ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

বিপিএল আসরের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

২০২৬ জানুয়ারি ২৩ ২৩:১৬:৫২
বিপিএল আসরের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের শিরোপা জয় ছিল কেবল সময়ের অপেক্ষা। ১৮তম ওভারের পঞ্চম বলে ডিপ মিড উইকেটে মেহেরব ক্যাচ লুফে নিতেই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে শুরু হয় গর্জমান উদ্‌যাপন। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে ২০২৬ বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নাম লেখাল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এই জয়ের মাধ্যমে মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল শান্তর দল।

এবারের বিপিএল ফাইনাল ঘিরে মাঠে যতটা রোমাঞ্চের প্রত্যাশা ছিল, বাস্তবে তার খুব একটা দেখা মেলেনি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রবল আলোচনার ভিড়ে বিপিএল কিছুটা আড়ালে থাকলেও আজকের ফাইনালে একাধিপত্য বিস্তার করেছে রাজশাহী। ব্যাটিং থেকে বোলিং—সব বিভাগেই চট্টগ্রাম রয়্যালসকে রীতিমতো শাসন করেছে তারা। শেষ পর্যন্ত ৬৩ রানের বড় জয় দিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দিকভ্রান্ত ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালসের ব্যাটিং লাইনআপ। লঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দোর তোপে তৃতীয় ওভারেই জোড়া উইকেট হারায় তারা; ৯ রানে ফেরেন নাঈম শেখ এবং খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন মাহমুদুল হাসান জয়। মাঝপথে জাহিদুজ্জামান ও মির্জা বেগের ২৫ রানের জুটিটিই ছিল চট্টগ্রামের সর্বোচ্চ প্রতিরোধ। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনে তাদের ইনিংস কখনোই জয়ের পথে ছিল না।

শেষ দিকে মাত্র ২ রানের ব্যবধানে ৪টি উইকেট হারিয়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ১৭.৫ ওভারে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় শেখ মেহেদী হাসানের দল। চট্টগ্রামের পক্ষে মির্জা বেগ সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন। রাজশাহীর হয়ে মাত্র ৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে জয়ের নায়ক বিনুরা ফার্নান্দো। এছাড়া হাসান মুরাদ ৩টি এবং জেমস নিশাম ও আবদুল গাফফার সাকলাইন বাকি উইকেটগুলো ভাগ করে নেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এদিন বিপিএল ফাইনালের মঞ্চে ইতিহাস গড়েন তানজিদ হাসান তামিম। ক্রিস গেইল ও বড় তামিমের পর তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে ফাইনাল ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন তিনি। ৬২ বলে ১০০ রানের অনবদ্য ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬টি চার ও ৭টি ছক্কায়। চট্টগ্রামের শরীফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ২টি করে উইকেট পেলেও রাজশাহীর সংগ্রহ আটকাতে পারেননি।

বিপিএলের এই আসরটি সমাপ্ত হওয়ার সাথে সাথে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনে চাঞ্চল্য ফিরেছে। বিপিএলের এই সাফল্যে ক্রিকেটের বাজারে নতুন করে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, যা আগামী অর্থবছরগুলোতে দেশের ক্রীড়া অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক। বিশেষ করে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ক্যাশ প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে এবং ঘরোয়া লিগগুলোর মান উন্নত হলে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও সুসংহত হবে।

হাবিব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

খেলাধুলা এর সর্বশেষ খবর

খেলাধুলা - এর সব খবর



রে