×
ঢাকা, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

শ্রমবাজারে বড় সুযোগ, জিরো কস্টে যাবে ১০ হাজার কর্মী

২০২৬ অক্টোবর ০৭ ২২:০৯:৫২
শ্রমবাজারে বড় সুযোগ, জিরো কস্টে যাবে ১০ হাজার কর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক: মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠাতে নতুন করে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য ৬ হাজারের বেশি কোটা বরাদ্দ হয়েছে। এসব কোটার বিপরীতে নিয়োগকর্তাদের ডিমান্ড লেটার সত্যায়নের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনে আবেদনও জমা পড়েছে। এর মধ্যে কিছু ডিমান্ড লেটার সত্যায়ন করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি প্রথম ধাপে রাষ্ট্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে জিরো মাইগ্রেশন কস্টে ১০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমেও কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক বলেন, প্রথমে বোয়েসেলের মাধ্যমে জিরো কস্টে ১০ হাজার কর্মী পাঠানো হবে। এরপর বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা কর্মী পাঠানোর সুযোগ পাবেন।

তিনি মেডিকেল সেন্টারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতার বিষয়টিও অস্বীকার করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এ কারণে জিরো-কস্টে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ইতোমধ্যে প্রায় ৩৫০ জন মালয়েশীয় নিয়োগকর্তা বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য কোটা বরাদ্দের আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে ৬ হাজারের বেশি কর্মীর কোটা বরাদ্দ হয়েছে। প্রয়োজনীয় সরকারি ফি ও লেভি পরিশোধের পর নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগকর্তারা এসব কোটা পেয়েছেন। এরপর ডিমান্ড লেটার সত্যায়নের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বরাদ্দ পাওয়া কোটার কর্মীদের দ্রুত মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পাশাপাশি জিরো-কস্টে ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ সমান্তরালভাবে এগিয়ে নেওয়া গেলে দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর সুযোগ আরও বাড়তে পারে।

এতে কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বেসরকারি খাতের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর সুযোগও তৈরি হবে।

মালয়েশিয়ায় নতুন করে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা ও ডিমান্ড লেটার যথাযথভাবে যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশটিতে বিপুলসংখ্যক অনিবন্ধিত বিদেশি কর্মী থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বায়রার নেতারাও বরাদ্দ পাওয়া কোটার কর্মীদের দ্রুত মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পাশাপাশি জিরো-কস্টে কর্মী পাঠানোর সরকারি উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জিরো-কস্টে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ সফল হলে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কমবে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতের মাধ্যমে নিয়মিত কর্মী পাঠানো চালু থাকলে দেশটির শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মীদের উপস্থিতি আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

মুয়াজ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

প্রবাস এর সর্বশেষ খবর

প্রবাস - এর সব খবর

উ
প
রে