ট্রাম্পের শুল্কনীতিতে বাংলাদেশের জন্য খুলছে নতুন সুযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোকে ঘিরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতে শুরুতে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হলেও বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি বাংলাদেশের জন্য সম্পূর্ণ নতুন কোনও শুল্ক নয়। বরং আগে থেকেই কার্যকর থাকা ১০ শতাংশ শুল্ককে নতুন আইনি কাঠামোর আওতায় স্থায়ী রূপ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া নতুন ব্যবস্থা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যনীতির ধারাবাহিকতা। আগে সাময়িকভাবে কার্যকর থাকা ১০ শতাংশ বেজলাইন শুল্ক এখন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আইন ধারা ৩০১-এর আওতায় স্থায়ী কাঠামো পেয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে এই শুল্ক পরিবর্তন বা আইনি চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে বাতিল করা আগের তুলনায় কঠিন হতে পারে।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সে সময় মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ‘পারস্পরিক শুল্ক’ বাতিল করে দেয়। এরপর একই মাত্রার শুল্ক বহাল রাখার জন্য বিকল্প আইনি পথ খুঁজতে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন।
অন্তর্বর্তী সমাধান হিসেবে প্রেসিডেন্টের ধারা ১২২-এর ক্ষমতা ব্যবহার করে সব দেশের জন্য ১০ শতাংশের একটি অস্থায়ী সর্বজনীন শুল্ক আরোপ করা হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, এই শুল্ক সর্বোচ্চ ১৫০ দিন পর্যন্ত কার্যকর রাখা সম্ভব ছিল।
এই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) দফতর ধারা ৩০১-এর অধীনে জোরপূর্বক শ্রমসংক্রান্ত তদন্ত এগিয়ে নেয়। তদন্ত, জনমত গ্রহণ এবং চূড়ান্ত বিধিমালা তৈরির প্রক্রিয়া এমনভাবে সাজানো হয়, যাতে ধারা ১২২-এর অস্থায়ী শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ধারা ৩০১-এর নতুন শুল্ক কার্যকর করা যায়।
ফলে কোনও ধরনের শুল্ক-শূন্যতা ছাড়াই আগের ১০ শতাংশ শুল্ক নতুন আইনি ভিত্তিতে বহাল থাকে।২৪ জুলাই কার্যকর হওয়া নতুন শুল্ক কাঠামোয় ইউএসটিআর মোট ৬০টি অর্থনীতিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
এর মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে ১৭টি অর্থনীতির সেই গ্রুপে, যাদের জন্য শুল্কহার নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ শতাংশ। অন্যদিকে চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ আরও ৩৪টি অর্থনীতির জন্য শুল্কহার ১২ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থাৎ বর্তমান কাঠামোয় বাংলাদেশের রফতানিপণ্য প্রধান কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় ২ দশমিক ৫ শতাংশ কম শুল্কের সুবিধা পাচ্ছে।বাংলাদেশের ১০ শতাংশ শুল্কের আওতায় থাকার অন্যতম কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্বে নেওয়া কিছু প্রতিশ্রুতি।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির (এআরটি) আওতায় বাংলাদেশ জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে অঙ্গীকার করে।
এই অঙ্গীকারের কারণেই বাংলাদেশ শুরু থেকেই ১০ শতাংশ শুল্ক গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।অন্যদিকে কম্বোডিয়া, ভারত, শ্রীলঙ্কা এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগো প্রথমে উচ্চ শুল্কের তালিকায় থাকলেও জুনে প্রস্তাবিত বিধিমালা এবং জুলাইয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মধ্যবর্তী সময়ে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা গ্রহণ করায় পরে তারা নিম্ন শুল্ক স্তরে যাওয়ার সুযোগ পায়।
নতুন কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি হলো ট্যারিফ রেট কোটা (টিআরকিউ) ব্যবস্থা।
ইউএসটিআরকে সুযোগ তৈরি হলে তিন বছর মেয়াদি দুটি টিআরকিউ চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর একটি হবে সাধারণ টেক্সটাইল আমদানির জন্য এবং অন্যটি বিশেষভাবে মার্কিন তুলাভিত্তিক টেক্সটাইলের জন্য।
এই ব্যবস্থা চালু হলে নির্ধারিত একটি সীমা পর্যন্ত বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাকপণ্য শুল্কমুক্তভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সম্ভাব্য এই সুবিধার জন্য মাত্র চারটি দেশকে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে—বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া।
অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনাম, চীন ও ভারত এই সম্ভাব্য সুবিধার বাইরে রয়েছে।
তবে টিআরকিউ এখনও কার্যকর হয়নি। কবে থেকে এটি চালু হবে, সে বিষয়ে ইউএসটিআর কোনও সময়সূচিও ঘোষণা করেনি। ফলে বর্তমানে সব পণ্যের ক্ষেত্রেই ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর রয়েছে।
নতুন শুল্ক কাঠামো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ তাৎক্ষণিকভাবে বড় কোনও নেতিবাচক অবস্থানে নেই। বরং ভিয়েতনাম, চীন ও থাইল্যান্ডের তুলনায় শুল্কের দিক থেকে কিছুটা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পেয়েছে।
ভবিষ্যতে টিআরকিউ চালু হলে বাংলাদেশ আরও একটি সম্ভাব্য সুবিধা পেতে পারে। তবে এই সুযোগ কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে হবে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু শুল্ক কম থাকলেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়।
বিশ্বের পোশাকবাজারে প্রতিযোগিতা এখন আগের যেকোনও সময়ের তুলনায় বেশি। ক্রেতারা শুধু কম দামের পণ্য নয়, বরং দ্রুত সরবরাহ, উন্নত মান, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, শ্রমমান, উদ্ভাবন এবং পণ্যের বৈচিত্র্যকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন।
ফলে বাংলাদেশের জন্য নতুন শুল্ক কাঠামো একটি সম্ভাবনার দরজা খুলে দিলেও সেই সুযোগ বাস্তবে কাজে লাগাতে হলে শিল্প খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক হতে হবে।
বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক বলেন, নতুন মার্কিন শুল্ক কাঠামোকে তিনি ‘পুরোনো মোড়কে নতুন মিষ্টি’ হিসেবে দেখছেন।
তার ভাষায়, গত কয়েক মাস ধরেই বাংলাদেশি পণ্যের ওপর কার্যত ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর ছিল। এবার যুক্তরাষ্ট্র মূলত সেই শুল্ককেই নতুন আইনি কাঠামোর আওতায় স্থায়ী রূপ দিয়েছে। ফলে বাংলাদেশের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত কোনও শুল্কের বোঝা তৈরি হয়নি কিংবা বাস্তব শুল্ক পরিস্থিতিতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি।
তিনি বলেন, আগে যে ১০ শতাংশ বেজলাইন শুল্ক কার্যকর ছিল, সেটিই এখন ধারা ৩০১-এর আওতায় স্থায়ী আইনি ভিত্তি পেয়েছে। ফলে এটি ভবিষ্যতে পরিবর্তন বা চ্যালেঞ্জ করা আগের তুলনায় আরও কঠিন হতে পারে।
তবে ইতিবাচক দিক হলো, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী ভিয়েতনাম, চীন ও থাইল্যান্ডের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে শুল্কহার ১০ শতাংশ হওয়ায় প্রতিযোগিতার দিক থেকে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে দেশটি।
মহিউদ্দিন রুবেল আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তুলা ও কিছু কাঁচামালভিত্তিক পণ্যের জন্য ট্যারিফ রেট কোটা (টিআরকিউ) চালুর পরিকল্পনা করছে। সেখানে বাংলাদেশ সম্ভাব্য সুবিধাভোগী দেশগুলোর তালিকায় থাকলেও ভারত ও ভিয়েতনাম নেই। যদিও এই সুবিধা এখনও কার্যকর হয়নি এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও হয়নি, তবু এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের জন্য নতুন রফতানি সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে তার মতে, শুধু শুল্কের তুলনামূলক সুবিধা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করা সম্ভব হবে না। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, পণ্যের বৈচিত্র্য আনা এবং উচ্চমূল্যের ও মূল্য সংযোজনসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনে জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে বাজারের চাহিদা, ক্রেতাদের পরিবর্তিত রুচি এবং নতুন ভোক্তা প্রবণতা বিবেচনায় নিয়ে আরও কার্যকর বিপণন কৌশল গ্রহণ করতে হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা এখন শুধু দামের ওপর নির্ভর করছে না। পণ্যের মান, সময়মতো সরবরাহ, উদ্ভাবন, টেকসই উৎপাদন এবং কমপ্লায়েন্সও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে সক্ষমতা বাড়াতে পারলে বাংলাদেশ বিদ্যমান শুল্ক সুবিধাকে দীর্ঘমেয়াদে রফতানি বৃদ্ধির সুযোগে পরিণত করতে পারবে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, নতুন শুল্ক কাঠামোর প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়তে পারে। এর প্রভাব ভোক্তাদের ক্রয় আচরণ, পণ্যের চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সোর্সিং কৌশলেও পড়তে পারে। তাই বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়া জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোকে কেবল স্বল্পমেয়াদি সুবিধা হিসেবে দেখলে চলবে না। বরং এটিকে দীর্ঘমেয়াদি বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে।
সেজন্য উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, আধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ, পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি, উচ্চমূল্যের পোশাক উৎপাদন, স্থানীয় মূল্য সংযোজন বাড়ানো, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং নতুন উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে।
একই সঙ্গে সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, বন্দর ও লজিস্টিকস উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রম ও পরিবেশগত মান আরও শক্তিশালী করতে পারলে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বর্তমান সুবিধাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারবে।
সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া নতুন ধারা ৩০১ শুল্ক কাঠামো বাংলাদেশের জন্য তাৎক্ষণিক কোনও বড় ধাক্কা নয়। বরং এটি আগের শুল্ক ব্যবস্থারই একটি স্থায়ী আইনি রূপ, যেখানে বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে অনুকূল অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
তবে এই সুবিধাকে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতামূলক শক্তিতে রূপ দিতে হলে কেবল কম শুল্কের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। উৎপাদন দক্ষতা, মূল্য সংযোজন, উদ্ভাবন এবং বাজার বৈচিত্র্য—এই চার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারলেই বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নতুন সুযোগকে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যে পরিণত করতে পারবে।
মুসআব/
পাঠকের মতামত:
- এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর চিরকুট নিয়ে যা বললেন গবেষক
- পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত
- নগদ ও আইএফআইসি ব্যাংকের নতুন চুক্তি
- ছেলে-মেয়ের বয়ঃপ্রাপ্তির আলামত কী? জানুন শরিয়তের নির্দেশনা
- সোনালী ব্যাংকের মুনাফায় বড় লাফ, এক বছরে বেড়েছে ১৯৩ শতাংশ
- চুরির পর নতুন নোটে খরচ, যেভাবে পুলিশের জালে ধরা পড়ল চক্র
- এবার ঢাকার এমন সাহসে কাঁপছে দিল্লি!
- বাড়িওয়ালা-ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন আইন
- রাজনীতির বাইরে জিন্নাহর যে পরিচয় সামনে আনলেন ফাহাম আব্দুস সালাম
- স্ত্রীর মৃত্যুর দিন বিকাল ৪টা পর্যন্ত যেখানে ছিলেন এমপি নজরুল
- কবর থেকে তোলা হবে চিত্রনায়ক ও তার বাবার মরদেহ, জানা গেল কারণ
- এক ট্রিপেই বাড়তি ৫ হাজার টাকা; বাসভাড়া নিয়ে বড় দাবি
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ২০ দিনে নতুন আমানত ২৭০০ কোটি টাকা
- অপ্রতিম হত্যার নেপথ্যে ৫ হাজার টাকা! তদন্তে মিলল নতুন তথ্য
- স্কুলে বোরকা-নেকাব নিষিদ্ধের ঘোষণা
- প্রবাসীদের জন্য সুখবর, ৩ শহরে কনস্যুলেট খুলছে বাংলাদেশ
- টানা উত্থানের পর স্বাভাবিক দর সংশোধন শেয়ারবাজারে
- ২১ সেপ্টেম্বর ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- ২১ সেপ্টেম্বর লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২১ সেপ্টেম্বর দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২১ সেপ্টেম্বর দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ইসলামী ব্যাংকের সংকট নিরসনে ব্যর্থতার অভিযোগ, প্রশাসকের পদত্যাগ দাবি
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে টাকা তোলার হিড়িক, নতুন আমানতেও বড় অঙ্ক
- এবার রিটেইল পোর্টফোলিও বিক্রি করবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড
- এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর দাদির মুখে নতুন অভিযোগ
- ৫ মিউচুয়াল ফান্ডের অডিট রিপোর্টে আপত্তি
- গ্রামীণফোনের অন্তর্বর্তীকালীন ক্যাশ ডিভিডেন্ড বিতরণ সম্পন্ন
- এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু, মামার বক্তব্যে নতুন প্রশ্ন
- জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর নেপথ্য ৫ কারণ
- ফার্মা-গার্মেন্টসসহ শিল্পখাতে নতুন দিকনির্দেশনা, গুরুত্ব পাচ্ছে আইপিআর
- সচিবালয় অভিমুখে ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা
- ডিভিডেন্ড পেলো বিনিয়োগকারীরা
- ডিসেম্বর ঘিরে হাসিনার মাস্টারপ্ল্যান
- গ্রামীণফোন-বাংলালিংকসহ বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের আলোচনা
- আশুলিয়ার প্রীতি গ্রুপের সব কারখানায় ছুটি ঘোষণা
- অপ্রতিম হত্যায় তুহিনের পুরোনো পরিচয় জানাল পুলিশ
- ৫ মিনিটে ঘুরে আসুন ৩ জেলা, বাংলাদেশেই আছে অবাক করা এই জায়গা
- পরিচালকদের পদত্যাগের ঘটনায় সিএসইর প্রশ্ন, জবাবে যা বলল ব্যাংক
- ২১ সেপ্টেম্বরের মুদ্রার বিনিময় হার এক নজরে
- নোমান গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ-বিতর্ক, এবার বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারস্থ
- প্রাইম ফাইন্যান্সের কোম্পানি সচিব নিয়োগ
- অপ্রতিম হত্যা: পুলিশের দাবির পরও যে ৩ বিষয় নিয়ে ধোঁয়াশা
- গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়েও ভালো হচ্ছেন না, জানুন আসল কারণ
- সাকিবের বাসার সামনে এসডিএফ সভাপতির আচরণ নিয়ে তোলপাড়
- তাপমাত্রা বাড়তে পারে ৩ ডিগ্রি, অন্যদিকে ৬ এলাকায় সতর্কতা
- ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯টি শেয়ার বিক্রয় সম্পন্ন
- যুদ্ধের মধ্যেই তেলের দামে বড় পতন
- ‘প্রতিবাদ জানালাম’ লিখে পোস্ট, এরপরই ছাত্রদল নেতাকে শোকজ
- ২ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
- ১৫ মিনিটের প্রটোকল ভেঙে জাতিসংঘ কাঁপিয়েছে যে নেতারা!
- দেশের বাজারে ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার আজকের দাম
- উৎপাদন সক্ষমতা দ্বিগুণ করার পর বড় সুখবর নিয়ে আসছে তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের সহজ নিয়ম
- শেয়ারপ্রতি ১৮ টাকা বোনাস পাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা
- বিকাশ-নগদ-রকেটসহ সব ব্যাংকে নতুন নির্দেশনা, কার্যকর ১ অক্টোবর
- শেয়ারবাজারের সংকট কাটাতে আসছে যেসব নতুন উদ্যোগ
- ব্যাংকের শেয়ার কিনতে নতুন সীমা, বড় নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের
- এবার বাংলাদেশের সাথে বদলা নিচ্ছে ভারত
- খতিয়ানের মাধ্যমে জমির মালিকানা বের করার নিয়ম
- মাস্টাররোল কর্মীদের নিয়ে সরকারের নতুন পদক্ষেপ
- পেনশন গ্রাহকদের জন্য বড় ঘোষণা, যুক্ত হচ্ছে যেসব সুবিধা
- পে-স্কেলে বেতন পাবেন না যারা, প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট হলো তালিকা
- পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর, নমিনি পাবেন বিশেষ সুবিধা
- ভারতের ছকে অকেজো বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র
- রায় প্রত্যাখ্যানের পোস্ট, দুই আইনজীবীকে নিয়ে ট্রাইব্যুনালের বড় সিদ্ধান্ত
অর্থনীতি এর সর্বশেষ খবর
- নগদ ও আইএফআইসি ব্যাংকের নতুন চুক্তি
- সোনালী ব্যাংকের মুনাফায় বড় লাফ, এক বছরে বেড়েছে ১৯৩ শতাংশ
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে টাকা তোলার হিড়িক, নতুন আমানতেও বড় অঙ্ক
- এবার রিটেইল পোর্টফোলিও বিক্রি করবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড
- ফার্মা-গার্মেন্টসসহ শিল্পখাতে নতুন দিকনির্দেশনা, গুরুত্ব পাচ্ছে আইপিআর













