×
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ায় ড্রোন কারখানা কি বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি ?

২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৫ ০৯:২৩:০৬
বগুড়ায় ড্রোন কারখানা কি বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি ?

নিজস্ব প্রতিবেদক: মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও সীমান্ত পরিস্থিতি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিশেষ করে আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার সীমান্ত নিরাপত্তা ও আকাশসীমা পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত এখন দেশটির সীমান্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। আরাকান আর্মির সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মকাণ্ডকে বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় জেলে আটক বা হয়রানি এবং সেন্টমার্টিন নিয়ে বিভিন্ন হুমকির বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, আধুনিক সংঘাতে নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে ড্রোন প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সীমান্তে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, আকাশসীমায় নজরদারি এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে পারে বলে মত দেওয়া হয়েছে।

এ কারণে মাল্টিরোল ফাইটার জেটের পাশাপাশি নিজস্ব ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়ন ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দেশে ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তুললে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতা কমানো সম্ভব হতে পারে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

বগুড়ায় তুরস্কের প্রযুক্তিগত সহায়তায় ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের একটি প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়েছে। তবে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি নীতি, প্রযুক্তি, অর্থায়ন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

সব মিলিয়ে, মিয়ানমার সীমান্তের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা পরিকল্পনায় প্রযুক্তির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সীমান্তে নজরদারি জোরদার, আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তোলাকে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সালমান ফারসি/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে