ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, একই ধরনের পদক্ষেপ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষেত্রেও নেওয়া হতে পারে। তবে সেই ধারণায় সায় দেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। পুতিনকে নিয়ে তিনি ‘ভীষণ হতাশ’ বলে মন্তব্য করলেও, তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর মতো কোনো পরিকল্পনার প্রয়োজন নেই বলে স্পষ্ট করে দেন।

উল্লেখ্য, ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইতোমধ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। মাদুরোর পতনের পর দেওয়া এক বক্তব্যে নাম উল্লেখ না করেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘স্বৈরশাসকদের’ যদি এভাবে মোকাবিলা করতে হয়, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে—তা যুক্তরাষ্ট্র ভালোভাবেই জানে।

এই প্রেক্ষাপটে পুতিনকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো অভিযান চালাবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “আমি মনে করি না, সেটার কোনো প্রয়োজন হবে। আমাদের সঙ্গে পুতিনের সম্পর্ক সবসময়ই ভালো ছিল এবং থাকবে।” একই সঙ্গে তিনি জানান, “আমি খুবই হতাশ। আমি আটটি যুদ্ধের সমাধান করেছি। ভেবেছিলাম রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ থামানো তুলনামূলকভাবে সহজ হবে।”

প্রায় চার বছর ধরে চলমান রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের ভয়াবহতার কথা তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, “শুধু গত মাসেই তারা ৩১ হাজার মানুষ হারিয়েছে। তাদের অনেকেই ছিল রুশ সেনা। রাশিয়ার অর্থনীতি খুব খারাপ অবস্থার মধ্যে রয়েছে।” তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধের একটি সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

ট্রাম্প আরও বলেন, যুদ্ধ দ্রুত শেষ করা তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এতে বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণ যাচ্ছে, যাদের বেশিরভাগই সৈনিক। মানবিক দিক বিবেচনায় এই সংঘাত অবসানের ওপর তিনি জোর দেন।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ খবর

আন্তর্জাতিক - এর সব খবর



রে