ফলের আকাশ ছোঁয়া দাম নিয়ে ক্রেতার বিস্ময়
নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বাজারে দুই বছর আগে যেসব বিদেশি ফলের কেজি ছিল ১৫০ টাকা বা তারও সামান্য বেশি এখন সেই ফল ৩৫০ বা ৪০০ টাকাতেও বিক্রি হয়। প্রশ্ন উঠছে আমদানি করা ফলে কেন বিবেচনায় কর-শুল্ক নেওয়া হবে। আঙ্গুর, আপেল, কমলা, নাশপাতির মত বিদেশি ফলগুলো বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাসের অংশ হলেও সেগুলোর আমদানি নিরুৎসাহিত করতে বাড়তি করারোপ বাড়িয়েছে দাম।
গত দুই বছর ধরেই ক্রেতাদের এসব ফলের বাড়তি দর বিস্মিত করছে। খরচ সমন্বয় করতে গিয়ে কেনা কমিয়েছেন, অথবা বাদ দিয়েছেন অনেক মধ্যবিত্ত ক্রেতারা। রোজার শুরুর দিকের তুলনায় দ্বিতীয় সপ্তাহে গ্রীষ্মকালীন ফলের যোগান বাড়ার পর আমদানি করা ফলের দাম কিছুটা কমেছে, তারপরও যে টাকা খরচ করতে হচ্ছে তা মানুষের ‘অভ্যাসের’ চেয়ে অনেকটাই বেশি।
এ জন্য ব্যবসায়ীদের অতি মুনাফার প্রবণতাকেও দুষছেন ক্রেতারা, যদিও আমদানিকারকদের দাবি, কর যতটা বেড়েছে, দাম ততটা বাড়েনি। তারা বলছেন, শুল্ক হার বাড়ানো আর ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতন ফলের দাম বাড়ানোর মূল কারণ। এর বাইরে পরিবহন ব্যয়, এলসি খুলতে জটিলতা- এগুলোও অবদান রেখেছে।
অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, রোজার শুরুর সময় যে দর ছিল, এখন তার চেয়ে কম। এ সময়টুকুতে নিশ্চয় ফল আমদানিতে খরচ কমেনি। তার মানে বাড়তি মুনাফা করা হচ্ছে। বাড়তি দাম মানুষের ভোগে প্রভাব ফেলছে, যদিও পুষ্টিবিদরা বলে থাকেন, সুস্থতার জন্য ফল খাওয়া জরুরি। দিনে জনপ্রতি অন্তত ১০০ গ্রাম ফল খাওয়ার কথা বলছেন তারা।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেইনে রাশিয়ার অভিযান শুরুর পর থেকে দেশে দেশে যে মূল্যস্ফীতি ও ডলার সংকট দেখা দেয়, সে সময় বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচাতে বাংলাদেশ সরকার নানা পদক্ষেপ নেয়। এর অংশ হিসেবে ২০২৩ সালে ফল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে বাড়ানো হয় শুল্ক।
বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, “সরকার অতিমাত্রায় শুল্ক বাড়ানোয় ও ডলারের রেট বেড়ে যাওয়ায় আমদানিকৃত সব ধরনের ফলের দাম বেড়েছে।”
পীড়া দিচ্ছে দাম-
ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া আবির মাহমুদের প্রিয় ফলের মধ্যে রয়েছে মাল্টা। বাবাও চেষ্টা করেন সন্তানের প্রিয় এই ফলটি এনে দিতে। তবে এ ফলের এমন আকাশ চুম্বি দাম এখন তাকে বড্ড পীড়া দেয়। প্রিয় সন্তানের পছন্দের ফলটা এনে দিতে পারছেন না। যে ফল বছর দুয়েক আগেও তিনি কিনেছেন ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায়, এখন তিনশর কমে কেনা দায়, কখনো সখনো দাম ঠেকে চারশতে।
চাকরির সুবাদে ঢাকায় একটি হোস্টেলে থাকেন সিরাজুম মনিরা। তিনি মাঝে মাঝে আপেল বা মাল্টা কেনেন। দাম বেশি হওয়ায় তার সেই অভ্যাসে ছেদ পড়েছে। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, “আগে যে দাম ছিল এখন সেই দাম বা আশপাশে থাকলেও অন্তত এক কেজি করে কিনতে পারতাম। কিন্তু এখন যে পরিস্থিতি দুইটা তিনটা ছাড়া কেনার উপায় নেই।”
যে সিদ্ধান্তের প্রভাব ফল বাজারে-
২০২২ সালের মে মাসে বিদেশি ফল আমদানিতে ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করেছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পরে ফল আমদানিতে ঋণ সুবিধা বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
সে সময় অপ্রয়োজনীয় ও বিলাস পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করতে সরকার এ পদক্ষেপ নেয়।
ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশে আপেল, কমলা ও নাশপাতির মত বিলাস জাতীয় পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এনবিআর। এতে করে শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক কাস্টমস ডিউটি সব বেড়ে যায়। আগে যেখানে বিদেশি ফলের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কহার ছিল ৩ শতাংশ, সেটি বেড়ে দাঁড়ায় ২৩ শতাংশে।
এর সঙ্গে আমদানিতে ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি, ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর এবং ৪ শতাংশ অগ্রিম ট্রেড ভ্যাট তো আছেই।
আনিছুর রহমান নামে একজন ক্রেতা গণমাধ্যমকে বলেন, “ফল শরীরের জন্য খুবই জরুরি একটা খাবার। এটা বিলাসী পণ্য বিবেচনা করা উচিত না।”
দেশি ফল দিয়ে চাহিদা পূরণ সম্ভব নয় জানিয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “সারা বছরের জন্য আমাদের তো বিদেশি ফলের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু এত দাম যে কিনে খাওয়ার পরিস্থিতি নাই। শুল্ক কমিয়ে রাখলে সাধারণ মধ্যবিত্তের ক্রয় ক্ষমতায় থাকে। তাতে আমাদের সবার পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে।”
বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নুরুদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, “কাস্টমস শুল্ক ছিল ২০ শতাংশ, সেটা করেছে ২৫ শতাংশ। আর সম্পূরক শুল্ক ছিল ২০ শতাংশ, সেটা হয়েছে ২৫ শতাংশ। এটা ৫ শতাংশ বাড়া মানে হিসেব করতে গেলে ১৫ শতাংশের সমান। কারণ এখানে ভ্যাটসহ আরও কিছু যুক্ত থাকে।
“সবকিছু মিলিয়ে এখন আমাদের শুল্ক দিতে হয় ১১৫ শতাংশ, যা আগে দিতাম ৯১ শতাংশ। এরপর ভ্যালুয়েশন বাড়িয়েছে। আগে দিতাম ৫০ সেন্টের জন্য ৯১ শতাংশ শুল্ক। এখন ৭০ সেন্টের জন্য ১১৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়। এছাড়া দুই বছর আগে ডলারের রেট ছিল ৮৭ টাকা, এখন ১২০ টাকা।”
টাকার হিসাবে শুল্কে প্রভাবের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “দুই বছর আগে ১৫ কেজি মাল্টায় শুল্ক দিতাম ৭৬০ টাকা, এখন দিচ্ছি ১৪৮০ টাকা।
“জাহাজের ভাড়া অনেক বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে ২৭০০ ডলার ভাড়া দিতাম। এখন সেটা ৭ হাজার ডলার দিতে হচ্ছে, বিশেষ করে মিশর থেকে।” যে হারে শুল্ক বাড়ানো হয়েছে, ফলের দাম সে হারে বাড়েনি বলেও দাবি করেন তিনি।
ক্রেতার যে প্রশ্নের যুৎসই জবাব নেই-
ফল আমদানিকারকরা কর বৃদ্ধির কথা বললেও দাম এতটা বৃদ্ধি নিয়ে ক্রেতার মনে অন্য প্রশ্ন। রোজার দ্বিতীয় সপ্তাহের পর দাম কিছুটা কমে যাওয়া নিয়ে ক্রেতা কাতিব হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, “ব্যবসায়ীরা বলে ট্যাক্স বেশি তাই দাম বেশি। যদি তাই হয় তবে রমজানের সাতদিন আগে এক দাম, পহেলা রমজানে এক দাম আর এখন রমজানের মাঝামাঝি সময় পরে আরেক দাম কেন।
এই অল্প কয়েক দিনেই দামের যে রহস্যজনক পরিবর্তন, তা স্বাভাবিক নাকি ব্যবসায়ীদের কারসাজি? এই প্রশ্নের জবাব কী? বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দায় দিলেন খুচরা বিক্রেতাদের ওপর। তিনি বলেন, “মার্কেট তো আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। মার্কেট আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের কাছ থেকে নিয়ে খুচরা ব্যবসায়ীরা হয়ত বেশিতে বিক্রি করেছে। আর তখন চাহিদা বেশি ছিল। এখন একটু চাহিদা কম, তাই দামও একটু কম।
আকবর খান নামে একজন ক্রেতা ‘রয়ে সয়ে’ কেনাকাটার পরামর্শ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “রোজার শুরুতে আমার কেনাকাটায় হুমড়ি খেয়ে পড়ি। দাম যতই হোক, পরিবার নিয়ে ভালো করে ইফতার করতে হবে, এ চিন্তায় চড়া মূল্যে হলেও বেশি বেশি কিনি। তাই ব্যবসায়ীরা সুযোগ লুফে নেয়। আবার চাহিদা বাড়লে কারসাজি শুরু করবেই।
দেশি ফলের চাপে দরপতন
রোজার শুরুতে বেশ কিছু পণ্যের পাশাপাশি ফলের বাজারেও দেখা দেয় ‘অস্থিরতা’। তবে দ্বিতীয় সপ্তাহে এতে দেখা যায় বাজারে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ, আনারস, বাঙ্গি, কলা, বেলের সরবরাহ বেড়েছে। দামও কমে এসেছে অনেকটা।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার, ফলের বৃহৎ আড়ত ওয়াইজ ঘাট ও বাতামতলী ঘুরে দেখা গেছে, কিছু ফলের দাম ১৫ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বেশি যে ফল হালি বা জোড়া বা একটি করে বিক্রি হয়, দাম কমেছে সেগুলোরও।
রোজার শুরুতে যে বেল বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকায়, একই আকারের বেল এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। এছাড়া এখন পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। যা আগে ক্রেতাদের কিনতে হয়েছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে।
শেয়ারনিউজ, ০৭ এপ্রিল ২০২৪
পাঠকের মতামত:
- জয়নুল আবদিন ফারুককে সতর্ক করেছে বিএনপি
- টাঙ্গাইলে বরাদ্দকৃত খেজুরের কার্টন সংখ্যায় বিভ্রাট
- বিশেষ ছাড়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারস্থ বাংলাদেশ
- স্ত্রীকে ‘শিক্ষা দিতে’ অন্যের স্ত্রী নিয়ে পালালেন যুবক
- ঈদে ৭ দিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজার
- বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গতি
- এমপি হান্নান মাসউদ সরাসরি জানালেন খেজুর বরাদ্দের পরিমাণ
- সাড়ে ১৩ হাজার নারী বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজারকে বিদায়
- ডেপুটি স্পিকার ইস্যুতে জামায়াতের কড়া অবস্থান
- দীর্ঘদিন পর ‘জেড’ ক্যাটাগরি ছাড়ল সিলকো ফার্মা
- হঠাৎ হাসনাতকে নিয়ে ডা. মিতুর বিস্ফোরক পোস্ট
- হামলায় আহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, সামনে এলো সত্য
- মার্কেট মুভারে নতুন তিন কোম্পানি
- ১১ মার্চ ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- ১১ মার্চ লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১১ মার্চ দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সূচকের শ্লথ গতিতেও ১০ প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ দাপট
- ১১ মার্চ দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ধীরগতির উত্থানে শেয়ারবাজার, কমেছে লেনদেন
- ২৪০ কোটি টাকা বকেয়ার সংবাদে রিং শাইন টেক্সটাইলের ব্যাখ্যা
- বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে শেয়ার হস্তান্তরের উদ্যোগ
- জিসিসি-এ বসবাসকারী বিদেশিদের শীর্ষ ১০ দেশ
- বিপাকে শতাধিক প্রবাসী, বৈধ ভিসাও রক্ষা করছে না
- তীব্র সমালোচনার মুখে দেশ ছাড়লেন ইসরায়েলি মন্ত্রী
- প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ঈদের ছুটির বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা
- চশমার লেন্স পাল্টে না দেওয়ায় বরিশালে যে কাণ্ড ঘটালেন প্রেমিক
- নেতানিয়াহু মৃত্যুর গুজব উড়িয়ে দিলেন বার্তা
- পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা প্রকাশ
- নারী কর্মী কমছে ব্যাংকে! উচ্চপদেও নারী মাত্র ১০%
- রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল আনসারীর নতুন দায়িত্ব
- বোতলজাত তেলের বাজারে নতুন উল্লম্ফ
- যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে যা জানাল ইরান
- মধ্যরাতে সব খুলে বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ
- দফায় দফায় বাড়ছে সোনার দাম—নতুন ঘোষণা বাজুসের
- হরমুজ ইস্যুতে ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য ফাঁস, জারি হলো নতুন নির্দেশনা
- বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কিনে নিচ্ছেন অলিম্পিকের চেয়ারম্যান
- জামিন পেলেন আ.লীগের সাবেক এমপি
- আই হ্যাভ এ প্ল্যান: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- হাদির সঙ্গে যে ইউটিউবারকেও হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়!
- ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
- তিন দেশে আবারও ইরানের হামলা
- দুই ছেলের পিটুনিতে বাবার মৃত্যু নেপথ্য যে কারণ
- নেতানিয়াহুর মৃত্যুর খবর ছড়াতেই তড়িঘড়ি ছবি প্রকাশ
- শিক্ষকদের ঈদ বোনাস নিয়ে নতুন আপডেট
- কাগজে সম্পদ, বাস্তবে নেই—সোনালি আঁশে আর্থিক অনিয়মের চিত্র
- তিন শর্তে দিনে ৫ লিটার তেল পাবে রাইড শেয়ারের চালকেরা
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির পক্ষ থেকে আসছে সুখবর
- ২৪ ঘণ্টায় ১৯১ ইসরায়েলিকে হাসপাতালে পাঠাল ইরান
- বাংলাদেশিদের জন্য নতুন ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
- জ্বালানি নিয়ে বাংলাদেশকে সুখবর দিল মার্কিন গণমাধ্যম ব্লুমবার্গ
- বাংলাদেশে আসছে ৩০ চীনা প্রতিষ্ঠানের ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির পক্ষ থেকে আসছে সুখবর
- হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে যে শর্ত দিল ইরান
- দুই ইস্যুর চাপে ৩৩ দিনের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে সূচক
- ভারতকে শক্তিশালী হতে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র
- পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনা প্রকাশ
- শেয়ারবাজারের চার ব্যাংকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষক নিয়োগ
- বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কিনে নিচ্ছেন অলিম্পিকের চেয়ারম্যান
- ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশে বিদেশি বিনিয়োগ: শেয়ার কিনবে যুক্তরাষ্ট্রের বিএকশো হোল্ডিংস
- গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে ব্যাংক কর্মকর্তাদের বোনাসে শিথিলতা চায় বিএবি
- ৪ রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফ্লাইট বন্ধ—যাত্রীদের দুশ্চিন্তা
- শেয়ারবাজার ও বেসরকারি ঋণে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা
- চলতি সপ্তাহে আসছে ২ কোম্পানির ডিভিডেন্ড
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর
- জয়নুল আবদিন ফারুককে সতর্ক করেছে বিএনপি
- টাঙ্গাইলে বরাদ্দকৃত খেজুরের কার্টন সংখ্যায় বিভ্রাট
- স্ত্রীকে ‘শিক্ষা দিতে’ অন্যের স্ত্রী নিয়ে পালালেন যুবক
- এমপি হান্নান মাসউদ সরাসরি জানালেন খেজুর বরাদ্দের পরিমাণ
- ডেপুটি স্পিকার ইস্যুতে জামায়াতের কড়া অবস্থান














