ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

আইপিও তহবিলের ৩২৪ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে বেস্ট হোল্ডিংস

২০২৬ মে ২৬ ১৯:০০:২৬
আইপিও তহবিলের ৩২৪ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে বেস্ট হোল্ডিংস

নিজস্ব প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বেস্ট হোল্ডিংস পিএলসি তাদের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) থেকে উত্তোলিত তহবিলের ৩২৪ কোটি ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ টাকা ব্যবহার করেছে। কোম্পানিটির আইপিও তহবিল ব্যবহারের ওপর নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান ফেমস অ্যান্ড আর চার্টার্ড অ্যাকাউন্টস প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেস্ট হোল্ডিংস ২০২৪ সালের ১৪ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে আইপিওর মাধ্যমে মোট ৩৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত নবম প্রান্তিক পর্যন্ত কোম্পানিটি এ তহবিলের বড় অংশ বিভিন্ন খাতে ব্যয় করেছে। বর্তমানে অব্যবহৃত তহবিলের পরিমাণ রয়েছে ৩০ কোটি ৬৮ লাখ ২৩ হাজার ৭৩৯ টাকা।

কোম্পানিটি আইপিওর অর্থের সবচেয়ে বড় অংশ ব্যয় করেছে “লাক্সারি কালেকশন” প্রকল্পের ভবন নির্মাণ ও অন্যান্য সিভিল ওয়ার্কসে। এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১৭৬ কোটি ৯২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৩৯ টাকা। নবম প্রান্তিক শেষে এ খাতে মোট ব্যবহার হয়েছে ১৭২ কোটি ৫০ লাখ ২৯ হাজার ৫২৮ টাকা। এর মধ্যে শুধু নবম প্রান্তিকেই ব্যয় করা হয়েছে ৩ কোটি ১২ লাখ ৮১ হাজার ৪০০ টাকা।

এছাড়া “লোকাল মেশিনারি অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট ফর দ্য লাক্সারি কালেকশন” খাতে বরাদ্দ ছিল ৪৫ কোটি টাকা। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ খাতে ব্যবহার করা হয়েছে ২১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। নবম প্রান্তিকেই পুরো অর্থ ব্যয় করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

অন্যদিকে, বিদ্যমান দায় পরিশোধে বরাদ্দকৃত ১১৫ কোটি ৬০ লাখ ৭৬ হাজার ৪৬১ টাকার মধ্যে ১১৩ কোটি ৬৬ লাখ ৭৬ হাজার ৪০১ টাকা ব্যবহার করা হয়েছে। এ অর্থ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধে ব্যয় করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড, স্ট্র্যাটেজিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, আইডিএলসি, আইপিডিসি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক এবং অগ্রণী ব্যাংকের দায় পরিশোধ করা হয়েছে।

আইপিও ব্যয় বাবদ প্রসপেক্টাসে ১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হলেও কোম্পানিটি ইতোমধ্যে ব্যয় করেছে ১৪ কোটি ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬ টাকা। অর্থাৎ নির্ধারিত সীমার তুলনায় অতিরিক্ত ৭৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬ টাকা ব্যয় হয়েছে। নিরীক্ষকরা জানিয়েছেন, কিছু খাতে অতিরিক্ত এবং কিছু খাতে কম ব্যয়ের কারণে এ পার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আইপিও তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোম্পানি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শর্ত অনুসরণ করেছে এবং ব্যয়ের বিপরীতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ করেছে।

নিরীক্ষকরা মত দিয়েছেন যে, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত আইপিওর অর্থ ব্যবহারের তথ্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং ব্যয় কোম্পানির প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত উদ্দেশ্যের সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এসএ খান/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর



রে