মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি ঘিরে যে বিতর্ক রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়েছিল
নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ, স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ঢাকা সফরে আসেন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে আসা তিনি ছিলেন প্রথম কোনো বিদেশি সরকার প্রধান, এবং এই সফরের সময়ই শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সই হয় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি। কিন্তু, এই চুক্তি নিয়ে তখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা, সমালোচনা এবং বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বিরোধীরা একে ‘গোলামী চুক্তি’ বলে আখ্যায়িত করেছিল।চুক্তির প্রেক্ষাপট
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারত বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল, যুদ্ধের সময়ে এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি উদ্বাস্তু হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ভারত সরকারের সহযোগিতায় গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ এবং অস্ত্র সহায়তা দেওয়া হয়। পরে, ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। এই বিজয়ের পর শেখ মুজিবুর রহমান ইন্দিরা গান্ধীকে ধন্যবাদ জানাতে তাকে ঢাকায় আমন্ত্রণ জানান।চুক্তি সইয়ের সময়
১৯৭২ সালের ১৭ মার্চ ইন্দিরা গান্ধী ঢাকায় পৌঁছান, এবং তিন দিনের সফরের শেষ দিনে, ১৯ মার্চ, দুই নেতা মুজিব ও গান্ধী ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি সই করেন। এই চুক্তিতে দুটি দেশ একে অপরের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা সম্মান করার প্রতিশ্রুতি দেয়। তাছাড়া, এই চুক্তি ছিল ভারতের সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে করা চুক্তির আদলে, যার মেয়াদ ছিল ২৫ বছর।
এ চুক্তিতে মোট ১২টি ধারা অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা দুই দেশের মধ্যে শান্তি, নিরাপত্তা এবং সহযোগিতা নিয়ে ছিল। সেগুলোর মধ্যে ছিল:
একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।
সামরিক জোটে একে অপরকে সমর্থন না করা।
কোনো দেশ অপরের নিরাপত্তার প্রতি হুমকি সৃষ্টি এমন কিছু কার্যকলাপে ভূমি ব্যবহার না করবে।
দুই দেশের মধ্যে বৈজ্ঞানিক, শিক্ষা এবং কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধি।
যদিও চুক্তিটি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তবুও বিরোধীরা এটিকে ‘গোলামী চুক্তি’ বলে নিন্দা করেছিল। তারা অভিযোগ করেছিল যে, শেখ মুজিব বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ভারতের হাতে তুলে দিয়েছেন। তবে, অনেকের মতে, বিরোধিতার কারণ ছিল মূলত রাজনৈতিক, যেহেতু তখনকার বিরোধী দলগুলো যেকোনো সরকারের উদ্যোগের বিরোধিতা করত।
১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তন, বিশেষ করে শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ডের পর, এই চুক্তির বাস্তবায়ন বেশ সমস্যার সম্মুখীন হয়। বেশ কিছু ভুল বোঝাবুঝি এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে এই চুক্তির উদ্দেশ্য পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। তবে, এই চুক্তি তখনকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী বন্ধুত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়।
যদিও চুক্তিটি তখনকার সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, পরবর্তী সময়ে সেটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে, ১৯৯৭ সালে যখন চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়, তখন আর কোনো পক্ষই চুক্তির নবায়ন করতে আগ্রহী হয়নি। তাছাড়া, চুক্তির শর্তগুলোও যথাযথভাবে কার্যকর হয়নি।
সার্বিকভাবে, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা বজায় রাখতে সহায়ক ছিল, তবে এটি ভবিষ্যতে যথেষ্ট কার্যকর হয়নি।
আরিফ/
পাঠকের মতামত:
- আগামীকাল থেকে শেয়ারবাজারে নতুন সময়সূচি
- ডিএসইতে লেনদেনের সময় বৃদ্ধি
- চার কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ
- মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতায় বাজারে দর সংশোধন
- ১৫ জুন ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- ১৫ জুন লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৫ জুন দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৫ জুন দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- নতুন হিজরি বছরে পবিত্র কাবা শরিফে নতুন গিলাফ
- বিবাহ নিবন্ধনে আসছে বড় পরিবর্তন
- বিশ্বকাপ থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ—সবখানেই দেখা যায় এই দৃশ্য
- সারা বছর বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকে যে মাছ
- দিল্লি ঘটনা নিয়ে জাহেদ উর রহমানের ব্যাখ্যা
- আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালকের পদত্যাগ
- প্রাইম লাইফের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- ন্যাশনাল ফিড মিলের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- যেভাবে বেনজীরকে ধরিয়ে দেন এমপি বন্ধু
- প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিম নিক্ষেপ থেকে হাতাহাতি—হাসনাতের সফরে নাটকীয় মুহূর্ত
- মঞ্চে ওঠার আগেই হামলা! এরপর যা করলেন সমর্থকেরা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে অতিরিক্ত প্রভিশন রেখেছে এনসিসি ব্যাংক
- বার্জার পেইন্টসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে নতুন পদক্ষেপ ইসলামী ব্যাংকের
- নৌবীমা দাবির অর্থ পরিশোধ করল কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স
- ৩ মামলায় জামিন পেলেন মমতাজ
- ভিসা আবেদনের আগে জেনে নিন নতুন নিয়ম
- আবারও গ্রেপ্তার তৌহিদ আফ্রিদি
- মোদিকে রুটি-লবণ দিয়ে স্বাগত, এর পেছনের রহস্য
- নিরপেক্ষ ও দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে গঠন হবে ৫ সদস্যের বোর্ড
- ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে সাত দফা দাবি গ্রাহক ফোরামের
- বিক্রেতা সঙ্কটে হল্টেড ১১ কোম্পানি
- ইতিবাচক প্রত্যাশায় বাজারে গতি, সূচকের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা
- ১৩ হাজার সমর্থককে নিষিদ্ধ করল আর্জেন্টিনা
- দেশে ফিরেই সাংবাদিকদের এড়িয়ে গেলেন উপদেষ্টা
- মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম
- শাশুড়িকে গ্রেপ্তারের পর জামাইকে খুঁজছে পুলিশ
- বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে শায়খ আহমাদুল্লাহর ব্যতিক্রমী পোস্ট
- বন্ধ হচ্ছে যুদ্ধ, সমঝোতায় পৌঁছাল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
- যে প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বেনজীরকে
- সংসদে বড় দায়িত্ব পেলেন আন্দালিব রহমান পার্থ
- অর্থ লোপাটকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস
- আমানতকারীদের স্বার্থে ইসলামী ব্যাংকের সব পরিচালক অপসারণ
- সিকদার ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- বিপরীত দুই মেরুতে ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকো লিমিটেড
- শেয়ারবাজারের পর নতুন দিগন্ত কমোডিটি এক্সচেঞ্জ
- রাতে মাঠে নামছে জার্মানি, খেলা দেখবেন যেভাবে
- ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল; চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
- খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দিতে চাওয়া সেই সোহাগ গ্রেপ্তার
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির ডিভিডেন্ড নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
- চেয়ারম্যানের পদত্যাগের পর ইসলামী ব্যাংক নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা গভর্নরের
- এক কোটি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়মে বড় পরিবর্তন
- বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
- শেয়ারবাজার সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর মেগা প্ল্যান: আসছে ডিজিটাল আইপিও
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- বিপরীত দুই মেরুতে ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকো লিমিটেড
- শেয়ারবাজার হবে আরও শক্তিশালী, বাজেটে সন্তুষ্ট ডিএসই
- ‘হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে এখনো ৮০০ টাকা পাই’
- বিক্রেতা সঙ্কটে হল্টেড ১১ কোম্পানি
- সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- শেয়ারবাজারের পর নতুন দিগন্ত কমোডিটি এক্সচেঞ্জ
- চলতি সপ্তাহে ১১ কোম্পানির এজিএম













