ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার সরানোর সিদ্ধান্তে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার আক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় কূটনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের অবিলম্বে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে এবং সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কর্মকর্তাদের স্বজনরা চলে গেলেও ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনসহ দেশের অন্যান্য প্রান্তে থাকা ভারতের সকল মিশন ও দপ্তর যথারীতি খোলা থাকবে এবং দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাবে।
ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই ভারত এমন কঠোর অবস্থান নিল। সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকার ঢাকার হাইকমিশন ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরে কর্মরত কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তাঁদের দেশে ফিরে যেতে আনুষ্ঠানিকভাবে পরামর্শ দিয়েছে।
এদিকে বিবিসির এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন থেকে বাংলাদেশকে ‘পরিবার-বহির্ভূত’ বা ‘নন-ফ্যামিলি’ দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। এর ফলে কূটনৈতিক মর্যাদার দিক থেকে বাংলাদেশকে এখন পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও সুদানের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর কাতারে রাখা হয়েছে। এই নতুন শ্রেণিবিন্যাসের কারণেই মূলত কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নয়াদিল্লির এমন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। বিবিসি হিন্দি যখন তাঁর কাছে এ বিষয়ে জানতে চায়, তখন তিনি স্পষ্টভাবে বলেন যে, বাংলাদেশে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। ভারত যদি বাংলাদেশকে পাকিস্তান বা অন্য কোনো অস্থিতিশীল দেশের সমান স্তরে রাখতে চায়, তবে তা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত, যদিও এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অনভিপ্রেত।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মন্তব্য করেন যে, উভয় দেশ যদি আসলেই ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, তবে একে অপরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন জরুরি। তিনি মনে করেন, ভারত বর্তমানে কিছুটা অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে যা সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করতে পারে। গত চার দশকের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে, ভারতের কাছ থেকে আরও পরিপক্ক এবং ইতিবাচক আচরণ আশা করেছিল বাংলাদেশ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে প্রতিবেশী দেশের এমন সিদ্ধান্ত শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের মনে কিছুটা সংশয় তৈরি করতে পারে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগামী অর্থবছরগুলোতে একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন। বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্যাশ প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সচল রাখতে সরকার ও ভারত—উভয় পক্ষকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিরাজ/
পাঠকের মতামত:
- হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে জটিল সমীকরণ
- ট্রেডিং সিস্টেমের বাইরে শেয়ার হস্তান্তরে সম্মতি
- আমার আগে ২২ জন মন্ত্রী বিমান বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন
- মহানবীর হিজরতের উদাহরণে মেয়র মামদানি
- ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তন
- সূচক নিম্নমুখী, তবু মার্কেট মুভারে দাপট চার কোম্পানির
- বাংলাদেশের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের নতুন বার্তা
- সাবেক সচিবের ৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ
- সৌদি প্রবাসীদের সুখবর দিল সরকার
- পতনের বাজারে উল্টো চিত্র, ১৩ শেয়ারে বিক্রেতা সংকট
- ধর্ষণ মামলায় ক্রিকেটার তোফায়েল আহমেদের জামিন
- প্রধান বিচারপতির বাসভবনসহ যেসব এলাকায় নিষেধাজ্ঞা
- পাঁচ কোম্পানির চাপেই ডিএসইএক্সে পতন
- হাসপাতালে ভর্তি জামায়াত প্রার্থী আমির হামজা
- নাহিদ ইসলামকে বিজয়ী করার আহ্বান ওসমান হাদির বোনের
- ০৮ ফেব্রুয়ারি ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- নির্বাচন সামনে রেখে শেয়ারবাজারে লেনদেনের গতি শ্লথ
- ০৮ ফেব্রুয়ারি লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ০৮ ফেব্রুয়ারি দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ০৮ ফেব্রুয়ারি দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- মালয়েশিয়ায় মোদির জোরালো বার্তা
- আটকে গেল বাংলাদেশ ব্যাংক আইন সংশোধন
- বিএনপি পিছিয়ে, জামায়াত এগোচ্ছে
- ডাক্তার নন, তবু ‘ডা.’; প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কড়া নোটিশ
- সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় চলছে লেনদেন
- চলছে ভোটগ্রহণ, হচ্ছে সংবিধান বদলের প্রশ্নে গণভোটও
- বিএনপিতে যোগদান, যা বললেন ভিপি জিতু
- ঢাকার ৬ স্থানে আজ জনসভা করবেন তারেক রহমান
- সোনার বাজারে সুখবর; আজকের নতুন দাম জেনে নিন
- ছুটি মিলছে টানা পাঁচ দিন, কবে থেকে জানুন
- লন্ডন থেকে মক্কা যাওয়ার পথে প্রাণ হারালেন ব্রিটিশ প্রবাসী
- কারাগার থেকে ভোট দিলেন সাবেক মন্ত্রী ও ভিআইপি বন্দিরা
- এমপি হলে মাধবপুরে ফ্রি ওয়াজ ঘোষণা
- ঢাকা-১১ আসন: সোচ্চারের জরিপে নাহিদ এগিয়ে
- এপস্টেইনের সঙ্গে অনিল আম্বানির সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক
- কারাগারে মৃত্যু সাবেক মন্ত্রীর, শোক জানালেন মির্জা ফখরুল
- বুকে ধানের শীষ লাগিয়ে ভোট দেবেন দাঁড়িপাল্লায়
- ঢাকার নির্বাচনে দুটি আসন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ: সেনাবাহিনী
- আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন মুনাফা গ্রামীণফোনের
- CTSL-এর পারফরম্যান্সে ধাক্কা, ইপিএস কমলেও নগদ প্রবাহে স্বস্তি
- ভোটের উত্তাপে দেশের শেয়ারবাজার: সুযোগ নাকি ঝুঁকি?
- সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে বেশিরভাগ খাতের মুনাফা
- সাপ্তাহিক মার্কেট মুভারে নতুন চার কোম্পানি
- চলতি সপ্তাহে আসছে ৩ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- সপ্তাহজুড়ে ৪ কোম্পানির ইপিএস প্রকাশ
- সপ্তাহজুড়ে দুই কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- বিশ্বকাপ না খেলায় যা বললেন জামায়াত আমীর
- জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যের সরকার করব না: তারেক রহমান
- কারাবন্দি সাবেক মন্ত্রীর মৃত্যু
- ভোটের আগে দোকান মালিকদের বড় সিদ্ধান্ত
- দুই কোম্পানির মার্জিন ঋণ সুবিধা বন্ধ
- গ্রামীণফোনের চুড়ান্ত ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
- টানা ৪ দিন বন্ধ থাকবে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান
- প্রিমিয়ার ব্যাংকের এমডির চুক্তি বাতিল
- সেনাবাহিনীর পর এবার ব্যাংক কর্মকর্তা; বিতর্কিত ভিডিও ফাঁস
- রেকর্ড উত্থানে ১৫ শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ মুনাফা
- ভোটের উত্তাপে দেশের শেয়ারবাজার: সুযোগ নাকি ঝুঁকি?
- বিএসইসির সতর্কবার্তার মুখে আরও এক ব্রোকারেজ হাউজ
- ডিভিডেন্ড পেয়েছে তিন কোম্পানির বিনিয়োগকারীরা
- গ্রামীণফোনের ২ হাজার ২০০ কোটিতে মিলল নতুন স্পেকট্রাম
- দুই ঘণ্টার ব্যবধানে দুই অঞ্চলে জোরাল ভূমিকম্প
- ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত
- ব্যবসা সম্প্রসারণে সুফল, দ্বিতীয় প্রান্তিকে শক্তিশালী পারফরম্যান্স
- প্রিমিয়ার সিমেন্টের একীভূতকরণে হাইকোর্টের চূড়ান্ত অনুমোদন
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর
- হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে জটিল সমীকরণ
- আমার আগে ২২ জন মন্ত্রী বিমান বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন
- সাবেক সচিবের ৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ
- প্রধান বিচারপতির বাসভবনসহ যেসব এলাকায় নিষেধাজ্ঞা
- হাসপাতালে ভর্তি জামায়াত প্রার্থী আমির হামজা














