৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে হাসিনার দেশে না ফিরলে রাজনীতিতে নতুন হিসাব
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের অবস্থান থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি। জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রায় দুই বছর ধরে ভারতের বাইরে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। এখন তার দেশে ফেরার ঘোষণা ঘিরে সামনে এসেছে নতুন প্রশ্ন—তিনি যদি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে না ফেরেন, তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে?
তবে শুরুতেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ৩১ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে শেখ হাসিনার ফেরার কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এলেও, এটি এমন কোনো সরকারি সময়সীমা নয় যার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক বা আইনি ব্যবস্থা কার্যকর হবে। শেখ হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। তার মুখপাত্রও ৩১ ডিসেম্বরের আগে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন, যদিও নির্দিষ্ট তারিখ তখনও ঠিক হয়নি।
শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারত চলে যান। এরপর তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০২৪ সালের আন্দোলন দমনের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হয় এবং ২০২৫ সালে অনুপস্থিতিতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। শেখ হাসিনা এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছেন।
এই পরিস্থিতিতে দেশে ফেরার ঘোষণা স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দেশে ফিরলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জুলাই ২০২৬-এ রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা জানান, তিনি আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে ডিসেম্বরের দিকে বাংলাদেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন। তিনি বলেন, দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে, এমনকি তার জীবনও ঝুঁকিতে পড়তে পারে—তবু তিনি ফেরার পরিকল্পনা করছেন।
পরবর্তী সময়েও তিনি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেন। আগস্টে দেওয়া বক্তব্যেও তিনি বলেন, গ্রেপ্তার বা কারাবাসের ঝুঁকি থাকলেও তিনি দেশে ফিরতে চান। ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনা দেশে না ফিরলে প্রথম এবং সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রশ্নে।
আওয়ামী লীগ বর্তমানে যে রাজনৈতিক ও আইনি চাপে রয়েছে, তার মধ্যে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতি দলটির ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। তিনি দেশে না ফিরলে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে নেতৃত্ব, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে।
তবে এটিকে সরাসরি ‘দল ভেঙে যাবে’ বা ‘আওয়ামী লীগ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে’—এমন সিদ্ধান্তে নেওয়া ঠিক হবে না। বরং বাস্তবতা হবে, দলটি কীভাবে নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কাঠামো পরিচালনা করে, সেটিই বড় প্রশ্ন হয়ে উঠবে।
শেখ হাসিনা দেশে না ফিরলে তার বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়া থেমে যাবে—এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। বরং তিনি বিদেশে থাকলে তাকে দেশে ফেরানোর জন্য প্রত্যর্পণ বা অন্যান্য আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকতে পারে।
বাংলাদেশ সরকার তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে ভারত বলেছে, প্রত্যর্পণের বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিবেচনা করা হবে এবং তাদের অবস্থানে পরিবর্তন হয়নি।
অর্থাৎ শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের মধ্যে স্বেচ্ছায় না ফিরলে বিষয়টি আরও বেশি করে ঢাকা-নয়াদিল্লি কূটনৈতিক সম্পর্ক ও প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ইতোমধ্যেই দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। বাংলাদেশ তাকে ফেরত চেয়ে আসছে, আর ভারত জানিয়েছে বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ফলে তিনি ডিসেম্বরেও ভারতে থেকে গেলে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার মধ্যে শেখ হাসিনার অবস্থান একটি সংবেদনশীল ইস্যু হিসেবেই থেকে যেতে পারে।অন্যদিকে, শেখ হাসিনা যদি সত্যিই ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরে আসেন, তাহলে পরিস্থিতি আরও নাটকীয় হতে পারে।
তার দেশে ফেরার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হবে কি না, আদালতে কী প্রক্রিয়া হবে, তার নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ থাকবে কি না—এসব প্রশ্ন সামনে আসবে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা নিজেই দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের সম্ভাবনার কথা বলেছেন। তবে তার বিরুদ্ধে বিদ্যমান রায় ও আইনি অবস্থানের কারণে প্রত্যাবর্তনের পর পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হতে পারে।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা আওয়ামী লীগের জন্য একদিকে সাংগঠনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, অন্যদিকে বড় ধরনের আইনি ও রাজনৈতিক ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে।
তিনি দেশে ফিরলে তার সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক সক্রিয়তা দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে তার বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষগুলোর প্রতিক্রিয়াও তীব্র হতে পারে।
আবার তিনি দেশে না ফিরলে আওয়ামী লীগের সামনে বিকল্প নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কৌশল নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হতে পারে।সুতরাং ডিসেম্বরের ঘটনা শুধু শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ভবিষ্যৎ নয়, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজনৈতিক কর্মসূচি বা পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। তবে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হবেই—এমন নিশ্চয়তা দেওয়ার সুযোগ নেই।
সবকিছু নির্ভর করবে তার প্রত্যাবর্তনের ধরন, সরকারের অবস্থান, আদালতের প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিক্রিয়ার ওপর।এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—শেখ হাসিনা কি সত্যিই ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফিরবেন?
আর যদি তিনি না ফেরেন, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে—স্বেচ্ছায় ফেরার নতুন ঘোষণা, প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা, নাকি দীর্ঘমেয়াদি বিদেশে অবস্থান—তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তবে একটি বিষয় স্পষ্ট: শেখ হাসিনার ডিসেম্বরের ফেরার ঘোষণা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন একটি অধ্যায়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তিনি ফিরুন বা না ফিরুন, তার সিদ্ধান্ত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
তাই ৩১ ডিসেম্বর কোনো আনুষ্ঠানিক ‘শেষ সময়সীমা’ না হলেও, ডিসেম্বরকে ঘিরে রাজনৈতিক নজর এখন শেখ হাসিনার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।
মুয়াজ/
পাঠকের মতামত:
- ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- উত্তরা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ডিভিডেন্ড বিতরণ না করায় ৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
- শেয়ারবাজারের ১৭০০ কোটি টাকার দায়িত্ব নিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির তথ্য ফাঁসের দায়ে বিএসইসি কর্মকর্তার শাস্তি
- বিএসইসির নতুন নির্দেশনা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবেন পরিচালকেরা
- বিএসআরএম স্টিলের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ১০ কোম্পানি
- শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- নাহি অ্যালুমিনিয়ামের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ফারইস্ট নিটিংয়ের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- হাসিনার পর এবার মোদি, ওয়াশিংটনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
- আলোচনায় শাহরিয়ার আলমের স্ত্রীর পরিচয়
- শেয়ারবাজারে ওয়াশ ট্রেড ও ইনসাইডার ট্রেডিং, বিএসইসির কঠোর ব্যবস্থা
- ১৪ অক্টোবর লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৪ অক্টোবর দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৪ অক্টোবর দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- বাজারের সংকট কাটাতে সম্মিলিত উদ্যোগ চান সংশ্লিষ্টরা
- তিন কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত ঘোষণা
- ৭ লাখ ৬৮ হাজার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
- পাঁচ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
- বাংলাদেশের গানের সুরে এবার উত্তাল ভারত
- রাজার গদি যখন যায় নড়ে, চামচা তখন প্রলাপ বকে!
- মাঠে ইলোন মাস্ক, আবার মোদিকে ঘেরাও
- আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা, জেনে নিন দিনের পূর্বাভাস
- ডিএসইর দুই সূচক নিয়ে নতুন তথ্য, অক্টোবরে থাকছে অপরিবর্তিত
- সম্পত্তি পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত উত্তরা ফাইন্যান্সের
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের আজকের দাম একনজরে
- স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে নেওয়ার অভিযোগ, চিকিৎসকের মামলায় নতুন মোড়
- সরকারি স্কুলে ভর্তি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত, কোন শ্রেণিতে কী পদ্ধতি
- নিরাপদ কার্ড লেনদেনে নতুন উদ্যোগ দুই ব্যাংকের
- ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকা দিল সোনালী ব্যাংক
- জামায়াতের নারী প্রার্থী না দেওয়ার নেপথ্যে ব্যাখ্যা দিলেন নারী সংসদ সদস্য
- শেয়ারবাজারের ব্যাংককে বাঁচাতে সাত হাজার কোটি টাকার সহায়তা
- জামায়াত আমিরের রহস্যময় পোস্ট ঘিরে তোলপাড়
- একযোগে সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন তিন নারী কূটনীতিক
- মোদির মন্ত্রিসভা ছাড়লেন এক প্রতিমন্ত্রী
- পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১৭ দেশের মুদ্রা, বিপুল সোনা-রূপা
- বিএসইসির নতুন মাস্টারপ্ল্যানে মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন দিন বদলের সুর
- বঙ্গোপসাগরে আসছে ১৪ নতুন খেলোয়াড়
- ব্যাংক কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাত, নিয়ে গেলেন টাকা!
- ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাব দিলেন জামায়াত আমির
- সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্য নির্ধারণ, জেনে নিন বিস্তারিত
- বিমানবন্দরের ঘটনার পর ইউনূসকে নিয়ে মেঘনা আলমের পোস্ট
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ৬ কোম্পানি
- স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগেও নতুন সিদ্ধান্ত বিএসইসির
- ডিভিডেন্ডের অর্থ জমা ও ব্যাংক প্রত্যয়নপত্র নিয়ে কঠোর হচ্ছে বিএসইসি
- শেয়ারবাজারে আস্থার সংকট, বর্তমান কমিশন পরিবর্তনের দাবি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ৮ কোম্পানি
- দুর্গাপূজার লম্বা ছুটির সূচিতে ডিএসইর লেনদেনের নতুন সময়সূচি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে সাত কোম্পানি
- অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- নাহি অ্যালুমিনিয়ামের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের জালে ফেঁসে যাচ্ছে তালিকাভুক্ত কয়েক কোম্পানি
- ডরিন পাওয়ারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণার খবরে দুই শেয়ারে উল্লম্ফন, দুই শেয়ারে পতন
- চলতি সপ্তাহে আসছে ১৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বাংলাদেশের গানের সুরে এবার উত্তাল ভারত
- পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান-এমডির বিরুদ্ধে ২১১ কোটি অনিয়মের অভিযোগ
- বিএসইসির নতুন মাস্টারপ্ল্যানে মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন দিন বদলের সুর
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ৬ কোম্পানি
- ফারইস্ট নিটিংয়ের ডিভিডেন্ড ঘোষণা













