বিএসইসি চেয়ারম্যানের দূর্নীতি বিচারের দাবীতে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক : শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পদত্যাগী চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের অনিয়ম, দূর্নীতি তদন্ত ও বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়েগকারীরা। পাশাপাশি কমিশন সংস্কার ও পুনর্গঠনের দাবি জানান তারা।
আজ রোববার (১১ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁও বিএসইসি কমিশন ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে ৭ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়।
বিনিয়োগকারীদের দাবিগুলো হলো-
১. মাইনরিটি শেয়ারহোল্ডার হিসেবে আমাদের বিনীত নিবেদন এই যে, স্বৈরাচারী শাসনকালের সর্বোচ্চ বেনিফিসিয়ারী, শেয়ারবাজার ধ্বংস করার মুল কুশীলব,শেয়ারহোল্ডারদের পথে বসানোর ঘৃণিত ব্যাক্তি, বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের দূর্নীতির বিচার করা প্রয়োজন।
২. ২০২০ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর শিবলী বিএসইসি কে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এর চরম শিখরে নিয়ে যান। যার কিছু চিত্র এখানে তুলে ধরা হল। তার মেয়াদে পুঁজিবাজারে ব্যাপক লুটতরাজ হয়েছে। তার সঙ্গে যোগসাজশ করে হাজার কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অনেক শিল্পগ্রুপ। বাজারে লাগামহীন কারসাজি করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ফতুর করে দিয়েছেন আবুল খায়ের হিরো, এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমালসহ শিবলীঘনিষ্ট চক্র। পর্ষদ পুনর্গঠনের নামে বিভিন্ন কোম্পানিতে নিজের ঘনিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচালক হিসেবে বসিয়ে নতুনভাবে লুটপাটের সুযোগ করে দেওয়া; ব্যবসা না করতে পেরে বন্ধ হয়ে যাওয়া কোম্পানিকে নিজের লোকদের হাতে তুলে দিয়ে সেগুলোকে পুনরায় বাজারে নিয়ে এসে বিনিয়োগকারীদের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দেন তিনি।
৩. শিবলী রুবাইয়াতের বিরুদ্ধে টাকা পাচার এবং পাচারকারীদের সহায়তা করারও অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল এর আড়ালে টাকা পাচারের সুযোগ করে দেওয়া। এসব সম্মেলনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের কোনো লাগেজ বিমানবন্দরে কাস্টমস পরীক্ষা করে না। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে লাগেজে করে ক্যাশ ডলার পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে পুঁজিবাজারে যেসব কোম্পানির শেয়ার নিয়ে সবচেয়ে বেশি কারসাজি হয়েছে, সেসব কোম্পানি বা তার উদ্যোক্তারা এসব রোড শো স্পন্সর করেছেন। শিবলী রুবাইয়াতের উদ্যোগে সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে রোড শো বা বিনিয়োগ সম্মেলন হয়েছে।
৪. শিবলী রুবাইয়াত পুঁজিবাজারে যেসব মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স দিয়েছেন, সেগুলো নিয়েও রয়েছে বিতর্ক। বিশ্বজুড়ে পুঁজিবাজারকে সবচেয়ে সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর মনে করা হয়। এ বাজার পুরোটাই আস্থার উপর চলে। এ কারণে বাজার সংশ্লিষ্ট কোনো লাইসেন্স দেওয়ার আগে আবেদনকারীর যোগ্যতা, তার ভাবমূর্তি, অতীত রেকর্ড খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয়। কিন্তু এখানে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুই বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। বেশিরভাগ লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে আওয়ামীলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং তার নিজের ঘনিষ্ট ব্যক্তিদের। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে আর্থিক অপরাধের জন্য শাস্তিপ্রাপ্ত তার বন্ধু জাভেদ মতিন এবং দেশের শেয়ারবাজারে একাধিক কারসাজিতে অভিযুক্ত আবুল খায়ের হিরোর স্ত্রীকে ব্রোকারহাউজের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।
৫. ২০২০ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর শেয়ারবাজারের প্রায় অর্ধশত লোকসানি ও বন্ধ কোম্পানির পর্ষদ বদলে কোম্পানিগুলোকে লাভজনকভাবে চালানোর উদ্যোগ নেয় বিএসইসি। এর মধ্যে কিছু কোম্পানির পর্ষদ ভেঙে নতুন করে স্বতন্ত্র পর্ষদ নিয়োগ করা হয়। আর কিছু কোম্পানির মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্বই বদলে দেওয়া হয়। আবার কিছু কোম্পানিকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হয়। এসব প্রক্রিয়াকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ার নিয়ে শুরু হয় বড় ধরনের কারসাজি। মালিকানা বদল বা পর্ষদ বদলের খবরকে ঘিরে হু হু করে বাজারে দাম বাড়তে থাকে কিছু শেয়ারের।
এসব কোম্পানির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে এমারেল্ড অয়েল, ফু-ওয়াং ফুড, হামি ইন্ডাস্ট্রিজ (সাবেক ইমাম বাটন), লিবরা ইনফিউশন, লিগেসি ফুটওয়্যার, পেপার প্রসেসিং, সোনালী পেপার, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজসহ আরও বেশি কিছু কোম্পানি। এসব কোম্পানির শেয়ারের দাম এক–দুই বছরে কয়েক গুণ বেশি বেড়েছে। আগে বাজার থেকে একটি গোষ্ঠী কম দামে দুর্বল ও লোকসানি কোম্পানির শেয়ার কিনে নেয়। পরে বিনিয়োগের নামে বিএসইসির সহযোগিতায় এসব কোম্পানির পর্ষদে জায়গা করে নেয় তারা। এরপর কোম্পানিকে লাভজনক করা ও নতুন নতুন বিনিয়োগের খবর দিয়ে বাজারে কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়। কয়েক গুণ মূল্যবৃদ্ধির পর বেনামে কেনা শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে ওই গোষ্ঠী বিপুল মুনাফা তুলে নেয়। কিন্তু কমসংখ্যক বন্ধ কোম্পানিরই অবস্থার বদল হয়েছে এই উদ্যোগে। ফলে দেখা যাচ্ছে, বন্ধ কোম্পানি চালুর এই উদ্যোগ মূলত শেয়ারবাজারে কারসাজির বড় হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
এমনকি এই সুযোগ কাজে লাগাতে ওটিসি বাজারে থাকা বন্ধ কোম্পানি মাত্র কয়েক কোটি টাকায় কিনে নিয়ে নতুন শেয়ার ইস্যু ও পুনরায় সেসব কোম্পানিকে মূল বাজারে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের মাধ্যমেও কারসাজিতে জড়িয়ে পড়েছে একটি চক্র।
৬. গত চার বছরে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের কারসাজিকারক হিসেবে সামনে চলে আসে একটি নাম, আবুল খায়ের হিরু অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস। এ ছাড়া কারসাজির বিভিন্ন শেয়ারের সুবিধাভোগী ছিলেন শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ, যিনি তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনালী পেপারেরও চেয়ারম্যান। আরও যুক্ত ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল ও পরিচালক আদনান ইমামসহ আরও বেশ কয়েকজন। এর মধ্যে শেয়ারের দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটাতেন আবুল খায়ের হিরু, যিনি সমবায় অধিদপ্তরের একজন সরকারি কর্মকর্তা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের প্রাক্তন ছাত্র। আর্থিক লাভের জন্য তাঁর সঙ্গে যুক্ত হন তালিকাভুক্ত একাধিক কোম্পানির উদ্যোক্তারাও।
চক্রটি এনআরবিসি ব্যাংক, আইপিডিসি ফিন্যান্স, ফরচুন শু, জেনেক্স ইনফোসিস, সোনালী পেপার, ডেলটা লাইফ ইনস্যুরেন্সসহ বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় কারসাজির মাধ্যমে। বিএসইসির শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে ভালো যোগাযোগের সুবাদে চক্রটি বিশেষ সুবিধা পেয়েছে। একসময় বাজারে এমন প্রচারও হয়েছে যে এই চক্র যে শেয়ারে হাত দেয়, সেই শেয়ারেরই দাম বাড়ে লাফিয়ে। এ কারণে ২০২০-২০২১ সালে অনেক উদ্যোক্তা, শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউসের মালিকেরাও শেয়ারের দাম বাড়াতে এ চক্রের সঙ্গে যুক্ত হন।
এসব কারসাজিকারকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি শিবলী রুবাইয়াত। এমনকি তার ইন্ধনে অনেক তদন্ত প্রতিবেদন আলোর মুখও দেখেনি। এই কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিই আস্থার ঘাটতি তৈরি হয় শেয়ারহোল্ডারদের।
৭. শিবলী রুবাইয়াত মুখে মুখে শেয়ারবাজারের অনেক সংস্কার এবং বিদেশী বিনিয়োগ আনার চেষ্টার কথা বললেও বাজারের অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়েছে। বাজারে নতুন কোনো বিদেশী বিনিয়োগ আসেনি। বরং বিদ্যমান বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে টানা বিনিয়োগ প্রত্যাহার করেছে। বর্তমানে পুঁজিবাজারে বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ স্মরণকালের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ফ্লোরপ্রাইস নামের কৃত্রিম ব্যবস্থায় বাজারের পতন ঠেকিয়ে রাখতে হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে ভারত, শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের মতো দেশের পুঁজিবাজারে মূল্যসূচকের বড় উল্লম্ফন হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে পুরো বিপরীত অবস্থা। তার সময়ে বাজারে বড় দরপতন হয়েছে। আর এর পুরো দায় শিবলী রুবাইয়াতের প্রশ্রয়ে চলা লাগামহীন কারসাজি ও লুটপাট। তার লাগামহীন দুর্নীতি বিচার হওয়া অত্যাবশ্যক।
মামুন/
পাঠকের মতামত:
- ভাইরাল গানের ভিডিও নিয়ে যা বললেন মাদানী
- ৬ মুসলিম দেশকে কঠিন শর্ত দিলেন ট্রাম্প
- ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ বিক্রি নিয়ে বিতর্ক, যা বললেন খামার মালিক
- কৃষি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নুরুল আমিন
- আজ যেসব এলাকায় সীমিত পরিসরে চালু ব্যাংক শাখা
- ১০০ দিনে সরকারের অর্জনের তালিকা প্রকাশ
- পদ্মায় ট্রলারডুবিতে ব্যবসায়ীসহ ২৩ গরু নিখোঁজ
- ধর্ষ/ণে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে আরেক শিশু
- “আ.লীগ ফিরে আসবে”— চাঞ্চল্যকর দাবি সাবেক উপদেষ্টার
- নতুন পে-স্কেল: গ্রেডভিত্তিক সম্ভাব্য বেতন কাঠামো
- রামিসার মামলায় চার্জশিটে উঠে এলো যেসব চাঞ্চল্যকর তথ্য
- নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ৩ প্রার্থী
- ঈদের দিন বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
- ‘কিচেন কেবিনেট’ নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক উপদেষ্টা
- ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার পর বড় মন্তব্য সেতুমন্ত্রীর
- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত মক্কা
- গোপন বাঙ্কারে খামেনি! চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ
- ‘হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত’—রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক
- ‘ড্রেস কোড’ নিয়ে বেতারের সেই আদেশ বাতিল
- ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন বিতর্ক, ক্ষুব্ধ জামায়াত
- এনআইডি বা ‘সুবর্ণ’ কার্ড থাকলেই মিলবে ছাড় মেট্রোরেলে
- পবিত্র আরাফাতের দিনে এবার ঘটতে যাচ্ছে এক বিরল ঘটনা
- রাসুল (সা.) যেভাবে কোরবানির মাংস বণ্টন করতেন
- তেলের দামে ধস, সোনায় রেকর্ড উত্থান
- জামিন পেলেন তারেক রেজা
- অনৈতিক সম্পর্কের জেরে আত্মহত্যার চেষ্টাকারী এএসআর মৃত্যু
- ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
- হামলার ঘটনার তিন দিন পর যা বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- সাবেক ডেপুটি গভর্নর এখন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান
- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫
- ঈদের আগে ব্যাংকিং সেবা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা
- চীনে মর্মান্তিক কয়লা খনি দুর্ঘটনা, প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা
- ২৭ মে থেকে হঠাৎ বন্ধ সব ভারতীয় ভিসা সেন্টার!
- সিজেপির ওয়েবসাইট হঠাৎ ব্লক, নতুন ঠিকানার ঘোষণা
- এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা গ্রেফতার
- ইসলামী ব্যাংক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ
- রামিসা হ/ত্যা মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় আইনজীবী নিয়োগ
- বাংলাদেশের ঋণ নিয়ে বড় সতর্কবার্তা এডিবির
- আ.লীগ নিষিদ্ধের তদন্ত নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর
- ঈদের ছুটিতে বড় পরিবর্তন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন সূচি প্রকাশ
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিবার নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, রাতেই যুবক গ্রেপ্তার
- হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬ জনের মৃত্যু
- আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গ্রাহক ফোরামের চার দফা দাবি
- বিএটির বিরুদ্ধে বড় ধরনের দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিং অভিযোগ
- স্থিতিশীল আউটলুকসহ হাওয়া ওয়েল টেক্সটাইলের রেটিং প্রকাশ
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের আর্থিক প্রতিবেদনে নিরীক্ষকের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
- বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের প্রভাবে শিল্প প্লট বাতিল করল ম্যাকসনস স্পিনিং
- ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ফের উত্তেজনা, রাস্তায় নামলেন গ্রাহকরা
- বিক্রি কমায় মুনাফা থেকে লোকসানে জিপিএইচ ইস্পাত
- ছাত্রদল নেতার সঙ্গে আ. লীগ নেতার মেয়ের বিয়েতে জামায়াত এমপি অতিথি
- গরু জবাই নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই এলো নতুন আহ্বান
- শেয়ারপ্রতি ৫০ টাকা বোনাস পাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা
- দুর্বল তিন কোম্পানির আর্থিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখবে ডিএসই
- শেয়ারবাজারে অনিয়ম: তিন কোম্পানির চেয়ারম্যান-পরিচালকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
- যেভাবে নর্তকীর নাম থেকে এলো জনপ্রিয় আমের নাম
- প্রভিশন ঘাটতিতে বিপর্যস্ত তিন ব্যাংক, প্রকৃত আর্থিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন
- আ.লীগ নিষিদ্ধের তদন্ত নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর
- ব্যাংকের ডিভিডেন্ড নীতিতে নতুন কড়াকড়ি বাংলাদেশ ব্যাংকের
- দুইদিন পরেই ১২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ডের মালিকানা নির্ধারণ
- বিকাশ-নগদে টাকা পাঠাতে এলো নতুন নিয়ম
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- রায় মাথায় নিয়েই দেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা!
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর








