রাশেদ মাকসুদ-আবু আহমেদকে বিনিয়োগকারীর খোলা চিঠি
আমাদের দেশের পুঁজিবাজার ২০১০ সাল থেকে শুরু করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ গত ১৪ বছর যাবত খারাপ অবস্থায় রয়েছে । এই ১৪ বছরে লক্ষ লক্ষ বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে । গত ১৪ বছর পুঁজিবাজার খারাপ থাকার অন্যতম কারণ ছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থার ব্যাপক অনিয়ম এবং দুর্নীতি । এই অনিয়ম এবং দুর্নীতির মধ্যে অন্যতম ছিল আইপিও এবং প্লেসমেন্ট শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে অর্থ লুটপাট করা। তাছাড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহযোগিতায় বিভিন্ন কারসাজি চক্র বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটপাট করেছে এবং সেই অর্থ বিদেশে পাচার করেছে।
বাজারকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে যেসকল প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছিল সেগুলো সবই ছিল আইওয়াস বা লোক দেখানো । বাজার ভালো করার জন্য মন থেকে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। তাছাড়া বাজারে কোন সুশাসন ছিল না বিধায় গত ১৪ বছর বাজার ভালো হতে পারেনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম এবার হয়তো বাজার ভালো হবে এবং আমরা আমাদের হারানো পুঁজির কিছু অংশ হলেও ফেরত পাবো। কিন্তু বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান খন্দকার রাসেদ মাকসুদ এবং আইসিবির নতুন প্রেসিডেন্ট আবু আহমেদের কিছু ভুল সিদ্ধান্ত এবং অযাচিত মন্তব্যের কারণে বাজার ভালো না হয়ে আরো খারাপ হয়েছে ।
মাকসুদ সাহেবকে বলছি আপনি চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হয়েই শেয়ারবাজারকে সংস্কারের নামে খোঁচাতে শুরু করেছেন। এ পর্যন্ত গেম্বলারদের প্রায় হাজার কোটি টাকা জরিমানা করেছেন। আমার প্রশ্ন এখন পর্যন্ত কয়টাকা আদায় করতে পেরেছেন? হুট হাট করে অনেকগুলো কোম্পানিকে ‘জেড’ গ্রুপে পাঠিয়েছেন, দুর্বল কোম্পানিগুলোকে বাজার থেকে ছাটাই করার কথা বলেছেন, বাজারে নতুন আইপিও আনার কথা বলছেন । আপনার এই সব সিদ্ধান্তের কারণে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের ভয় এবং শঙ্কা বিরাজ করছে।
মনে রাখবেন গেম্বলাররা শুধু গেম্বলার না , তারা সবাই পুঁজিবাজারের বড় বিনিয়োগকারী, আপনার এই কর্মকাণ্ডের কারণে তারা সবাই বাজার থেকে দূরে আছেন। ফলে বাজারের টার্নওভারও কমে গেছে, আর টার্নওভার কম হওয়ার কারণে এবং বাজার ডাউন ট্রেণ্ডে থাকার কারণে বাজারে নতুন বিনিয়োগকারীও আসতে সাহস পাচ্ছে না।
গেম্বলারদের আপনি জরিমানা করেছেন সেটা ঠিক আছে, তবে এই খারাপ মার্কেটের ক্ষেত্রে এটা করা ঠিক হয়নি। তাছাড়া আমাদের পুঁজিবাজারে এখন ডিমান্ডের তুলনায় সাপ্লাই অনেক বেশি হয়ে গেছে এই মুহূর্তে মৌলভিত্তি বা মাল্টিন্যাশনাল কোন কোম্পানিকেই আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আনলে বাজারের জন্য ক্ষতি ছাড়া লাভ হবে না। মনে রাখবেন পুঁজিবাজারে দুই ধরনের নীতি অবলম্বন করতে হয়, যখন বাজার ফল্ট করে তলানিতে চলে আসে তখন বাজারকে টেনে ওপরে তোলার জন্য সব ধরনের নিয়মনীতি শিথিল করতে হয়, বাজারকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা দিতে হয় ,বাজারের স্বার্থে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে নমনীয় আচরণ করতে হয়। আবার বাজার যখন অতিমাত্রায় উত্থান হয় তখন বাজারের লাগাম টেনে ধরার জন্য আস্তে আস্তে সুযোগ সুবিধাগুলো কমাতে হয়।
১৯৯৬ সালে যখন মার্কেট ফল্ট করেছিল তখন সেই মার্কেটকে ভালো করার জন্য অমনিবাসের মতো ভুতুড়ে একাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। ক্যাপিটাল গেইনের উপর এনবিআররে আরোপিত ট্যাক্স সম্পূর্ণরুপে প্রত্যাহার করা হয়েছিল, বিদেশী বিনিয়োগকারিদের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছিল, ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের নিয়মনীতি সহজ করা হয়েছিল, কাগুজে শেয়ারগুলোকে ইলেক্ট্রনিক শেয়ার এ রুপান্তরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, মার্জিন লোনের অনুপাত বাড়ানো হয়েছিল, ফোর্সড সেল বন্ধ করা হয়েছিল। এই রকম আরো অনেক ভালো ভালো উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল । অথচ এই মরা মার্কেটে এনবিআর পুঁজিবাজারে ক্যাপিটাল গেইনের উপর ট্যাক্স আরোপ করেছে, যা এই মরা মার্কেটের জন্য মরার উপর খাঁড়ার ঘা এর মতো। তাই আপনাকে বলছি সংস্কারের নামে মার্কেটকে খোচানো বন্ধ করুন ,মার্কেটকে স্বাধীনভাবে চলতে দিন, মার্কেটের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি করুন।
আবু আহমদ সাহেবকে বলছি, আপনি বলেছেন ইনডেক্স ৩০০/৪০০ এর বেশি বাড়তে দেয়া ঠিক হবে না আপনার এই খোচা মারা কথার কারণে বিনিয়োগকারীরা আপনার প্রতি এবং বাজারের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। মার্কেটে নতুন বিনিয়োগকারী আসছে না, অথচ অনেক বিনিয়োগকারী অপেক্ষায় ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসলে তারা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে।
বিগত আওয়ামী সরকারের সময় পনেরো বছরে দেশ থেকে প্রায় আটাশ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে (অর্থনৈতিক অবস্থা যাচাই কমিটির শ্বেতপত্র অনুযায়ী ) যে কারণে দেশের অর্থনীতি ক্রমাগত খারাপ হয়েছে। তাই অন্যান্য সেক্টরের মতো পুঁজিবাজারও তারল্য সংকটে ভুগছিল ফলে বাজার ভালো হতে পারেনি । আওয়ামী সরকারের পতনের পর এখন অর্থনীতির অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে। ডলারের দাম বৃদ্ধি কমে স্থিতিশীল রয়েছে, রিজার্ভ কমার পরিবর্তে বাড়তে শুরু করেছে, ১০টি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেলেও, বাকি ব্যাংকগুলোর কাছে ১,৮০,০০০ কোটি টাকা অলস পড়ে আছে এই অবস্থায় পুঁজিবাজারও ভালো হবে এটা আমাদের সবারই প্রত্যাশা। অথচ এই মার্কেটের ইনডেক্সকে আপনি ৫০০০/৫৫০০ এর মধ্যে বেঁধে রাখতে চেয়েছেন যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর দিকে লক্ষ্য করেন। শ্রীলংকায় রাজা পাকশে সরকারের পতনের পরে সেদেশের অর্থনীতির সাথে সাথে পুঁজিবাজারও অনেক চাঙ্গা হয়েছে। ভারতের শেয়ার বাজারের ইনডেক্স ৮০,০০০ অতিক্রম করেছে, পাকিস্তানের শেয়ার বাজারের ইনডেক্স বর্তমানে ৯৯,০০০ পয়েন্টে। প্রতিটা বিটকয়েনের দাম এখন এক কোটি টাকায় পৌঁছে গেছে। তাহলে আমাদের শেয়ার বাজারের ইনডেক্সকে কেনো আপনি পাঁচ হাজার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজারে বেঁধে রাখতে চেয়েছেন ? ইনডেক্স ১৫/ ২০ হাজারে গেলে আপনার সমস্যা কি ? আপনি কি জানেন আমাদের মার্কেটের ইনডেক্স যদি ১০,০০০ হয় তাও ৫০% বিনিয়োগকারীর লস কভার হবে না।
আমি মনে করছি আমাদের দেশের পুঁজিবাজার এখন তলানিতে পড়ে আছে। বাজারের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, আমি শতভাগ আশাবাদী এখান থেকে বাজার সামনের দিকে আগাতেই থাকবে। শুধু প্রয়োজন মার্কেটের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং সে কাজটা আপনাকে এবং মাকসুদ সাহেবকেই করতে হবে।
আমি বিনিয়োগকারী ভাই বোনদের বলছি, আপনারা অল্পতেই পেনিক হয়ে লসে শেয়ার সেল করবেন না । বর্তমানে মার্কেট পিই সবচেয়ে কম, এখন শেয়ার সেল করার সময় না বরং এখন শেয়ার বাই করার উত্তম সময়, তাই হাতে থাকা শেয়ারটি নতুন করে বাই করে এভারেজ করার সুযোগ থাকলে বাই করে এভারেজ করুন। আমি মনে করছি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল থেকে গতিশীল হওয়ার সাথে সাথে পুঁজিবাজারও ভালো হতে শুরু করবে। তখন বাজারে স্রোতের মতো বিনিয়োগকারী আসবে। বন্যার পানির মতো বাজারে টাকা প্রবেশ করবে এবং বাজারের গড় লেনদেন ২০০০/৩০০০ কোটি টাকা হবে এবং আগামী তিন বছরের মধ্যে ইনডেক্স ১০-১২ হাজারে পৌঁছে যাবে। ইনশা আল্লাহ।
লেখক: বিনিয়োগকারী আবদুল খালেক
পাঠকের মতামত:
- সাত এএসপি-কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার
- সাত এএসপি-কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার
- সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- একে একে ৩ জনকে খুন, আটকের পর পুলিশকে যা জানালেন বাবুল
- মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ নাম, আলোচনায় যারা
- সম্পত্তি নিয়ে ভাই-বোনের বিরোধ, হাইকোর্টের রায়ে মিলল বড় ব্যাখ্যা
- পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ছুটি পাবেন না যারা
- পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর
- স্বর্ণের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী, ২১ ও ২২ ক্যারেটের নতুন দর প্রকাশ
- সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মারা গেছেন জানুন সত্যতা
- গোপনে সীমান্ত পার, তারপর শিলং! নানকের দেশ ছাড়ার চাঞ্চল্যকর বর্ণনা
- মোদীকে সরাসরি জবাব দিতে বললেন সাবেক মন্ত্রী
- ঈদে মিলাদুন্নবী ঘিরে সুখবর, টানা ৪ দিন ছুটির সুযোগ
- দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে শেয়ারবাজারমুখী সিটি গ্রুপ
- চট্টগ্রামে ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও
- বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল
- ৪০ কোটি টাকা লোকসানের পর ব্যাংকটিকে আধুনিক করার উদ্যোগ
- বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের ঋণমান ঘোষণা
- ফান্ড বন্ধের অর্থ ইউনিটহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাবে জমা
- সতর্ক বিনিয়োগকারীদের ধরে রাখার প্রবণতায় পতনে স্থির বাজার
- বদলে যাবে বিএনপির নেতৃত্ব, মহাসচিব পদে ২ নাম
- ছেলে-মেয়েকে হত্যা, ‘নিখোঁজ নাটক’ বাবার
- সানলাইফ অধিগ্রহণে গ্রিন ডেল্টার লোকসান, তহবিল ব্যবস্থাপনায় বড় অনিয়মের অভিযোগ
- জন্মতারিখ সংশোধনে সহজ হলো প্রক্রিয়া, তবে থাকছে বিশেষ শর্ত
- ডিএসইর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন
- গ্রামীণ ওয়ানের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- উড্ডয়নের ঠিক আগে শিশুর জেদ, বাতিল হয়ে গেল পুরো ফ্লাইট
- অপহরণ মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপি নেতাসহ গ্রেফতার ২
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘুম ভাঙাতে নিয়োগ দেওয়া হলো নারী
- দুই দফায় দাম বাড়ার পর স্বর্ণের নতুন দর প্রকাশ
- বদলি নিয়ে বড় আপডেট, ধীরগতির কারণ জানাল মাউশি
- রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের নাম, সামনে এলো ১০টি যুক্তি
- বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডাররে দই-মিষ্টিতে লেবেল নেই, কারখানায় তেলাপোকা!
- সিগারেটের ধোঁয়া টানার পর মাত্র ১০ সেকেন্ডে মস্তিষ্কে যা ঘটে!
- শপিংমল-দোকানপাট নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত
- তিন জেলায় নতুন এসপি নিয়োগ, পুলিশে বড় রদবদল
- টানা ১৪ দিন ডিম খেলেই শরীরে যে ৩ পরিবর্তন, জানালেন বিশেষজ্ঞ
- ৬৬ ব্রোকারেজ হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন দিয়েছে ডিএসই
- বিরল সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব, দেখা যাবে যেসব দেশে
- ভারতে সরকারিভাবে গোমূত্র বিক্রি নিয়ে নতুন পরিকল্পনা
- অলি আহমদকে নিয়ে ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক মন্তব্য
- মেলার নামে চাঁদাবাজি, কাঠগড়ায় তিন ছাত্রদল নেতা
- ওবায়দুল কাদের একজন ‘রাজনৈতিক জোকার’
- বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে বড় উদ্যোগ সরকারের
- যার নামে মৃত্যুদণ্ড, তিনি নাকি আসামিই নন!
- তিন জেলায় নতুন পুলিশ সুপার, বদলি আরও তিনজন
- ডিবি হারুনকে সরানো নিয়ে কাদের-কামালের ফোনালাপে যে কথা হয়
- রাষ্ট্রপতির পদে মির্জা ফখরুল, বিএনপিতে নতুন সমীকরণের আভাস
- এসএসসি ও এইচএসসি ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর
- সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় সুখবর
- শেয়ারপ্রতি সাড়ে ১০ টাকা বোনাস পাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা
- সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বার্তা, আলোচিত বেতন ইস্যু
- তিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আরও এক ধাপ অগ্রগতি
- মুনাফায় রেকর্ড, তবুও ব্র্যাক ব্যাংক ছাড়ছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা
- সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়ানো নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী
- প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ২১ লাখ টাকা ছিনতাই
- প্রশাসক বসছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে
- বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খানের নিকট বিনিয়োগকারীর খোলা চিঠি
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- শেয়ারবাজারে তারল্য বাড়াতে বিএসইসির নতুন উদ্যোগ, বদলাচ্ছে মার্জিনের নিয়ম
- ৬৬ ব্রোকারেজ হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন দিয়েছে ডিএসই
- মার্জিন ঋণ শিথিলের গুঞ্জনে চাঙা উভয় শেয়ারবাজার
শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর
- সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি









