ঢাকা, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
Sharenews24

খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’

২০২৬ মার্চ ০১ ১২:০০:৫৭
খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে আকস্মিক হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এই যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় ইরানের শীর্ষ কয়েকজন নেতা ও কমান্ডারও প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার পেছনে রয়েছে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের চাপ। দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে ট্রাম্পকে ইরানে অভিযান চালাতে প্ররোচিত করা হয়।

রয়টার্স প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি যুবরাজ সালমান প্রকাশ্যে সতর্কতা দিয়ে বলেছিলেন, তেহরানে হামলার জন্য সৌদি ভূখণ্ড ব্যবহার করা যাবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে তিনি ভিন্ন বার্তা দিতেন। যুবরাজ ট্রাম্পকে সতর্ক করতেন, যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ না নিলে ইরান আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

সূত্র জানায়, হামলার আগে খামেনি নিরাপদ একটি স্থানে তার সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি ও আলি শামখানি-এর সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। বৈঠক চলাকালীন অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

সংবাদমাধ্যমটি উল্লেখ করেছে, সৌদি আরব ও ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের হামলার নীতি বাস্তবায়নে এক জোটে কাজ করেছে। দেশ দুটির যৌথ প্রচেষ্টা খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার উদ্দেশ্য ছিল।

যুবরাজের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তিনি ইরানকে রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন। যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় তার ভাই খালিদ বিন সালমানও মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র যদি যথাযথ সামরিক শক্তি ব্যবহার না করে, ইরান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে, ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ খবর

আন্তর্জাতিক - এর সব খবর



রে