ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

নির্বাচন নিয়ে সেনাপ্রধানের কড়া বার্তা

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৩ ১৮:৫৮:১৭
নির্বাচন নিয়ে সেনাপ্রধানের কড়া বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই প্রস্তুত ও আগ্রহী। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুর জেলা পরিদর্শনকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, “সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমরা সম্পূর্ণ সক্ষম। নির্বাচন নিয়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী—সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এই অবস্থায় নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচনের সময় বিকাশসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু অপরাধী সক্রিয় থাকতে পারে, তবে সবাই এ ধরনের অপকর্ম করবে না।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের দিন যারা সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেবে, তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে। আইন অনুযায়ী যতটুকু শাস্তির বিধান রয়েছে, ততটুকুই প্রয়োগ করা হবে।”

এ সময় নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, “দিন-রাত বিভিন্ন সময় অভিযানের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের আটক করা হচ্ছে। অপরাধীরা যেন সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকে, সে পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই—সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।”

বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, “নির্বাচনি পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে ভোটারদের মনে আস্থা তৈরি করা জরুরি। এজন্য মাঠে মোতায়েন সদস্যদের দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়াতে হবে। কেউ বসে থাকার সুযোগ নেই।”

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, গাজীপুর পরিদর্শনকালে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানরা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আইএসপিআর আরও জানায়, তিন বাহিনীর প্রধান পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন থাকা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে