ঢাকা, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

২০২৬ মে ২৫ ১০:৪৪:৩৫
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে দিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফোনে সরাসরি যুক্ত হয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজেকে মোদির ‘বড় ভক্ত’ উল্লেখ করে বলেন, “ভারত যা চাইবে, তা-ই পাবে।”

রোববার (২৪ মে) রাতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের দূত সার্জিও গোর। অনুষ্ঠানে বড় পর্দার মাধ্যমে ফোনে বক্তব্য দেন ট্রাম্প।

বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ভালোবাসি। তিনি অসাধারণ একজন মানুষ এবং আমার বন্ধু।”

তিনি আরও বলেন, “ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ। ভারত শতভাগ আমাদের ওপর ভরসা করতে পারে। তাদের কোনো সহায়তা প্রয়োজন হলে তারা জানে কোথায় ফোন করতে হবে।”

ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও শেয়ারবাজার বর্তমানে রেকর্ড উচ্চতায় রয়েছে। এ সময় তিনি বলেন, “ভারত যা চাইবে, তাই পাবে। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির বড়, খুবই বড় ভক্ত।”

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওরও প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “মার্কো যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম সেরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব শেষ করবেন।”

এর আগে শনিবার সার্জিও গোর ট্রাম্পের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ভবিষ্যতে হোয়াইট হাউস সফরের আমন্ত্রণ জানান।

এদিকে, মার্কো রুবিওর ভারত সফর এমন সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নীতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন নীতির আওতায় বৈধভাবে বসবাসরত অনেক অভিবাসীকে দেশ ছাড়তে এবং বিদেশ থেকে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে।

রুবিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত দীর্ঘদিনের আলোচিত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তার ভাষায়, এ চুক্তি হবে “উপকারী, টেকসই এবং উভয় দেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক শুল্ক ও বাণিজ্য নীতি নিয়ে টানাপোড়েনের পর দুই দেশ আবারও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে কাজ করছে। এ প্রেক্ষাপটে রুবিওর সফরকে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুজ্জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওমর আলী/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ খবর

আন্তর্জাতিক - এর সব খবর



রে