সেদিন কী ঘটেছিল শিকাগোতে
নিজস্ব প্রতিবেদক : শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে ইংরেজি এবং জার্মান ভাষায় লেখা একটি লিফলেট প্রকাশিত হয় ১৩৮ বছর আগে, ১৮৮৬ সালের ৪ মে । তাতে বড় অক্ষরে লেখা- ‘ওয়ার্কিংম্যান, টু আর্মস’। লিফলেটের মাধ্যমে শ্রমিকদের শিকাগো শহরের হে মার্কেট চত্বরে জড়ো হতে বলা হয়।
তার আগের দিন ‘ম্যাককরমিক রিপার্স’ কারখানায় এক জার্মান অভিবাসী শ্রমিক নেতা অগাস্ট স্পাইস বিক্ষোভকারীদের ডাকা হরতাল ও বিক্ষোভে অসংখ্য হত্যাকান্ড দেখেন। যা দেখে তিনি দৌড়ে তার অফিসে যান এবং লিফলেট ছাপান।
বলে রাখা ভালো- স্পাইস নিজে একটি জার্মান সংবাদপত্র চালাতেন। হত্যার খবর এবং লিফলেট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ‘হে মার্কেট চত্বর’ ছিল শহরের একটি ব্যস্ত অংশ। যেখানে ছিল যাত্রীছাউনি, অসংখ্য গাড়ির দোকান এবং কাছাকাছি বেশ কয়েকটি কারখানা।
সেদিন হালকা বৃষ্টি উপেক্ষা করে মিছিল বের করে আন্দোলনত শ্রমিকরা। রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ দুই হাজারের বেশি অভিবাসী শ্রমিক হে মার্কেট চত্বরে জড়ো হয়। এরপর হে মার্কেট চত্বরে শুরু হয় বক্তৃতা পর্ব। ওই সময় শেষ বক্তা হিসেবে ভাষণ দেন আমেরিকার সমাজ সংস্কারক ও শ্রমিক নেতা স্যামুয়েল ফিলডেন।
যদিও দিনটি ছিল ঠান্ডার। তাপমাত্রার পারদ ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু তার উত্তেজনাপূর্ণ বক্তৃতা বাতাস ভারী করে তোলে। তাতে সমর্থন দেয় শ্রমিকেরা। রাত সাড়ে ১০টায় তার বক্তৃতা শেষ হতেই এগিয়ে আসে পুলিশ বাহিনী এবং সভাস্থল ছেড়ে সবাইকে চলে যেতে হুকুম দেয়।
এমনি এক মুহূর্তে পুলিশের এগিয়ে আসা পথে ঘরে তৈরি একটি বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত হন আরও ৬৬ জন। যার মধ্যে ছয়জন পুলিশ সদস্য পরবর্তী সময়ে মারা যান। অন্যদিকে বোমা বিস্ফোরণের পর উভয়পক্ষে গুলিবিনিময় শুরু হয় বলে পুলিশ দাবি।
তবে ঐতিহাসিকদের মতে, এই সময় পুলিশই শ্রমিকদের ওপর গুলি ছোড়ে এবং নিজেদের গুলিতেই তারা মারা যায়। মুহূর্তেই ফাঁকা হয়ে যায় হে মার্কেট চত্বর, রাস্তায় পড়ে থাকে শ্রমিকের রক্তাক্ত লাশ। যদিও বলা হয় এতে চারজন শ্রমিক নিহত এবং ৬০ জন আহত হন। প্রকৃত সত্য অনেকটাই আড়ালে ঢাকা পড়ে। কিন্তু আড়ালে থাকে না তথাকথিত বিচারকাজ। আন্দোলনকারী শতাধিক শ্রমিককে গ্রেফতার করা হয়। শুরু হয় বিচারের পালা।
বিচার শেষে জুরি বোর্ড আট প্রতিবাদীকে মৃত্যুদন্ড প্রদানের পক্ষে মত দিলেও বিচারক সাতজনকে মৃত্যুদন্ড এবং একজনকে ১৫ বছরের কারাদন্ড প্রদান করেন। উচ্চ আদালতও একই রায় বহাল রাখে। আমেরিকার অঙ্গরাজ্য ইলিনয়ের গভর্নর রিচার্ড জেমস প্রতিবাদী শ্রমিক নেতা ফিলডেন এবং স্ত্রোয়ারের মৃত্যুদন্ড মওকুফ করে ১০ নভেম্বর ১৮৮৭ যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন।
এরপর শুরু হয় বাকি পাঁচজনের মৃত্যুর প্রহর গোনার পালা। কিন্তু এ দিনই ঘটে আরেক বিষাদময় ঘটনা। লিঞ্জ নামের এক সাজাপ্রাপ্ত বিপ্লবী শ্রমিক কৌশলে চুরুট বা মোটা সিগারেটের মতো দেখতে বিশেষ ধরনের হাতে তৈরি বোমা (ব্লাস্টিং ক্যাপ) সংগ্রহ করেন।
চুরুটের মতোই তা মুখে পুরে তিনি এতে বিস্ফোরণ ঘটান। মুহূর্তেই লিঞ্জের মুখের বিরাট অংশ আলগা হয়ে খসে পড়ে। তারপরও ছয় ঘণ্টা বেঁচে ছিলেন লিঞ্জ।
পরদিন ১৮৮৭ সালের ১১ নভেম্বর অবশিষ্ট চার বিপ্লবী শ্রমিক এঞ্জেল, ফিসার, পারসন্স এবং স্পাইসকে নেওয়া হয় ফাঁসির মঞ্চে। ফাঁসির মঞ্চের দিকে এগোতে এগোতে তারা শ্রমিকদের অধিকারের কথা নিয়ে রচিত গণসংগীত ও বিপ্লবী গান গেয়ে যান।
ফাঁসিতে ঝোলানোর ঠিক পূর্ব মুহূর্তে স্পাইস বলে যান, ‘এমন একদিন আসবে যেদিন আমাদের নীরবতা (মৃত্যু) তোমরা যে কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে চাও, তার চেয়েও শক্তিশালী হবে।’ বৃথা যায়নি শ্রমিক নেতা স্পাইসের গর্জন।
শেয়ারনিউজ, ০১ মে২০২৪
পাঠকের মতামত:
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ৫০ কোম্পানি
- টেঁটা নিয়ে মাঠে নামে ব্রাহ্মণবাড়িয়া! সংসদে বিস্ফোরক মন্তব্য
- বিদ্যুৎ যায়, নাকি আসে? আসিফ মাহমুদের প্রশ্নে তোলপাড়
- ১০৭টি বিও অ্যাকাউন্টে বেক্সিমকোর ৬,৭৫৫ কোটি টাকা জব্দ
- সূচক স্থিতিশীল, ইতিবাচক ধারায় সপ্তাহ শেষ শেয়ারবাজারে
- প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ল বাসভাড়া
- দুই রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ বাতিল
- একযোগে ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে
- “তুই দাঁতাল, তোর দাঁত থাকবে না”
- তেলের সংকট নিয়ে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী
- ছাত্রদল-শিবির সংঘ/র্ষে কিরিচ বিতর্কে নতুন মোড়
- ‘সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন?’: স্পিকার
- জামায়াত জোটের জন্য দুঃসংবাদ
- বাসভাড়ার নামে ‘গায়েবি খরচ’, উঠছে বড় প্রশ্ন
- চোখের দৃষ্টি ভালো রাখতে ৫ খাবার খাবেন
- ফরিদপুর ও শেরপুরে গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল
- ১ ঘণ্টা ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা—শেষে যা হলো
- তিন ‘বাধা’তেই থমকে বিশ্ব রাজনীতি
- মুক্তিপণ দিয়ে ঘরে ফিরলেন রুস্তম, পুলিশ এল ছবি তুলতে
- ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের নাম পরিবর্তনে ডিএসইর অনুমোদন
- ২২ ক্যারেট সোনার নতুন দাম নির্ধারণ
- ক্রেডিট রেটিংয়ে স্থিতিশীল অবস্থানে সিঙ্গার বাংলাদেশ
- গ্রামীণ ফোনের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- সিঙ্গার বিডির প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ইবনে সিনার তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- এশিয়া ইন্সুরেন্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- রিং সাইন টেক্সটাইল কাণ্ডে ৩ নামী অডিট ফার্ম শেয়ারবাজারে নিষিদ্ধ
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ৫৪ কোম্পানি
- মতিঝিলে পোস্টার ঘিরে বিতর্ক, ব্যাংক খাত নিয়ে নতুন প্রশ্ন
- পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন পদে বড় রদবদল
- এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ
- বিয়ের প্রলোভনে সম্পর্ক, ভিডিও ধারণ করে স্বামীর কাছে....
- ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম
- ৪৫ লাখ শেয়ার উপহার হিসেবে হস্তান্তর
- সূচক উত্থানের নেতৃত্বে ৮ কোম্পানি
- বিক্রেতা সঙ্কটে হল্টেড ৭ কোম্পানি
- উত্থানের ধারায় শেয়ারবাজার, দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন
- সঞ্চয় হারিয়ে পথে বসেছে ৭ হাজার বিনিয়োগকারী
- ২২ এপ্রিল ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকে ফের প্রশাসক নিয়োগ
- ২২ এপ্রিল লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২২ এপ্রিল দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২২ এপ্রিল দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- প্রধানমন্ত্রীর অফিসে খাবারের খরচ কত, জানালেন উপদেষ্টা জাহেদ
- কোচিং-নোট গাইড বন্ধের ঘোষণা—প্রাথমিক শিক্ষায় আসছে বড় পরিবর্তন!
- বিশ্বনেতাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অ্যামনেস্টির
- যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা তেহরানের
- সংরক্ষিত আসনে বিপাকে মনিরা শারমিন!
- যে কারণে দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ১৯ কোম্পানি
- গৃহপরিচারিকা ফাতেমার গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ৫৪ কোম্পানি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ১১ কোম্পানি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ২৭ কোম্পানি
- চলতি সপ্তাহে আসছে ১০ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- পিএইচডি করেও পিএস! তীব্র সমালোচনায় ঢাবি শিক্ষক
- সপ্তাহজুড়ে চার কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- পদোন্নতির পর ওএসডি হলেন দুই বিভাগীয় কমিশনার
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- সঞ্চয় হারিয়ে পথে বসেছে ৭ হাজার বিনিয়োগকারী
- নাভানা ফার্মায় দখল যুদ্ধ, ফাঁদে পড়ে বরখাস্ত বিএসইসি কর্মকর্তা
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- মার্জিন ঋণে অনিয়ম: ৫ ব্রোকারেজ হাউসে বিএসইসির তল্লাশি












.jpg&w=50&h=35)
