×
ঢাকা, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর ভারত না যাওয়ার ঘোষণায় বিদ্যুৎ নিয়ে তালবাহানা

২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৩ ০৬:৩৬:২৩
প্রধানমন্ত্রীর ভারত না যাওয়ার ঘোষণায় বিদ্যুৎ নিয়ে তালবাহানা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ারের গড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ হঠাৎ কমিয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একটি বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, এই সরবরাহ হ্রাসের নেপথ্যে নিছক কারিগরি সমস্যা নাকি অন্য কোনো কারণ কাজ করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আদানি পাওয়ারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কয়লা সরবরাহে সংকট এবং বয়লারের অভ্যন্তরীণ কারিগরি সমস্যার কারণেই মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্যমতে, কারিগরি এই ত্রুটির কারণে উৎপাদন নেমে এসেছে ৭৫০ মেগাওয়াটে।

তবে আলোচিত বিশ্লেষণে অনেকেই বিষয়টিকে নিছক কারিগরি ত্রুটি হিসেবে মানতে নারাজ। এতে বলা হয়েছে—বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পরপরই এই সরবরাহ বিঘ্নের ঘটনা ঘটে, যা কারও কারও কাছে "কূটনৈতিক চাপ" হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।

১৭৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার কেন্দ্রে এমন আকস্মিক ও বড় মাত্রার উৎপাদন হ্রাসকে বিশ্লেষণে "অস্বাভাবিক" বলে উল্লেখ করা হয়েছে, এবং একে স্বাভাবিক যান্ত্রিক গোলযোগ হিসেবে মানতে নারাজ অনেকে বলে দাবি করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, সরকার যখন নিয়মিতভাবে আদানির পাওনা পরিশোধ করছে, ঠিক তখনই কেন এমন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে— এই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে "কূটনৈতিক ট্রামকার্ড" হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এটি যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের বহিঃপ্রকাশ— তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। বিদ্যুৎকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা বাংলাদেশের জন্য অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মুয়াজ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ খবর

আন্তর্জাতিক - এর সব খবর



রে