×
ঢাকা, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর, ১০ টাকায় পার্সেল পাঠানোর সুবিধা

২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৭ ১৪:৪৩:২৬
ব্যবসায়ীদের জন্য সুখবর, ১০ টাকায় পার্সেল পাঠানোর সুবিধা

নিজস্ব প্রতিবেদক : পণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দ্রুত, নিরাপদ ও কম খরচে পাঠানো এখন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, অনলাইন ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করেন এমন উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে কুরিয়ার খরচ অনেক সময় ব্যবসার মোট ব্যয়ের বড় অংশ হয়ে দাঁড়ায়। এমন পরিস্থিতিতে তুলনামূলক কম খরচে পার্সেল পরিবহনের সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ।

‘আজ বুকিং, আগামীকাল ঢাকা এবং ৪৮ ঘণ্টায় সারা বাংলাদেশ’—এই লক্ষ্য সামনে রেখে ডাক বিভাগের স্পিডপোস্ট পার্সেল সেবা চালু রয়েছে। সরকারি এই সেবায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পণ্য পাঠানোর পাশাপাশি পার্সেল কোথায় রয়েছে, সেটিও প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্র্যাক করার সুযোগ রয়েছে।

ডাক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশের যেকোনো প্রান্তে প্রথম ১ কেজি ওজনের পার্সেল পাঠাতে চার্জ মাত্র ১০ টাকা। এরপর অতিরিক্ত প্রতি কেজির জন্য যোগ হবে মাত্র ৫ টাকা।

স্পিডপোস্টে একটি পার্সেলের সর্বোচ্চ ওজন ৩০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। ফলে ছোট পণ্য থেকে শুরু করে তুলনামূলক ভারী বিভিন্ন পণ্যও এই সেবার মাধ্যমে পাঠানোর সুযোগ রয়েছে।

ডাক বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শুকনা খাদ্যসামগ্রী, মধু, তেলসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য গ্রাহকেরা ইতোমধ্যে স্পিডপোস্টের মাধ্যমে পাঠাচ্ছেন। অনলাইনভিত্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনাকারীদের জন্যও এই সেবা বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে।

ডাক বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গন্তব্য ও পরিবহন ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে পার্সেল পৌঁছানোর সময় নির্ধারিত হয়।

জেলা শহর থেকে ঢাকায় পাঠানো পার্সেল সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে। এক জেলা শহর থেকে অন্য জেলা শহরে পার্সেল পৌঁছাতে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

অন্যদিকে প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে পার্সেল পৌঁছাতে সর্বোচ্চ ৯৬ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে বিভিন্ন জেলা শহরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য আনা-নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তবে প্রান্তিক ও দূরবর্তী জেলা-উপজেলায় বর্তমানে বেশি সময় লাগলেও ভবিষ্যতে সেই সময় আরও কমানোর চেষ্টা চলছে।

শুধু কম খরচ নয়, স্পিডপোস্ট সেবায় প্রযুক্তিনির্ভর ট্র্যাকিং সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে। ফলে বুকিংয়ের পর গ্রাহক তার পার্সেল বর্তমানে কোথায় রয়েছে, সে সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন।

এতে অনলাইন ব্যবসায়ী ও গ্রাহক উভয়ের জন্য পার্সেলের অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ হবে। বিশেষ করে মূল্যবান বা জরুরি পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে ট্র্যাকিং সুবিধা বাড়তি নিশ্চয়তা দিতে পারে।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে