ঢাকা, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
Sharenews24

বাংলাদেশের যে আসনে জয় পেলে রাষ্ট্র ক্ষমতা ও মন্ত্রিত্ব নিশ্চিত

২০২৫ এপ্রিল ০৫ ১৪:৩৬:১১
বাংলাদেশের যে আসনে জয় পেলে রাষ্ট্র ক্ষমতা ও মন্ত্রিত্ব নিশ্চিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বা ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি) আসন। কারণ বিগত কয়েক দশকের নির্বাচনের ইতিহাস বিশ্লেষণে দেখা যায়—এ আসন থেকে নির্বাচিত প্রার্থীর দলই সরকার গঠন করেছে এবং ওই সংসদ সদস্য মন্ত্রিসভার সদস্যও হয়েছেন। ফলে প্রতিটি নির্বাচনে এই আসনে রাজনৈতিক দলগুলো বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মনোনয়ন দিয়ে থাকে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার ঝড় উঠেছে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে চলতি বছরের ডিসেম্বরে অথবা আগামী বছরের জুনে—প্রধান উপদেষ্টার এমন ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলোও প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে।

এবার চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আছেন—সাবেক মেয়র ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। এছাড়া, সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মনোনয়ন চাইবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ তিনি বর্তমানে মেয়র পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

আসনটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে যে প্রার্থী বাকলিয়ার ভোট পায়, সে-ই সাধারণত জয়ী হয়। অতীতে এখানে টানা দুবার কোনো দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত হয়নি। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ২০১৮ ও ২০২৪ সালে পরপর দুইবার জয়ী হয়েছেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে মীর নাসির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় এগিয়ে। তিনি মেয়র ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। শামসুল আলম ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিতে এসেছেন এবং কিছু সময় নিষ্ক্রিয় থাকার পর আবার সক্রিয় হয়েছেন। আবুল হাশেম বক্কর দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন এবং রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত ছিলেন।

এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ডা. ফজলুল হক। তিনি একাধিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক নেতা।

সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম-৯ আসনে এবারও একটি চ্যালেঞ্জিং ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশিত। যদি আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে দূরে থাকে, তাহলে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সরাসরি লড়াই হতে পারে, যেখানে ভোটের ব্যবধান হতে পারে উল্লেখযোগ্য। তবে নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র নির্ভর করবে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ার ওপর।

মারুফ/

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে