চাঁদের জমি দখলে নিতে হুলুস্থুল কাণ্ড!
নিজস্ব প্রতিবেদক : মানুষ এখন চাঁদের উপর আধিপত্য বিস্তারের তোরজোড়ের মধ্যে রয়েছে। এরইমধ্যে অনেক দেশ ও সংস্থা চাঁদের প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মহাকাশের আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় শামিল হয়েছে।
গত ১২ মাসে চীন, ভারত এবং জাপানের মহাকাশযানও চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করেছে। নাসা চাঁদে মানুষ পাঠাতে চায়। আর্টেমিস প্রকল্পের মহাকাশচারীরা ২০২৬ সালের মধ্যে চাঁদে অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। চীন বলেছে যে তারা ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠাবে। তবে তারা ক্ষণস্থায়ী সফরের পরিবর্তে চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি তৈরির পরিকল্পনা করছে।
১৯৬৭ সালে জাতিসংঘের একটি চুক্তিতে বলা হয়েছে যে কোনো জাতি চাঁদের মালিক হতে পারে না। আউটার স্পেস নামের একটি চুক্তিতে বলা হয়েছে যে চাঁদ সবার জন্য এবং চাঁদে যেকোনো অভিযান সমস্ত মানবজাতির কল্যাণের জন্য এবং মানব জাতির স্বার্থে পরিচালনা করা উচিত।
আউটার স্পেস চুক্তিটি বেশ শান্তিপূর্ণ এবং সহযোগিতামূলক মনে হলেও এর উদ্দেশ্য সহযোগিতামূলক ছিল না। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল, স্নায়ুযুদ্ধের সময় রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা করা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। সে সময়, মহাকাশও এই দুই দেশের একটি সামরিক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দেয়।
মহাকাশ বিষয়ক আইনজীবী এবং ফর অল মুনকাইন্ডের প্রতিষ্ঠাতা মিশেল হ্যানলন বলেছেন, “আমরা চাঁদে জিনিসপত্র পাঠাতে শুরু করেছি কারণ আমরা এটি করতে পারি, এর পেছনে আর কোনো কারণ নেই,”
ফর অল মুনকাইন্ড সংস্থা মূলত অ্যাপোলো অবতরণ সাইটগুলিকে রক্ষায় কাজ করছে। মিশেল হ্যানলন আরও বলেন, "এখন চাঁদ আমাদের নাগালের মধ্যে চলে আসছে এবং এখন আমরা একে অপব্যবহার করতে শুরু করেছি।"
লন্ডনের ইন্সটিটিউট অফ স্পেস পলিসি অ্যান্ড ল-এর পরিচালক প্রফেসর সাইদ মোস্তেহসার বলেছেন, কোনো কোম্পানি যদি মহাকাশে যেতে চায় তাহলে অবশ্যই কোনো রাষ্ট্রের অনুমোদন নিতে হবে, যা আন্তর্জাতিক চুক্তি দ্বারা নির্ধারিত হয়।
চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছে যাওয়া দেশের অভিজাত ক্লাবে যোগ দেয়াও বেশ মর্যাদার ব্যাপার। ভারত এবং জাপান মহাকাশ অভিযানে সাফল্য পেলে তারাও, বিশ্বব্যাপী মহাকাশচারীদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার দাবি করতে পারে।
কোনো দেশ মহাকাশ শিল্পে সফল হতে পারলে তাদের অর্থনীতিতে উদ্দীপনা দেখা দেয়। কেননা এর ফলে উদ্ভাবনের জগত প্রসারিত হয়, চাকরির বাজার তৈরি হয়।
১৯৭৯ সালে, একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে ঘোষণা করা হয়েছিল যে কোনো রাষ্ট্র বা সংস্থা চাঁদের সম্পদের মালিকানা দাবি করতে পারবে না। কিন্তু এই ঘোষণা তেমন জনপ্রিয় হয়নি- শুধুমাত্র ১৭টি দেশ এতে অংশ নেয়। যেসব দেশ চাঁদে পৌঁছানোর দাবি করেছে. যেমন- যুক্তরাষ্ট্র. তারা ওই ১৭ দেশের মধ্যে ছিল না।
প্রকৃতপক্ষে, যুক্তরাষ্ট্র ২০১৫ সালে একটি আইন পাস করে যেখানে তারা তাদের নাগরিক এবং শিল্পকে যেকোনো মহাকাশ সামগ্রী নিষ্কাশন, ব্যবহার এবং বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছে।
কারো কারো মতে চন্দ্রাভিযানের নতুন নিয়মগুলো কোনো নির্দিষ্ট দেশের একার দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত নয়। এ নিয়ে সাইদ মোস্তেহসার বলেছেন, "এসব বিধিমালা অবশ্যই জাতিসংঘের মাধ্যমে করা উচিত কারণ এটি সমস্ত দেশকে প্রভাবিত করবে।"
কিন্তু সম্পদের ওপর প্রবেশাধিকার থাকার বিষয়টি আরেকটি সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিতে পারে। চাঁদে প্রচুর জায়গা থাকলেও, বরফ ভরা গর্তের কাছাকাছি অঞ্চলগুলোই প্রধানত চন্দ্রের রিয়েল এস্টেট বা মূল আবাসন।
লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সের মহাকাশ নীতি ও আইন গবেষক জিল স্টুয়ার্ট বলেছেন, "আমি মনে করি পৃথিবীর অ্যান্টার্কটিক মহাদেশের সঙ্গে চাঁদের একটি মিল রয়েছে। আমরা অ্যান্টার্কটিকের মতো চাঁদেও সম্ভবত গবেষণা ঘাঁটি স্থাপন হতে দেখবো।"
তবে চাঁদে ঘাঁটি গড়ার প্রসঙ্গ আসলে কয়েকটি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যেমন: এটি কি কয়েক বর্গকিলোমিটার জুড়ে হবে নাকি বা কয়েকশত বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে হবে। প্রথমে যারা চাঁদে পৌঁছাবে তাদের জন্য এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে।
মহাকাশ বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করেন, আরেকটি বড় আন্তর্জাতিক মহাকাশ চুক্তি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে চন্দ্রাভিযানে কী করা যাবে, কী করা যাবে না এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক বা নতুন আচরণবিধি প্রণয়নের সম্ভাবনা রয়েছে। তথ্যসূত্র: বিবিসি
শেয়ারনিউজ, ১১ জুন ২০২৪
পাঠকের মতামত:
- জকসু নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণা, ছাত্রশিবিরের জয়জয়কার
- রবির পিছুটান, ভাগ্য খুলল জিপি-র
- সরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানি তালিকাভুক্তিতে সরকারের সবুজ সংকেত
- সাধারণ বিমায় বড় ধাক্কা: ব্যক্তি এজেন্ট লাইসেন্স স্থগিত
- চলছে সিলেট বনাম চট্টগ্রামের খেলা: ম্যাচটি সরাসরি দেখুন
- হলফনামায় গরমিল নিয়ে সারজিসের ব্যাখ্যা
- এনসিপিকে আসন ছাড়ের বিষয়টি পরিস্কার করলেন জামায়াত
- ১ নেতাকে দুঃসংবাদে এবং ৫ নেতাকে সুখবর দিল বিএনপি
- ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম গ্রেফতার
- ভোট গণনায় বিস্ফোরণ: শিবিরের শীর্ষ প্রার্থীরা পেলেন ০ ভোট!
- পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি
- এজিএম নিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে জেএমআই হসপিটাল
- নোয়াখালী বনাম ঢাকা: ১৪.১ ওভারে খেলা শেষ-জেনে নিন ফলাফল
- ইতিবাচক বাজারে তিন খাতেই পুরোপুরি সবুজ
- শুল্কে অখুশি মোদি, তবু ট্রাম্পকে ‘স্যার’—হোয়াইট হাউসের বক্তব্যে ইঙ্গিত
- সর্বোচ্চ দরে আটকে গেল ৫ কোম্পানির শেয়ার
- হাদি হত্যার আসামি ফয়সালের ৫৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
- মার্কেট মুভারে নতুন পাঁচ কোম্পানি
- বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা পূরণে নেতৃত্বে ৯ কোম্পানি
- ভালো আইপিও ও শক্তিশালী মার্চেন্ট ব্যাংকের ওপর জোর বিএসইসির
- আরডি ফুডের ১৫ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
- জানা গেল ওসমান হাদি হত্যার নির্দেশদাতার অবস্থান
- বাবার নির্দেশেই শিশুকে হত্যা করেন চাচা
- ০৭ জানুয়ারি ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- ০৭ জানুয়ারি লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ০৭ জানুয়ারি দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- বাজারে স্বস্তির ফিরতি, বেড়েছে সূচক ও লেনদেন
- ০৭ জানুয়ারি দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১.৬০ লাখ শেয়ার কেনা সম্পন্ন করলেন কোম্পানির পরিচালক
- ডিভিডেন্ড পেলো ২ কোম্পানির বিনিয়োগকারীরা
- খোলামেলা স্বীকারোক্তিতে লিওনেল মেসি
- বাংলাদেশ ব্যাংক দিলো বড় সুখবর!
- শীত নিয়ে সুখবর দিল আবহাওয়া অফিস
- ওসমান হাদি হত্যার নির্দেশদাতা বাপ্পীর পুরো কাহিনী এক ক্লিকে
- ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ
- মাত্র ৬ ভোটের ব্যবধান! জকসু ভিপি পদে টানটান লড়াই
- এক সিদ্ধান্তেই বদলে গেল সব—বিমানেই যাত্রীর মৃত্যু
- কুয়াশা পড়লে ঠান্ডা বাড়ে নাকি কমে জানালেন আবহাওয়াবিদরা
- ডিসেম্বরে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এলো যেসব দেশ থেকে
- বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসায় বড় ধাক্কা
- তিন কোম্পানির লেনদেন বন্ধ
- ১ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণা
- হাদি হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিক্রিয়া
- শেয়ারবাজারে আস্থা বাড়াতে ১০ ব্লুচিপ কোম্পানি তালিকাভুক্তির উদ্যোগ
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সংকেতে শেয়ারবাজারে আতঙ্কিত বিক্রয়চাপ
- মুস্তাফিজের জন্য সরকারের পদক্ষেপকে ব্যাখ্যা করলেন অর্থ উপদেষ্টা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার বাম্পার নিলাম
- এবার ট্রাম্পের নজরে যে ৫ দেশ ও অঞ্চল
- বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মসজিদ রয়েছে যেসব দেশে
- ভোটারদের বিভ্রান্তি এড়াতে ইসির চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত
- শেয়ারবাজারে বিদ্যুৎ খাতের ৫ কোম্পানির ভবিষ্যৎ অন্ধকার
- বন্ধ ও ডিভিডেন্ডহীন কোম্পানির জন্য গঠিত হচ্ছে ‘আর’ ক্যাটাগরি
- ভারতগামী যাত্রীদের জন্য নতুন নিয়ম কার্যকর
- ‘জুলাইযোদ্ধা’ তাহরিমা কাণ্ডে নতুন মোড়
- শেয়ারবাজারে আস্থা বাড়াতে ১০ ব্লুচিপ কোম্পানি তালিকাভুক্তির উদ্যোগ
- আইপিও-তে ডিসকাউন্ট বাতিল; সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ফিরছে লটারি
- ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামল ৯ কোম্পানি
- বিএসইসি’র নতুন গেজেট, বদলে গেল শেয়ার ইস্যুর নিয়ম
- স্থবির এসএমই বোর্ডে প্রাণ ফেরাতে বিএসইসির নীতিগত পরিবর্তন
- শেয়ারবাজার থেকে তারেক রহমানের আয় বছরে পৌনে ৭ লাখ টাকা
- বিনিয়োগকারীদের নাগালের বাইরে তিন শেয়ার
- ডা. তাসনিম জারার সম্পদ ও আয়ের চাঞ্চল্যকর হিসাব প্রকাশ
- দেড় বছর পর আইপিওতে নতুন সুযোগ—যা জানা জরুরি
- ২১ বছরের রেকর্ড ভাঙল শীত!
- শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ণ ১৭ সংবাদ













.jpg&w=50&h=35)
