সংসদে বড় ভুল তথ্য; বিস্ফোরক চিঠি দিলেন সাবেক কমিশনাররা
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদ্যবিদায়ী পাঁচজন কমিশনার সংসদে উপস্থাপিত গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা সংক্রান্ত কিছু বক্তব্যকে “ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে” উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তারা দাবি করেন, এসব আইন ও অধ্যাদেশ নিয়ে সংসদে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তব আইনি কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এতে জনমনে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে।
তাদের মতে, গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে অপরাধের মাত্রাভেদে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তির বিধান রয়েছে। অথচ সংসদে এটিকে কম শাস্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। একই সঙ্গে তারা বলেন, এই আইনে তদন্তের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে এবং জরিমানা নির্ধারণ ও আদায়ের সুস্পষ্ট বিধান আছে। এমনকি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল না করলে শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন (ICT) মূলত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য প্রযোজ্য, যা সাধারণ বা বিচ্ছিন্ন ধরনের গুমের ক্ষেত্রে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যায় না। ফলে গুম অধ্যাদেশ বাতিল বা দুর্বল করা হলে আইনি শূন্যতা তৈরি হতে পারে এবং ভুক্তভোগীরা যথাযথ প্রতিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে তারা সতর্ক করেন। তাদের ব্যাখ্যায়, “ব্যাপক বা পদ্ধতিগত গুম” আলাদা বিষয়, যা ICT আইনের আওতায় পড়লেও সাধারণ গুমের ক্ষেত্রে আলাদা ফৌজদারি কাঠামো প্রয়োজন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে কমিশনাররা বলেন, এই আইন অনুযায়ী কোন মৃত্যু রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ আর কোনটি অপরাধমূলক—তা নির্ধারণের দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনের তদন্তের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু পূর্ববর্তী ২০০৯ সালের আইনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা সীমিত থাকায় কমিশনের কার্যকারিতা কমে যাবে বলে তারা মনে করেন।
তারা আরও অভিযোগ করেন, নতুনভাবে পুনর্বহাল করা ২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইন কমিশনের স্বাধীনতা সংকুচিত করেছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে পূর্বানুমতির শর্ত যুক্ত হওয়ায় কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা দুর্বল হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে নিয়োগ ও বাছাই কমিটিতে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব বেশি থাকায় কমিশনের নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, কমিশন যদি কোনো অপরাধকে ফৌজদারি হিসেবে চিহ্নিত করে, তবে মামলা করার ক্ষমতা থাকা স্বাভাবিক। এতে স্বার্থের সংঘাত হয় না, কারণ কমিশন বিচারকের ভূমিকা পালন করে না। তারা উদাহরণ হিসেবে পুলিশকেও উল্লেখ করেন, যারা তদন্ত শেষে মামলা করতে পারে।
সবশেষে কমিশনাররা বলেন, গুম প্রতিরোধ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সনদে বাংলাদেশের অঙ্গীকার রয়েছে, তাই ভবিষ্যতে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে যেন ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা দুর্বল না হয় এবং আইন যেন কার্যকর ও শক্তিশালী হয়—সে বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি। তারা সতর্ক করে বলেন, আইন দুর্বল হলে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন এবং মানবাধিকার সুরক্ষা আরও সংকুচিত হবে।
ওমর আলী/
পাঠকের মতামত:
- ১৮ মে ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- ১৮ মে লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ঈদের প্রভাবে বাজারে শ্লথ গতি
- ১৮ মে দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন করলো বাংলাদেশ ব্যাংক
- লিকুইডেশন সংক্রান্ত খবরে ডিএসইকে ব্যাখ্যা দিলো পিপলস লিজিং
- ২৫ হাজার শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণা
- ইরানকে চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের ৫ শর্ত
- আইফোনের প্রলোভনে ধর্ষ/ণের অভিযোগ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বিরুদ্ধে
- রূপালী ব্যাংকের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- পে-কমিশনের কাটছাঁট সিদ্ধান্তে নতুন রূপরেখা
- হজে গিয়ে ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু
- দেশের বাজারে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম
- ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পে চীনে ধসে পড়ল ১৩ ভবন
- কারিনার রাজনীতি নিয়ে বিতর্কের মাঝে বাবার স্পষ্ট বক্তব্য
- রূপালী ব্যাংকের নতুন পরিচালক সাইফুল ইসলাম
- আত্মীয়ের বাসায় মিলল স্বামী-স্ত্রী ও শিশু সন্তানের লা/শ
- সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ!
- তনু হ/ত্যা মামলায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
- কারিনার জানাজায় ক্ষোভ ঝাড়লেন নাহিদ
- আদালতের ‘নো অর্ডার’, কারামুক্তির পথে আইভী
- বিশ্বকে অচল করে দেয়ার নতুন ‘অস্ত্র’ পেল ইরান
- নিরীক্ষা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর শর্ত আরোপ করছে বিএসইসি
- এনসিপি ছাড়লেন প্রভাবশালী এক নেতা
- লাশের সিঁথিতেই সিঁদুর পরালেন ‘হ/ত্যাকারী’ বাগদত্তা
- যে শহরে টানা ৮৪ দিন সূর্য অস্ত যায় না!
- বিএসইসির সিদ্ধান্ত ঠেকাতে আদালতের দ্বারস্থ রেইস ম্যানেজমেন্ট
- শেয়ারবাজারে এসএমই অংশগ্রহণ বাড়াতে ডিএসই’র নতুন উদ্যোগ
- অন্তর্বর্তী সরকারকে ঘিরে নতুন আইনি পদক্ষেপ
- বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর, দুবাইতে বিশাল নিয়োগ
- জুলাই সনদ ও হুমকির অভিযোগ তুলে যা বললেন ওসমান হাদির বোন
- বছর ধরে চলে গণধ/র্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, বিচার না পেয়ে দুই বোনের আত্মহত্যা
- কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে শোক জানাতে অস্বীকৃতি
- দেখা মিলল জিলহজ মাসের চাঁদ, জানা গেল ঈদের তারিখ
- আদালতে গেলেন না আমির হামজা, নতুন নির্দেশ জারি
- ঈদ-উৎসবের আগে শেয়ারবাজারে বিক্রির চাপ
- তৃতীয় সন্তান নিলেই টাকা দেবে সরকার
- ‘সন্তান নেওয়ার চেয়ে কুকুর পোষা ভালো’
- ১৭ মে ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- ১৭ মে লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৭ মে দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৭ মে দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- মোটরসাইকেল চালকদের নিয়ে সতর্ক বার্তা জামায়াত আমিরের
- শাহজালাল বিমানবন্দরে ডিজিটাল সুবিধার নতুন ধাপ
- বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য বড় আপডেট দিল মিশর
- যৌ/ন হয়রানির অভিযোগে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ছেলে গ্রেপ্তার
- মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের শ্রমিক তহবিল বিতরণ নিয়ে অনিশ্চয়তা
- বাটা সু কোম্পানির প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- শেয়ারাবাজারে জেড কোম্পানির ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন সুযোগ
- শেয়ারবাজার নিয়ে বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
- ২৩ মে ছুটি বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি
- ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের অনুমোদন বাংলাদেশ ব্যাংকের
- সঞ্চয়কারীদের জন্য বড় ঘোষণা আসছে বাজেটে
- দুই কর্মদিবস পরই স্থগিত হচ্ছে ২ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন
- মূলধন বৃদ্ধি ও ডিভিডেন্ড ব্যবস্থাপনায় নতুন সিদ্ধান্ত বিএসইসির
- তিন ইস্যুতে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান
- পরিবারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে যা বললেন মাশরাফির বাবা
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ মাসের গ্রীষ্মকালীন ছুটি ঘোষণা!
- পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- শেয়ারবাজারে সর্বস্ব হারিয়েও যে কারণে মানুষ ফিরে আসে বারবার
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে তিন মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে বিএসইসি
- বিএটির প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- দুই কর্মদিবস পরই স্থগিত হচ্ছে ৩ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর
- পে-কমিশনের কাটছাঁট সিদ্ধান্তে নতুন রূপরেখা
- দেশের বাজারে আবারও কমলো স্বর্ণের দাম
- আত্মীয়ের বাসায় মিলল স্বামী-স্ত্রী ও শিশু সন্তানের লা/শ
- সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ!
- তনু হ/ত্যা মামলায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য













