ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক: ইউরোপের বাজারে তৈরি পোশাকের চাহিদা কমার মধ্যে বাংলাদেশের রফতানি আয়ও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে মোট পোশাক আমদানি কমেছে ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানির মূল্য কমেছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। অর্থাৎ, ইউরোপের বাজার সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি সেখানে বাংলাদেশের রফতানিও চাপের মুখে পড়েছে।
এ পরিস্থিতির মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানির দাম ও আবাসন সংকট নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এসব কারণে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দীর্ঘস্থায়ী হলে ভোক্তাদের ব্যয় কমতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে পোশাকের চাহিদা ও নতুন ক্রয়াদেশে। তবে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমার পেছনে শুধু ইউরোপের বিক্ষোভকে দায়ী করছেন না খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের মতে, ক্রেতাদের মূল্য কমানোর চাপ, প্রতিযোগী দেশগুলোর অগ্রগতি এবং দেশে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধিও বড় চ্যালেঞ্জ।
ইউরোপের বাজারে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফ্রান্সের এক ক্রেতা বাংলাদেশের একটি পোশাক কারখানার ক্রয়াদেশ স্থগিত রাখতে বলেছেন। নারায়ণগঞ্জভিত্তিক নিট পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ফতুল্লা ফ্যাশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, ক্রয়াদেশটি নিয়ে আগে সমঝোতা হয়েছিল। পরে ফ্রান্সের ওই ক্রেতা সেটি স্থগিত রাখতে বলেন। ফজলে শামীম এহসানের আশঙ্কা, দেশটিতে অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও দুর্বল হতে পারে। এতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেলে তৈরি পোশাকের চাহিদাও হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে স্থগিত করা ক্রয়াদেশের পরিমাণ, মূল্য এবং সিদ্ধান্তের পেছনে ইউরোপের অস্থিরতার প্রভাব কতটা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একটি ক্রয়াদেশ স্থগিতের ঘটনা দিয়ে পুরো ইউরোপের বাজারে একই প্রবণতা তৈরি হয়েছে বলেও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। তারপরও এ ধরনের ঘটনা রফতানিকারকদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
ডিবিএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার মনে করেন, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশ এমনিতেই তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সেখানে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়ে তা দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশের রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে পোশাক রফতানিকারক উর্মি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ আশরাফও একই ধরনের উদ্বেগ জানিয়েছেন। তবে স্প্যারো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলামের মতে, পোশাকের ক্রয়াদেশ কমার পেছনে বিক্ষোভের চেয়ে ইউরোপের সামগ্রিক অর্থনৈতিক মন্থরতার প্রভাব বেশি। তাঁর ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও ক্রয়াদেশ কমছে, তবে ইউরোপের পরিস্থিতি তুলনামূলক বেশি খারাপ।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে ইইউর মোট পোশাক আমদানির মূল্য কমে ৬০ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে এ আমদানির মূল্য ছিল ৬২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ইউরো।
একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইইউতে পোশাক আমদানির মূল্য ১৩ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ইউরো থেকে কমে ১১ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে। অর্থাৎ, আট মাসে বাংলাদেশের পোশাক রফতানির মূল্য কমেছে প্রায় ১ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ইউরো।
রফতানির মূল্য কমার পাশাপাশি পোশাক সরবরাহের পরিমাণ ও গড় একক মূল্যও কমেছে। ওই সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইইউতে পোশাক সরবরাহের পরিমাণ কমেছে ৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অন্যদিকে, প্রতি কেজি পোশাকের গড় একক মূল্য ১৪ দশমিক ৮৭ ইউরো থেকে কমে ১৩ দশমিক ৭৬ ইউরো হয়েছে। এ হিসাবে গড় একক মূল্য কমেছে ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
অর্থাৎ, রফতানি আয় কমার পেছনে শুধু পোশাকের চালান কমে যাওয়াই নয়, প্রতি কেজি পোশাকের গড় মূল্য কমে যাওয়ারও প্রভাব রয়েছে। তবে গড় মূল্য কমার কারণ হিসেবে ক্রেতাদের দরকষাকষির পাশাপাশি রফতানি হওয়া পোশাকের ধরন ও মানের পরিবর্তনের মতো বিষয়ও বিবেচনায় নিতে হবে।
ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগী কয়েকটি দেশের রফতানি বেড়েছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে চীন থেকে ইইউতে পোশাক আমদানির মূল্য বেড়েছে ২ দশমিক ৩৮ শতাংশ। একই সময়ে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
বাজারের সামগ্রিক আমদানি কমলেও এসব দেশের রফতানি বৃদ্ধির বিপরীতে বাংলাদেশের রফতানি কমে যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এতে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান, পণ্যের মূল্য এবং উৎপাদন ব্যয় নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তবে সাম্প্রতিক অর্থবছরের পরিসংখ্যানে কিছুটা ইতিবাচক চিত্রও রয়েছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ইইউতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে ৪ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ফলে জানুয়ারি-আগস্টের ক্যালেন্ডার বছরের তথ্য এবং অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের তথ্যের মধ্যে সময়ের পার্থক্য বিবেচনায় রাখা জরুরি।
ইউরোপের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পোশাকের চাহিদার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ইউরোপীয় কমিশনের ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত অর্থনৈতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রবৃদ্ধি ২০২৫ সালের ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালে ১ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে। একই সময়ে মূল্যস্ফীতি ৩ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
প্রবৃদ্ধির মন্থরতা ও মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হলে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা এবং ব্যয়ের সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়তে পারে। জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানির দাম ও আবাসন সংকট নিয়ে বিভিন্ন দেশে অসন্তোষের মধ্যে এ পরিস্থিতি পোশাকের বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়াতে পারে।
তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমলেই পোশাকের আমদানি একই হারে কমবে, এমন নয়। ভোক্তাদের আয়, খুচরা বিক্রেতাদের মজুত, পোশাকের দাম এবং আমদানিকারকদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনাও বাজারের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে। তাই ইউরোপের অস্থিরতার তাৎক্ষণিক প্রভাবের পাশাপাশি ক্রেতাদের দীর্ঘমেয়াদি ক্রয়পরিকল্পনা ও বাজারের চাহিদার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা রফতানিকারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ইউরোপের বাজারে চাহিদা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির আরেকটি কারণ হিসেবে সুতা আমদানিতে সরকারি বিধিনিষেধের কথা বলছেন রফতানিকারকেরা।
দেশীয় বস্ত্রশিল্পকে সুরক্ষা দিতে নিট পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা প্রত্যাহার করেছে সরকার। নতুন ব্যবস্থায় আমদানিকারকদের আমদানি করা সুতার মূল্যের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে হবে। ওই সুতা দিয়ে তৈরি পোশাক রফতানি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পর গ্যারান্টি অবমুক্ত করা যাবে।
রফতানিকারকদের দাবি, নতুন ব্যবস্থায় আমদানির প্রক্রিয়া জটিল হচ্ছে এবং উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। এতে তুলনামূলক বেশি দামের দেশীয় সুতা ব্যবহারের চাপ তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতারা যখন পোশাকের দাম বাড়াতে রাজি নন, তখন বাড়তি ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
ফকির ফ্যাশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ জানান, আমদানি করা প্রতি কেজি ৩০ কাউন্টের কম্বড সুতার দাম ৩ দশমিক ১৫ ডলার। একই ধরনের সুতা দেশের বাজারে কিনতে খরচ হয় ৩ দশমিক ৭৫ ডলার।
তাঁর হিসাবে, দেশীয় সুতা ব্যবহার করলে প্রতি পোশাকের উৎপাদন ব্যয় গড়ে ১৫ সেন্ট বাড়তে পারে। অথচ ইউরোপের অধিকাংশ ক্রেতা এক সেন্টও বাড়তি দাম দিতে রাজি নন বলে তিনি দাবি করেন।
নাহিদের মতে, জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্যিক সুবিধার পার্থক্য বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতার সক্ষমতাকে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে।
দেশীয় বস্ত্রশিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সুতা আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও রফতানিমুখী কারখানার জন্য কাঁচামালের দাম ও সরবরাহ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে দেশীয় উৎপাদকদের সক্ষমতা, মান ও দাম এবং রফতানিকারকদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে নীতি নির্ধারণের প্রয়োজন রয়েছে।
ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি কমার বিপরীতে চীন ও ভিয়েতনামের রফতানি বৃদ্ধির তথ্য প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জকে আরও স্পষ্ট করেছে। এ ছাড়া ভারত, কম্বোডিয়া ও পাকিস্তানের সঙ্গেও বাংলাদেশের রফতানিকারকদের প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে।
ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ বলেন, আগামী এক মাস তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ের মধ্যে সুতা আমদানিতে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া না হলে বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা থাকা কিছু ক্রয়াদেশ ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশে চলে যেতে পারে।
পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির বিষয়টিও উৎপাদন ব্যয়ের আলোচনায় রয়েছে। মজুরি বাড়লে শ্রমিকদের আয় বাড়ে, তবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বাড়তি ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মূল্য নিশ্চিত করা না গেলে কারখানাগুলোর ওপর আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন উদ্যোক্তারা।
সব মিলিয়ে ইউরোপের বাজারে চাহিদার অনিশ্চয়তা, বাংলাদেশের রফতানির গড় মূল্য কমে যাওয়া, প্রতিযোগী দেশগুলোর অগ্রগতি এবং দেশে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির চাপ তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। ইউরোপের অস্থিরতা এ পরিস্থিতিতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, যদিও রফতানি কমার প্রধান কারণ হিসেবে এর ভূমিকা এখনো নিশ্চিত নয়।
এ পরিস্থিতিতে ইউরোপের ক্রেতাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ধরে রাখা, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, পণ্যের মান ও বৈচিত্র্য বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক দামে পোশাক সরবরাহের সক্ষমতা জোরদার করা বাংলাদেশের রফতানিকারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মুয়াজ/
পাঠকের মতামত:
- ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা
- আসিফ মাহমুদকে বিয়ের দাবিতে তরুণীর অবস্থান
- ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন: জামায়াতের ডাবল লাভ
- বিএনপির তিন শীর্ষ নেতা অসুস্থ, চিকিৎসা নিয়ে জানা গেল নতুন তথ্য
- রিসোর্টে আগুনের সাত দিন পর সামনে আসছে যেসব তথ্য
- সকাল থেকেই সোনার নতুন দাম, দেখে নিন মূল্যতালিকা
- ‘ব্যর্থ পণ্য’ বললেন মোদি, দিলেন ‘পরজীবী’ তকমা
- শমরিতা হাসপাতালের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- প্রবাসী আয়ের নতুন পথ খুঁজছে বাংলাদেশ ব্যাংক, মালদ্বীপকে তিন প্রস্তাব
- ওয়াশিংটনের ‘ব্ল্যাকমেইল’ চালে কোণঠাসা মোদি সরকার
- ‘সমাজের নিকৃষ্ট লোকটাই এমপি-মন্ত্রী হয়’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন স্পিকার
- দক্ষিণ কোরিয়াকে বিব্রত করতে নতুন কৌশল উত্তর কোরিয়ার
- দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, জেদ্দা কনস্যুলেটের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
- বাংলাদেশ নিয়ে সাংবাদিক ময়ূখের ১৮০ ডিগ্রি ভোল্টবদল
- নতুন কমিটি ঘিরে অসন্তোষ, এনসিপির সভায় হট্টগোল
- ভারতের কাছে উড়ে গেল বাংলাদেশের নারী হ্যান্ডবল দল
- বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপ, পাঁচ দিন যেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া
- সাইবার হামলার আশঙ্কায় বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
- প্রতিদিন কয়টি ডিম খাওয়া নিরাপদ, জানালেন বিশেষজ্ঞ
- মোংলা বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ
- সরকারি ব্যাংকে বেসরকারি ব্যাংকার, অভ্যন্তরীণ সংকটের শঙ্কা
- হীরা চোরাচালান থেকে হত্যা মামলা: ডিবির জালে দিলীপ আগরওয়ালা
- নাম, বয়স, জন্মতারিখ ও ঠিকানা সংশোধন করবেন যেভাবে
- নভেম্বরের শুরুতেই টানা ৩ দিনের ছুটির সুযোগ
- গাড়ির নাম্বার প্লেটে ক, খ, গ, ঘ কেন লেখা থাকে? জানলে অবাক হবেন
- ওয়ারিশদের বাদ দিয়ে জমির নামজারি? জেনে নিন কী বলছে নিয়ম
- দেশ ছেড়ে পালাতে প্রাইভেট জেট ভাড়ায় নজিরবিহীন কাড়াকাড়ি
- হঠাৎ সামরিক সতর্কতা জারি!
- নতুন পে-স্কেলে বেতন কবে থেকে, জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
- গ্রাহকদের টাকা দিতে ন্যাশনাল ব্যাংকের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১১ শর্ত
- দেবীরূপে রুমিন ফারহানা, সমালোচনার জবাবে ফেসবুকে যা লিখলেন
- হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে বিপর্যস্ত উত্তরা ফাইন্যান্স
- নগদ প্রবাহে বড় উল্লম্ফন, কিন্তু মুনাফায় ধস—শাশা ডেনিমসের সামনে কী অপেক্ষা করছে?
- মুনাফায় ফিরেছে ডেসকো, তারপরও যে কারণে বড় অনিশ্চয়তা
- বিক্রয়মূল্য কমা ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, চাপে মালেক স্পিনিংয়ের মুনাফা
- কারখানা বন্ধ থেকে পুনরায় চালু, ঋণ পুনর্গঠন ও নগদ প্রবাহের চাপে তমিজ উদ্দিন টেক্সটাইল
- মহানবী (সা.)-এর হাদিস পড়ে শোনালেন রাজা চার্লস
- টানা তিন দিন বন্ধ থাকতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দেখে নিন তারিখ
- সচিবালয়ে কে কখন আসছেন, নিজেই দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
- নতুন কোম্পানির শেয়ারে প্রথম দিনেই বড় মুনাফার সুযোগ
- ডিভি লটারিতে বাংলাদেশ কেন অযোগ্য? জানুন বিস্তারিত
- তারেক রহমানের সফর নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য, এরপর যা ঘটল
- সোনার দামে স্বস্তি, ২২ ক্যারেটের নতুন দর প্রকাশ
- প্রথমে শাস্তি মনে হয়েছিল, পরে বুঝলাম: ইশরাক
- যে কারণে হঠাৎ রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ওএসডি
- পুনর্বহাল ৭ নভেম্বরের ছুটি: ভোগ করতে পারবেন যারা
- সৌদি আরবের রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জরুরি সতর্কতা জারি
- প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি, আবেদন করবেন যেভাবে
- আজ রাতেই আকাশে উল্কাবৃষ্টির সম্ভাবনা, বাংলাদেশ থেকে দেখবেন যেভাবে
- আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানুন দিনের হিসাব
- সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সুইটিকে নিয়ে মুখ খুললেন নজরুলের বাবা
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক নজরে
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার আজকের দাম জেনে নিন
- পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বড় উত্থানের পূর্বাভাস গবেষণা প্রতিষ্ঠানের
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার আজকের দাম
- সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শির'চ্ছেদ যা বললেন শায়খ
- শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ
- ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ বিএসইসির
- সোনার দামে স্বস্তি, ২২ ক্যারেটের নতুন দর প্রকাশ
- দীর্ঘদিন লে-অফের পর কেয়া গ্রুপে নতুন সিদ্ধান্ত
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ৩৪ কোম্পানি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ১৯ কোম্পানি
- এজিএমের পরদিনই ডিভিডেন্ড বিতরণ: শেয়ারবাজারে ঐতিহাসিক রেকর্ড
- মতিন স্পিনিংয়ের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ১৫ টাকার শেয়ার ৪২ টাকা, তারপর ১১ টাকা: ডাবল ধাক্কায় সর্বশান্ত বিনিয়োগকারীরা






.jpg&w=50&h=35)





.jpg&w=50&h=35)
