নূহ (আঃ) এর নৌকাঃ কুরআন বনাম বাইবেল
নিজস্ব প্রতিবেদক: নূহ (আঃ)-এর গল্পটি মানব ইতিহাসের অন্যতম পরিচিত ঘটনা, যা অসংখ্য চলচ্চিত্রে দেখানো হয়েছে। তবে এই গল্পের খ্রিস্টান ও ইসলামিক বর্ণনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। কুরআন ও বাইবেলের দৃষ্টিকোণ থেকে এই গল্পটি তুলে ধরা হয়েছে, তাদের সাদৃশ্য ও পার্থক্যসহ।
নূহ (আঃ)-এর সংগ্রামের শুরু (কুরআনের দৃষ্টিভঙ্গি):
নূহ (আঃ) মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সম্মানিত, সুপরিচিত ও নৈতিকভাবে আদর্শবান ব্যক্তি, যিনি বহু বছর ধরে তাঁর জাতির মাঝে বসবাস করছিলেন। কিন্তু তাঁর জাতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন; তারা দুর্বলদের শোষণ করত, নৈতিক অবক্ষয়ের চূড়ান্ত স্তরে পৌঁছেছিল এবং তাদের হৃদয় মন্দ ও অহংকারে পূর্ণ ছিল। তারা তাদের পূর্ববর্তী জ্ঞানী ব্যক্তিদের মূর্তি তৈরি করে তাদের পূজা করত, যার ফলে তারা তাদের প্রকৃত সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে গিয়েছিল।
আল্লাহ তায়ালা নূহ (আঃ)-কে এই জাতির কাছে নবী হিসেবে প্রেরণ করেন। তিনি দিনরাত তাদের সতর্ক করার চেষ্টা করেন, তাদের ভুল কাজ থেকে বিরত থাকতে এবং আল্লাহর ইবাদত করতে বলেন। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে সূরা আল-আ'রাফের ৫৯তম আয়াতে বলেন: "অবশ্যই আমরা নূহকে পাঠিয়েছিলাম তার সম্প্রদায়ের কাছে। অতঃপর তিনি বলেছিলেন, হে আমার সম্প্রদায়! আল্লাহর ইবাদত করো, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোনো সত্য ইলাহ নেই। নিশ্চয়ই আমি তোমাদের উপর মহাদিনের শাস্তির আশঙ্কা করছি।"
নূহ (আঃ) তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, তিনি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে এটি করছেন না, বরং তাঁর পুরস্কার কেবল বিশ্বজগতের প্রতিপালকের কাছ থেকে। তা সত্ত্বেও তাঁর জাতি অহংকার দেখিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে তাঁকে এড়িয়ে চলত। তারা নূহকে পথভ্রষ্ট বলত এবং তাঁকে অপমানজনক কথা বলে ভয় দেখানোর চেষ্টা করত। তারা তাদের মিথ্যা বিশ্বাস আঁকড়ে ধরে রেখেছিল এবং বলত, "তোমরা কখনো পরিত্যাগ করো না তোমাদের উপাসকদেরকে, পরিত্যাগ করো না ওয়াদ, সুওয়া, ইয়াগূস, ইয়াঊক ও নাসরকে।" তারা নূহ (আঃ)-এর আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে তাঁকে উপহাস করত এবং তাঁর অনুসারীদের নিচু শ্রেণীর মানুষ বলে হেয় করত।
নূহ (আঃ) তাঁর জাতির সব দোষ-ত্রুটি সত্ত্বেও তাদের প্রতি দয়াদ্র ছিলেন এবং তাদের আসন্ন শাস্তি থেকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু খুব অল্প সংখ্যক মানুষই তাঁর প্রতি ঈমান এনেছিল। অন্যরা পথভ্রষ্টই রয়ে গেল এবং দিন দিন তাদের নির্যাতন বাড়াতে লাগল। পরিস্থিতি যখন সহ্য করার মতো আর ছিল না, বছরের পর বছর ধরে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, তাঁর জাতি মূর্তিপূজার পথ থেকে সরে আসবে না। শেষ চেষ্টা হিসেবে তিনি তাঁর প্রতিপালককে স্মরণ করে দোয়া করলেন: "তিনি বললেন, ‘হে আমার প্রতিপালক, আমার কওম আমাকে অস্বীকার করেছে। সুতরাং আপনি আমার ও তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দিন। আর আমাকে ও আমার সাথে যেসব মুমিন আছে তাদেরকে রক্ষা করুন।"
নূহ (আঃ)-এর সংগ্রামের শুরু (বাইবেলের দৃষ্টিভঙ্গি):
বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, নূহ ছিলেন একজন ধার্মিক ও নির্দোষ ব্যক্তি, যিনি ঈশ্বরের সঙ্গে চলতেন। তাঁর তিন ছেলে ছিল: শেম, হাম ও ইয়াফেথ। তখন পৃথিবী ঈশ্বরের দৃষ্টিতে দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল এবং হিংসায় পরিপূর্ণ ছিল। ঈশ্বর দেখলেন যে মানবজাতির অপকর্ম কত বেশি হয়ে গেছে এবং মানুষের অন্তরের চিন্তা-ভাবনার প্রবণতা সবসময়ই ছিল মন্দের দিকে। প্রভু অনুতপ্ত হলেন যে, তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছিলেন পৃথিবীতে এবং তাঁর হৃদয় গভীরভাবে দুঃখিত হয়েছিল।
বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী ঈশ্বরের অনুতাপের ঘটনাগুলো শুরু হয়েছিল যখন ঈশ্বরের পুত্ররা মানব নারীদের বিয়ে করতে চেয়েছিল। যখন মানুষের সংখ্যা পৃথিবীতে বাড়তে লাগল এবং তাদের কন্যা সন্তানের জন্ম হতে লাগল, তখন ঈশ্বরের পুত্ররা দেখল যে মানুষের কন্যারা সুন্দর এবং তারা যাকে খুশি বিয়ে করল। এই বিবাহগুলোর মাধ্যমে পৃথিবীতে মন্দ বৃদ্ধি পেল এবং মানুষ অত্যাচারীতে পরিণত হলো। তখন প্রভু বললেন: "আমি পৃথিবীর মুখ থেকে মুছে ফেলব মানবজাতিকে, যাদের আমি সৃষ্টি করেছি এবং তাদের সঙ্গে প্রাণী, পাখি এবং মাটিতে চলাফেরা করা সব প্রাণীগুলোকেও। কারণ আমি অনুতপ্ত যে আমি তাদের সৃষ্টি করেছি।"
নূহ (আঃ)-কে আল্লাহর নির্দেশ (কুরআনের দৃষ্টিভঙ্গি):
অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আল্লাহর আদেশ এসে গেল। আল্লাহ নূহ (আঃ)-কে সম্বোধন করে বললেন: "যারা ঈমান এনেছে, তারা ছাড়া তোমার কওমের আর কেউ ঈমান আনবে না। সুতরাং তারা যা করে সে জন্য তুমি দুঃখিত হয়ো না। আর তুমি আমার তত্ত্বাবধানে ও আমার নির্দেশক্রমে নৌকা নির্মাণ করো আর আমার কাছে জালিমদের সম্পর্কে কোনো কথা বলো না, তাদের সকলকে নিমজ্জিত করা হবে।" নূহ (আঃ) আল্লাহর আদেশ অনুযায়ী নৌকা তৈরি করতে শুরু করলেন। যখন মূর্তিপূজকরা তাঁকে নৌকা তৈরি করতে দেখল, তারা তাঁকে উপহাস করা শুরু করল। তারা বলছিল: "তুমি তো নবী ছিলে, এখন কাঠমিস্ত্রী হয়ে গেছো? তুমি তো শুকনো জমির মাঝে নৌকা বানাচ্ছো। তুমি কীভাবে এটা ভাসাবে?" নূহ (আঃ) এসব কথায় কোনো গুরুত্ব দিলেন না এবং আল্লাহ যা আদেশ দিয়েছেন তাতে মনোযোগ দিলেন। তিনি ভালো করেই জানতেন তাঁর প্রভু অসীম শক্তির অধিকারী, সবকিছু করতে সক্ষম এবং তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি কখনো ভঙ্গ করেন না। তাই তিনি নির্মাণ চালিয়ে যেতে লাগলেন।
অবশেষে যখন আল্লাহর ফরমান এসে পৌঁছাল এবং জমিন হতে পানি উথলে উঠতে লাগল, তখন আল্লাহ বললেন: "প্রত্যেক শ্রেণীর যুগলের দুটি তাতে তুলে নাও আর তোমার পরিবার-পরিজনকে, তাদের ছাড়া যাদের ব্যাপারে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকেও (তুলে নাও)। আর তার সাথে অল্পসংখ্যকই ঈমান এনেছিল।" নূহ (আঃ)-এর জাতি যারা তাঁকে বিশ্বাস করতে অস্বীকার করেছিল এবং তাঁর পুরো নবুওয়াতের সময় তাঁকে কষ্ট দিয়েছিল, তারা হতভম্ব হয়ে বুঝতে পারল তাদের কৃতকর্মের ভয়ানক মূল্য দেওয়ার সময় এসে গেছে। তারা পালানোর জায়গা খুঁজতে লাগল, কিন্তু তা ব্যর্থ ছিল। যেন আকাশ ছিদ্র হয়ে গেছে, পানি প্রচণ্ডভাবে নেমে আসছিল এবং জমিনের প্রস্রবণগুলো ফেটে গিয়েছিল। আল্লাহ এই বিশাল বন্যা পাঠাচ্ছিলেন এক জাতির উপর, যারা বহু বছর ধরে তাঁর নবীকে অত্যাচার করেছে।
নূহ (আঃ)-এর পুত্রদের মধ্যে একজন তাঁর সাথে নৌকায় ওঠেনি, কারণ সে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস আনেনি। কুরআনে তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে নূহ (আঃ) ও তার পুত্রের মধ্যে কথোপকথন এইভাবে বর্ণিত হয়েছে: "পর্বত সদৃশ তরঙ্গমালার মধ্য দিয়ে তা তাদেরকে নিয়ে বয়ে চলল। তখন নূহ তার পুত্রকে- যে তাদের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল- ডাক দিয়ে বলল, ‘হে আমার প্রিয় পুত্র! আমাদের সঙ্গে আরোহণ কর, কাফিরদের সঙ্গে থেকো না’ সে বলল, ‘আমি এখুনি পাহাড়ে আশ্রয় নেব, যা আমাকে পানি থেকে রক্ষা করবে।’ নূহ বলল, ‘আজ আল্লাহর হুকুম থেকে কোনকিছুই রক্ষা করতে পারবে না, অবশ্য আল্লাহ যার প্রতি দয়া করবেন সে রক্ষা পাবে।’ অতঃপর ঢেউ তাদের দু'জনার মাঝে আড়াল করল আর সে ডুবে যাওয়া লোকেদের মধ্যে শামিল হয়ে গেল।"
নূহ (আঃ) তাঁর জাতিকে বাঁচানোর জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেছিলেন। সব দুঃখ-কষ্ট সহ্য করার পরেও তিনি তাঁর সন্তানকে এমন আচরণ করতে দেখলেন এবং তারপর তাকে ডুবে যেতে। নূহ (আঃ)-এর জন্য এটি কতটা বিধ্বংসী হতে পারে তা কল্পনা করুন। অবশেষে আকাশ পরিষ্কার হয়ে উঠল এবং বন্যা সেই ভয়ংকর রাগ থেমে গেল। আল্লাহ নিরাপদে নৌকাটি জুদি পর্বতের চূড়ায় স্থাপন করলেন। কুরআনে এই মুহূর্তটি এইভাবে বর্ণিত: "হে জমিন!, তোমার পানি গিলে ফেল, আর হে আকাশ, থাম। অতঃপর পানি জমিনে বসে গেল, কার্য সমাপ্ত হল নৌকা জুদি পর্বতে এসে ভিড়ল, আর বলা হল 'জালিম লোকেরা ধ্বংস হোক!'"
নূহ (আঃ)-কে আল্লাহর নির্দেশ (বাইবেলের দৃষ্টিভঙ্গি):
বাইবেলে বলা হয়েছে: "তুমি নিজের জন্য একখণ্ড সাইপ্রাস কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরি করো। তাতে ঘর বানাও এবং তার ভিতর-বাহিরে পিচ দিয়ে আচ্ছাদিত কর। এভাবেই তুমি নৌকাটি তৈরি করবে। নৌকার দৈর্ঘ্য হবে তিনশো কিউবিট, প্রস্থ পঞ্চাশ কিউবিট আর উচ্চতা ত্রিশ কিউবিট।" খ্রিস্টান বর্ণনা অনুযায়ী, নৌকায় উঠেছিল শুধু নূহের পরিবারের সদস্যরা। জীবন টিকিয়ে রাখার জন্য তাঁকে প্রতিটি জীবের এক জোড়া নৌকায় তুলতে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। বাইবেলে দুটি ভিন্ন সংখ্যা দেওয়া হয়েছে: এক জোড়া প্রাণী (আদিপুস্তক ৬:১৯-২২) এবং সাত জোড়া পরিচ্ছন্ন প্রাণী ও এক জোড়া অপবিত্র প্রাণী (আদিপুস্তক ৭:১-৫)। এটি একটি স্ববিরোধী বক্তব্য।
বাইবেল অনুযায়ী, তখন নূহের বয়স ছিল ৬০০ বছর। বাইবেল বলে, সেটি ছিল সেই বছরের দ্বিতীয় মাসের ১৭তম দিন। নূহ (আঃ)-এর সঙ্গে বিশ্বাসীরা ও প্রাণীদের জোড়া নৌকায় উঠে পড়ল। এরপর আকাশে অন্ধকার মেঘ জমল এবং ভয়ংকর এক বৃষ্টি নিয়ে এল। যখন পানি বাড়তে লাগল, জমিতে স্থির হয়ে থাকা নৌকাটি ধীরে ধীরে ভেসে উঠতে লাগল। নূহ তাঁর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন। বন্যা বহুদিন স্থায়ী হয়েছিল। নৌকার দুল খাওয়া ডেকে প্রতিটি দিন ছিল ঈমানদারদের জন্য এক ধৈর্যের পরীক্ষা। অবশেষে, আকাশ পরিষ্কার হয়ে উঠল এবং বন্যা থেমে গেল। বাইবেল অনুযায়ী: "পানি ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে সরে যেতে লাগল। একশ পঞ্চাশ দিনের পরে পানি কমে গেল, আর সপ্তম মাসের ১৭তম দিনে নৌকাটি আরারাত পাহাড়ে থেমে গেল।"
কুরআনের বর্ণনাতে আমরা দেখি এই কাহিনি বর্ণিত হয়েছে একটি নিখুঁত রূপে, কোনো বিরোধিতা বা অশুভন বক্তব্য ছাড়া এবং আল্লাহকে বর্ণনা করা হয়েছে তাঁর মর্যাদার যথোপযুক্তভাবে। এই সব বিবেচনায় এটা বলা যায় যে, আল্লাহ কুরআন পাঠিয়ে পূর্ববর্তী গ্রন্থগুলোর ভুল ব্যাখ্যাগুলো সংশোধন করেছেন ঠিক এই কাহিনির মতোই। কুরআন নাযিলের মাধ্যমে আল্লাহ বাইবেলের মিথ্যা বিশ্বাস সংশোধন করেছেন, যা শতাব্দী ধরে চলেছে।
আমরা সবাই চলছি একটি নির্দিষ্ট পথে, একটি বিশাল জাহাজে ভর করে যার নাম পৃথিবী, আর আমাদের সমুদ্র হল এই বিশাল মহাকাশ। ইতিহাস জুড়ে নূহ (আঃ)-এর মতো হাজারো নবী-রাসূল এই জাহাজে মানবতাকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ঈসা (আঃ)-ও তাঁদেরই একজন ছিলেন। তাঁরা সকলে মানুষকে সত্যের কাছে আনার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু যখন ঈসা (আঃ)-এর নিয়ে আসা প্রকৃত বিশ্বাস বিকৃত হয়ে গেল, তখন এই জাহাজ তুলে দেওয়া হলো শেষ নেতার হাতে, যিনি হলেন রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ)। আর আমাদের কম্পাস হচ্ছে পবিত্র কুরআন।
মুসআব/
পাঠকের মতামত:
- এবার দেশে ফেরার সময় জানালেন শেখ হাসিনা!
- এমবাপ্পের পেনাল্টি মিস নিয়ে মুখ খুললেন হালান্ড
- যে গুনাহের বিচার মানুষের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন আল্লাহ
- ১০ জুলাই স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ
- জুমার নামাজ ফরজ নাকি ওয়াজিব, কোরআন ও হাদিসের আলোকে উত্তর
- নতুন দুটি নদীবন্দর ঘোষণা, গেজেট প্রকাশ সরকারের
- নেতানিয়াহু পরিবারের বিতর্কের মাঝেই ছেলের বড় সিদ্ধান্ত
- এবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, নজরে প্রসেনজিৎ
- খেলাপি ঋণ উদ্ধারে আসছে আধুনিক আইনি কাঠামো
- দুই বছর পর ভ্রমণ ভিসায় ভারতে যাত্রা শুরু
- ছয় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যা সতর্কতা জোরালো
- দেশে ফিরল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোট
- কুয়েত-বাহরাইনে ফের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
- যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ১৭২ কর্মকর্তা
- একীভূত ব্যাংক থেকে ২০ লাখ টাকা তোলার অনুমতি পেলেন রাষ্ট্রপতি
- এক দশকে শেয়ারবাজার ছেড়েছে ১৫ লাখ বিনিয়োগকারী
- শেয়ারবাজারে একই গ্রুপের দুই কোম্পানির কারখানা বন্ধ
- এক সময়ের ব্লু-চিপ, এখন লোকসানের অতল গহ্বরে
- দেশজুড়ে বৃষ্টির দাপট, নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস
- ইরা মনির গলা কেটে দেওয়া বাবু শেখকে মৃত্যুদণ্ড
- অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধিতে বন্ধ দুই শেয়ারের লেনদেন
- তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন মীর শাহে আলম
- সামনে এলো গোপন নিয়োগের অভিযোগ, তদন্তে বিএসসিএল
- আলোচিত শিশু ধর্ষ/ণ মামলার রায় প্রকাশ
- নিজেদের সময় করা আইনের মুখোমুখি আওয়ামী লীগ!
- একটি ভুলেই শেষ সেমিফাইনালের স্বপ্ন! বিপদে ১৮ ফুটবলার
- বিকল্প অর্থায়নের নতুন উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী
- স্থিতিশীল আউটলুকসহ মার্কেন্টাইল ব্যাংকের নতুন ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ
- ১৫ লাখ বিও হিসাব কমে যাওয়ার পেছনে যে কারণগুলো সামনে এলো
- দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত
- দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ করবে তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- স্ত্রীর মৃত্যুর পর মেয়েকে ধর্ষ/ণচেষ্টার অভিযোগে বাবা আটক
- হাইকোর্টের রায়ে বদলে গেল চট্টগ্রাম-২-এর সমীকরণ!
- শেয়ারবাজারে বড় সংস্কারের বার্তা দিলেন বিএসইসি চেয়ারম্যান
- পাঁচ ব্রোকারেজ হাউজে ১০ অনুমোদিত প্রতিনিধি প্রত্যাহার
- সরকারি ইতিবাচক বার্তায় চাঙা শেয়ারবাজার
- সাত দফা দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদে যুক্ত হলেন নতুন দুই পরিচালক
- প্রয়াত স্পন্সর পরিচালকের শেয়ার হস্তান্তর সম্পন্ন
- রাইট ইস্যুর সময়সূচি জানালো ইউসিবি
- কর্মী পাঠানো নিয়ে সরকারের সতর্কবার্তা
- ‘মুসলিম মেয়ে বলেই এত আন্দোলন’
- দুঃসংবাদ পেলো আর্জেন্টিনা
- বিকেলে যোগদান, ৪ ঘণ্টা পরই বদলি—মুখ খুললেন নতুন পুলিশ সুপার
- বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির আসল কারণ জানাল সরকার
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১২ দফা উদ্যোগ, কারসাজিকারীদের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী
- কাঁঠাল নিয়ে চীনের আগ্রহ, যা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- টার্মিনাল সরানোর সিদ্ধান্ত, মিলল সরকারি অনুমোদন
- আগস্টে দুই দফায় লম্বা ছুটির সুযোগ
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন যে তিন জন
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য দুঃসংবাদ
- বিকেলে যোগদান, ৪ ঘণ্টা পরই বদলি—মুখ খুললেন নতুন পুলিশ সুপার
- শেয়ারবাজারে একই গ্রুপের দুই কোম্পানির কারখানা বন্ধ
- দুঃসংবাদ পেলো আর্জেন্টিনা
- গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে কেপিআই ঘোষণা
- ধানমন্ডির আবাসিক এলাকায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
- প্রায় ২১ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ২ কোম্পানি
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১২ দফা উদ্যোগ, কারসাজিকারীদের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী
- আড়াই বছর পর সুখবর দিলো এমারেল্ড অয়েল
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- টার্মিনাল সরানোর সিদ্ধান্ত, মিলল সরকারি অনুমোদন
- উদ্যোক্তা পরিচালকের শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণা
ধর্ম ও জীবন এর সর্বশেষ খবর
- যে গুনাহের বিচার মানুষের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন আল্লাহ
- জুমার নামাজ ফরজ নাকি ওয়াজিব, কোরআন ও হাদিসের আলোকে উত্তর













