ঢাকা, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

সংরক্ষিত আসনে বিপাকে মনিরা শারমিন!

২০২৬ এপ্রিল ২২ ১৩:৪৮:৪৪
সংরক্ষিত আসনে বিপাকে মনিরা শারমিন!

নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল)। নির্ধারিত এদিনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে এর মধ্যেই আইনি জটিলতায় পড়েছেন এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন।

জানা গেছে, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের নির্ধারিত সময়সীমা পূরণ না করেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় তার প্রার্থিতা বাতিলের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে করে ১১ দলীয় জোট একটি আসন হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ কোনো সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসরের পর অন্তত তিন বছর পার না হলে কেউ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বিধান সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

এদিকে, জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেছেন মাত্র চার মাস আগে, অর্থাৎ ডিসেম্বর ২০২৫-এ। অথচ আইনি শর্ত অনুযায়ী এই সময়সীমা হতে হবে অন্তত ৩৬ মাস।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জামায়াত জোট নির্ধারিত সময়ে ১৩টি আসনের বিপরীতে ১৩ জন প্রার্থীর তালিকা জমা দেয়। তবে কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলে সংশ্লিষ্ট আসনটি সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। এ অবস্থায় নতুন করে ভোট হলে সুবিধা পেতে পারে ক্ষমতাসীন বিএনপি।

বর্তমানে সংসদে বিএনপি জোটের আসনসংখ্যা বেশি থাকায়, ওই আসনটি উন্মুক্ত হলে তাদের আসন সংখ্যা ৩৬ থেকে বেড়ে ৩৭ হতে পারে। বিপরীতে জামায়াত জোটের আসন সংখ্যা ১৩ থেকে কমে ১২-তে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে জোট সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ আশাবাদী কণ্ঠে বলেছেন, ‘মনোনয়নপত্র বাতিল হবে না বলেই আমরা বিশ্বাস করি।’

অন্যদিকে মনিরা শারমিন দাবি করেছেন, কৃষি ব্যাংক একটি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং তার পদটি রাষ্ট্রের কোনো লাভজনক পদ ছিল না। এছাড়া তিনি যুক্তি দেন, এটি সরাসরি নির্বাচন নয়, বরং দলীয় মনোনয়ন হওয়ায় আইনের বিষয়টি এতটা কঠোরভাবে প্রযোজ্য নয়।

সিরাজ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে