বিশ্বের শক্তিশালী মুদ্রার তালিকায় রয়েছে যেই ১০ দেশ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : একটি দেশের মুদ্রার মূল্যের উল্লেখযোগ্য ওঠানামা সুদের হার, মুদ্রাস্ফীতি, বাজারের চাহিদা এবং বাণিজ্যের ভারসাম্যের উপর নির্ভর করে। এই সূচকগুলোর পেছনে প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে দেশটিতে সঞ্চিত সম্পদের পরিমাণ এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এভাবে সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে কখনও মুদ্রা দর পতন ঘটে কখনও বা তা বেড়ে যায়।
অত্যধিক হারে বেড়ে যাওয়া মুদ্রামান বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক লেনদেনে সেই মুদ্রার একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে। চলুন, ২০২৪ সালে এখন পর্যন্ত কোন ১০টি মুদ্রা সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে তা জেনে নেওয়া যাক।
কুয়েতি দিনার (কেডব্লিউডি)বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা হলো কুয়েতি দিনার, যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় যার বিনিময় হার ৩.২৬ মার্কিন ডলার। এর পেছনে প্রথম কারণ হচ্ছে তেল রপ্তানিতে বিশ্বে কুয়েতের অবস্থান। এই প্রেক্ষাপটটি দেশটিকে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি দিয়েছে।
দ্বিতীয়ত, কুয়েতি দিনারে মার্কিন ডলার, ইউরো এবং জাপানি ইয়েনের মতো বিশ্বখ্যাত তিনটি মুদ্রার বিপরীতে ফিক্স্ড রেট আরোপ করা হয়েছে। তাই বৈশ্বিক মুদ্রা বাজার পরিবর্তন এই দিনারের মানকে তেমন প্রভাবিত করতে পারে না। তৃতীয়ত, কুয়েত একটি রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল দেশ। এতে করে কুয়েত বিপুল পরিমাণে বিদেশি বিনিয়োগ পায়।
তাছাড়া এই মুদ্রার সরবরাহের ওপর দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ফলে মুদ্রার হার একটি নির্দিষ্ট হার বজায় রাখতে পারে।
বাহরাইন দিনার (বিএইচডি)বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামি মুদ্রা হলো বাহরাইন দিনার; যার একক মুদ্রার হার ২.৬৫ মার্কিন ডলারের সমান। এর পেছনে প্রধান কারণ তেলের পাশাপাশি বাহরাইন গ্যাস রপ্তানিতেও সেরা।
মার্কিন ডলারের বিপরীতে এই দিনারের বিনিময় হার সুনির্দিষ্ট করায় এর দামে খুব বেশি তারতাম্য থাকে না।
এমনকি দেশটির নিম্ন মূল্যস্ফীতির হার মুদ্রার মান স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।
ওমানি রিয়াল (ওএমআর)বিশ্বের তৃতীয় দামি মুদ্রাটির নাম ওমানি রিয়াল, যার একক মুদ্রা দিয়ে ২.৬০ মার্কিন ডলার কেনা যায়। কারণ বাহরাইনের মতো ওমানও বিশ্বখ্যাত তেল ও গ্যাস রপ্তানিকারক।
আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের এই দেশটির অর্থনীতির বেশিরভাগই নির্ভর করে তাদের কাছে থাকা তেলের মজুদের ওপর।
এই রিয়ালের ১০০০ ভাগের এক ভাগকে “বাইসা” বলা হয়, যা অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে ব্যবহার করা হয়। আর ইউএস ডলারের বিপরীতে ওমানের মুদ্রার রেট ফিক্স্ড করা আছে।
এছাড়া দেশটির মূল্যস্ফীতির হার তুলনামূলকভাবে কম হওয়ার কারণে মুদ্রার মানের আকস্মিক পরিবর্তন হয় না।
জর্ডানিয়ান দিনার (জেওডি)তালিকার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে জর্ডানিয়ান দিনার, যার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার বিনিময় হার ১.৪১ ডলার। বিশ্ব বাজারে তেল ও গ্যাসের প্রধান বিক্রেতা না হলেও এই অতীব দুটি মূল্যবান সম্পদ জর্ডানের অর্থনীতির মূল শক্তি।
দিনারের ঊর্ধ্বমানের নেপথ্যে রয়েছে আর্থিক এবং রাজস্ব নীতিতে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা। এর ফলে, একদিকে আভ্যন্তরীণ বাজারে মুদ্রার মূল্য স্থিতিশীল থাকে।
অন্যদিকে, বিশ্ব বাজারের উত্থান-পতনের ধাক্কা থেকে জর্ডানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষিত থাকে।
ব্রিটিশ পাউন্ড (জিবিপি)পৃথিবীর সর্বোচ্চ দামি মুদ্রাগুলোর শীর্ষ ১০-এর ঠিক মাঝামাঝিতে রয়েছে ব্রিটিশ পাউন্ড। ১ ব্রিটিশ পাউন্ড ১.২৭ মার্কিন ডলারের সমতূল্য।
সাম্প্রতিক নানা ধরনের রাজনৈতিক ঝামেলার পরেও পাউন্ড ২০২৪ সালের পঞ্চম শক্তিশালী মুদ্রা।
এর পেছনে মূলত দুটি বিষয় দায়ী। সেগুলো হলো জিবিপি’র জনপ্রিয়তা এবং সংগৃহীত মোট রাজস্ব আয়ের দিক থেকে এই দেশটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত।
জিব্রাল্টার পাউন্ড (জিআইপি)বিশ্বের ৭ম দামি মুদ্রা জিব্রাল্টার পাউন্ড দিয়ে প্রতি মুদ্রায় ১.২৭ মার্কিন ডলার কেনা যায়। জিব্রাল্টারের ইতিবাচক অর্থনীতির নেপথ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের (ইউকে) সঙ্গে এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
জিবিপির বিপরীতে লেনদেনের জন্য জিআইপির ফিক্স্ড রেট নির্ধারণ করা আছে। শুধু তাই নয়, ১ জিআইপি সমান ১ জিবিপি ধরা হয়।
কেম্যান আইল্যান্ডস ডলার (কেওয়াইডি)এই মুহূর্তে বিশ্বের ৬ষ্ঠ মূল্যবান মুদ্রাটি হলো কেম্যান আইল্যান্ডস বা কেম্যানিয়ান ডলার। ১ কেম্যান ডলার ১.২০ মার্কিন ডলারের সমান।
ইউএস ডলার কেনার জন্য এই মুদ্রার একটি নির্দিষ্ট বিনিময় হার নির্ধারিত রয়েছে। এই ফিক্স্ড রেট এবং কেম্যান দ্বীপপুঞ্জের নিজস্ব অর্থনীতি কেওয়াই ডলারের স্থিতিশীলতা বজায় থাকার মূল কারণ।
এছাড়া সরকারি ঋণ পরিশোধ এবং মোট রাজস্ব আয়ের দিক থেকেও দেশটির অবস্থান বেশ শক্তিশালী।
সুইস ফ্রাঙ্ক (সিএইচএফ)বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ সুইজারল্যান্ডের সুইস ফ্রাঙ্ক ৮ম শক্তিশালী মুদ্রা। প্রতি সুইস ফ্রাঙ্কের বিপরীতে ১.০৯ ইউএস ডলার লেনদেন করা যায়। রাজনৈতিক দিক থেকে সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত হওয়ায় বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীদের নির্ভরযোগ্য গন্তব্য সুইজারল্যান্ড।
নিম্ন বেকারত্ব এবং মুদ্রাস্ফীতিসহ স্বতন্ত্র অর্থনীতির দৌলতে নিরাপদ মুদ্রায় পরিণত হয়েছে সুইস ফ্রাঙ্ক। সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) মুদ্রার ভারসাম্য বজায় রাখতে কঠোর মুদ্রানীতি অনুসরণ করে।
ইউরো (ইইউআর)মার্কিন ডলারের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রিজার্ভ মুদ্রা এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবসা করা মুদ্রা ইউরো। ১ ইউরোর বিনিময়ে পাওয়া যায় ১.০৮ মার্কিন ডলার। ইউএস ডলারের পরেই সারা বিশ্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) স্বতন্ত্র অর্থনীতিতে ব্যবহৃত এই মুদ্রা ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়।
যে কারণে বিনিয়োগকারীরা যে মুদ্রাগুলোয় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, সেগুলোর মধ্যে ইউরো অন্যতম। তাছাড়া ইউরো অঞ্চলগুলোতে সুদের হার সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশের সুদের হারের চেয়ে কম। কিন্তু সরকারি ঋণ, মুদ্রাস্ফীতি এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য বিশ্বের শক্তিশালী মুদ্রার তালিকায় ইউরো ৯ম স্থানে।
মার্কিন ডলার (ইউএসডি)বিশ্বের বৃহত্তম রিজার্ভ মুদ্রা এবং সর্বাধিক ব্যবসা করা মুদ্রার নাম মার্কিন ডলার। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক এই ডলারকে প্রাথমিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ধরে রাখে।
কিন্তু বিশ্বের মূল্যবান মুদ্রাগুলোর মধ্যে এর স্থান ১০-এ। কেননা অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ডলারের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়।
দেশটি রপ্তানির চেয়ে আমদানি করে বেশি, বিধায় ডলারের দামের ওপর সার্বক্ষণিক একটি নিম্নমুখী চাপ থাকে। তাছাড়া বিভিন্ন দেশের সুদের হারের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার সাধারণত কম। এটি অধিকাংশ বিনিয়োগকারীদের ডলার দ্বিমুখী করে তোলে।
বৈদেশিক মুদ্রার মূল্য যেভাবে নির্ধারণ হয়এক দেশের মুদ্রা থেকে অন্য দেশের মুদ্রার বিনিময় হারের পরিবর্তন মূলত দুটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। সেগুলো হলো ফ্লোটিং রেট ও ফিক্সড রেট।
ফ্লোটিং রেটমুক্ত বাজারে মুদ্রার সরবরাহ ও চাহিদার বর্তমান অবস্থা ঠিক করে দেয় মুদ্রার ফ্লোটিং রেট। একটি মুদ্রার চাহিদা বাড়লে এর দাম বাড়ে, একইভাবে চাহিদা কমলে দামটাও কমে।
এই ওঠানামার নেপথ্যে কাজ করে বিনিময় হার সম্পর্কে মানুষের সাধারণ ধারণা। বিনিময় হারের এই বদলে যাওয়ার ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন হতে থাকে মানুষের চাহিদা এবং বাজারে মুদ্রার সরবরাহ।
যেমন ইউরোর তুলনায় মার্কিন ডলারের (ইউএস ডলার) চাহিদা বৃদ্ধি মানে ইউরোর দাম মার্কিন ডলারের দাম থেকে কমে যাওয়া। চাহিদা বৃদ্ধির মূলে থাকে বেকারত্বের হার, মুদ্রাস্ফীতি এবং সুদের হারের পরিবর্তনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা।
ফিক্সড রেটএকটি বিদেশি মুদ্রার সঙ্গে বিনিময়ের জন্য একটি দেশের সরকার সেই দেশের মুদ্রার একটি নির্দিষ্ট হার বেধে দেয়। মুদ্রার মূল্য নির্ধারণীটি করা হয়ে থাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে। অতঃপর সেই বিদেশি মুদ্রার বিপরীতে সরকার কর্তৃক দেশীয় মুদ্রা লেনদেন করা হয়, যার মাধ্যমে নির্ধারিত হারটি বজায় থাকে।
বাজারে স্বল্পমেয়াদে ফ্লোটিং রেট যখন ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে, তখন এর নেতিবাচক প্রভাব করে দৈনন্দিন সরবরাহ ও চাহিদায়। এ সময় মুদ্রার দাম একদম পড়ে গেলে অথবা আকাশচুম্বী হয়ে যায়। এই অস্থিতিশীলতাটি দেশের বাণিজ্য, ঋণ পরিশোধসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে।
যে কারণে পরিস্থিতি সামলানোর জন্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ফিক্স্ড রেটের আশ্রয় নেয়।
শেয়ারনিউজ, ২৫ মে ২০২৪
পাঠকের মতামত:
- শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ণ ১৮ সংবাদ
- বিপিএল নিলামের আগেই দেখুন দলগুলোর স্কোয়াড
- ঝুঁকির ৫ ব্যাংকে আটকে গেল পদ্মা অয়েলের ১৯৩ কোটি টাকা
- খেলাপি ঋণের ধাক্কা: ১৬ ব্যাংক নতুন ঋণ দিতে অক্ষম
- সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ১০ হাজার কোটি টাকা
- এবার প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুখবর দিলেন মির্জা ফখরুল
- খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য ৯ দফার ঘোষকের বিশেষ দোয়া!
- ২০২৫-এর নতুন ভূমি আইন বদলে দেবে সব নিয়ম
- মহাখালীতে আগুন
- দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর
- চোর ধরতে লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা
- মির্জা ফখরুল জানালেন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা
- প্রিপেইড মিটারের চার্জ ও ভাড়া নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানালো বিদ্যুৎ বিভাগ
- ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার দোয়া
- পদ্মা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর মানিলন্ডারিং অভিযোগ!
- পাঁচ ব্যাংকের কর্মীদের বেতন কাঠামোয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
- আরও ৩৯ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
- বিশ্ব ইজতেমার আগে টঙ্গীতে জোড় ইজতেমা
- ‘ঢাকার কসাই’ কামাল আসছে দেশে, বিচার নিয়ে গরম সংবাদ
- আরেকটি ফাটলরেখার সন্ধান, ৬ মাত্রায় ভূমিকম্পের শঙ্কা
- নাসির উদ্দিন চৌধুরী সিএসইর পরিচালক পুনর্নির্বাচিত
- সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে পিই রেশিও বেড়েছে
- নির্বাচনের আগেই বড় ধাক্কা: পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন দুই উপদেষ্টা
- বিএনপির ভেতরে অগ্নুৎপাত, সংঘাতে দুই শীর্ষ নেতা
- ১৯ দেশের গ্রিন কার্ডধারীদের পুনরায় যাচাইয়ের ঘোষণা!
- ‘ডিটওয়াহ’ নিয়ে আবহাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ আপডেট
- একটানা পাঁচ ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, সূচি প্রকাশ
- ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ৬ ভবন ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা
- পর্তুগাল বনাম অস্ট্রিয়া: উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচটি শেষ-জানুন ফলাফল
- ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য জানাল লুবরেফ
- অস্বাভাবিক শেয়ারদর- ডিএসইর প্রশ্নে নীরব কোম্পানি
- আইপিও রুলস নিয়ে তৃতীয় দিনের বৈঠকে বিএসইসি
- ফিক্স সার্টিফিকেশন পেল আরও ৯ ব্রোকারেজ হাউজ
- বস্ত্র খাতের ২০ কোম্পানিতে বেড়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ
- বস্ত্র খাতের ২৯ কোম্পানিতে কমেছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ
- ব্রাজিল বনাম ইতালি: রুদ্ধশ্বাস ম্যাচটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- উত্থানের নেপথ্যে ৫ কোম্পানি
- ৩.৬০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা
- ৪.৪০ লাখ শেয়ার কেনা সম্পন্ন
- বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ আগ্রহে ৫ কোম্পানির শেয়ার
- কয়েক কোটি টাকা নিয়ে উধাও সাউথইস্ট ব্যাংকের কর্মকর্তা
- বৃহস্পতিবারের ভূকম্পন ‘আফটারশক’
- ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফের ভূমিকম্প
- যে পেশাগুলো কিডনি সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়
- সৌদিসহ ৭ দেশের প্রবাসীদের জন্য দুঃসংবাদ
- মা-ছেলের মতো সম্পর্ক নিয়ে কুরুচিপূর্ণ রটনা
- খালেদা জিয়ার খাবার ও ওষুধে বিষ মেশানো হয়েছিল
- ডুবে গেছে সূর্য, আগামী ২ মাস থাকবে টানা রাত
- এবার বিলুপ্তির পথে শেয়ারবাজারের আট আর্থিক প্রতিষ্ঠান
- মন্দায় বন্ধ হয়ে গেল ১১৭ ব্রোকারেজ আউটলেট
- শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য আইসিবি পেল হাজার কোটি টাকা
- দুই বছরে রেকর্ড টার্নওভার দুই কোম্পানির
- শেয়ারবাজারে শুরু হচ্ছে স্মার্ট সাবমিশন যুগের সূচনা
- ১২ ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের অস্বাভাবিক চাহিদা
- বেক্সিমকোর ছয় কারখানা নিলামে তুলছে জনতা ব্যাংক
- মুনাফায় চমক দেখালো জ্বালানি খাতের ১৩ কোম্পানি
- মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল এবি ব্যাংক
- শেয়ারবাজারের গতিপথ বদলে দিয়েছে ১০ কোম্পানি
- ফাঁস হল ভারতের পলাতক হাসিনা-হাছানের ফোনালাপ
- মার্জারের ৫ ব্যাংক: ১৬ হাজার কর্মীর বেতন কাটার আশঙ্কা
- বছরের শীর্ষ র্যালি শেয়ারবাজারে, নতুন আশায় বিনিয়োগকারীরা
- রেনাটা–ইফাদ অটোস: দুই শেয়ারে আইসিবির লোকসান ৭০০ কোটি














