ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

শাহে আলম ও পরিবারের নামে ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

২০২৬ জুন ১৯ ১৯:৪৮:০৮
শাহে আলম ও পরিবারের নামে ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, তার স্ত্রী ও পরিবারের নামে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে দাবি করেছে বিএনপি মিডিয়া সেল। শুক্রবার (১৯ জুন) এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

পোস্টে বলা হয়, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ–মোকামতলা) আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে একটি আধা-সরকারি (ডিও) চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি তার বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব গ্রহণ না করার অনুরোধ জানান।

চিঠির বরাত দিয়ে বিএনপি মিডিয়া সেল দাবি করে, দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন ব্যক্তি নিজেদের উদ্যোগে তার নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নামকরণের প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন, যা তিনি অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মনে করেন। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান নাম, ঐতিহ্য ও পরিচিতি সংরক্ষণের পক্ষে মত দেন।

চিঠিতে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শিবগঞ্জ–মোকামতলা এলাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে জমি দান, জমি ক্রয়, প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যয় বহন এবং পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছেন। তার সহযোগিতায় ১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা বা উন্নয়ন করা হয়েছে।

বিএনপি মিডিয়া সেলের পোস্টে উল্লেখ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে মীরবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড বিএম মহাবিদ্যালয়, তিয়াইল মীর লাবনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম মৎস্য ও কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, বেতগাড়ি মীর মাহাতাব–শাহে আলম মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, মোকামতলা মীর শাহে আলম–ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয়, কিচক মীর শাহে আলম কলেজ এবং বেতগাড়ি মীর শাহে আলম ভেটেরিনারি ইনস্টিটিউট।

পোস্টে আরও বলা হয়, চিঠির শেষাংশে প্রতিমন্ত্রী অনুরোধ করেন, বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে তার বা পরিবারের সদস্যদের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণ বা নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব যেন অনুমোদন না করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

চিঠির অনুলিপি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে