সুকুক চালুর আগে বেক্সিমকোর রাজস্বে উল্লম্ফন, তারপরই ধস
সুকুক চালুর আগে বেক্সিমকোর রাজস্বে উল্লম্ফন, তারপরই ধস
নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের ফ্ল্যাগশিপ প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো লিমিটেড ২০২১-২২ অর্থবছরে যেন আলাদিনের চেরাগ পায়। মাত্র দুই বছরেই কোম্পানিটির রাজস্ব ১ হাজার ৯৮২ কোটি টাকা থেকে আকাশচুম্বী হয়ে পৌঁছায় ৭ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকায়।
২০২১-২২ অর্থবছরেই বেক্সিমকো তাদের ২০০ মেগাওয়াট তিস্তা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, ৩০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং টেক্সটাইল শিল্পের আরো যন্ত্রপাতির অর্থায়নের জন্য প্রথম সুকুক বন্ড চালু করে।
এই বন্ডে বিনিয়োগকারীদের চাহিদা প্রসঙ্গে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বেক্সিমকোর কথিত এই ‘ব্যবসায়িক পারদর্শিতা’ ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করেন সালমান, এতে কোম্পানির শেয়ারদরও বাড়ে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা ২০২১ সালের শেষে বাজার থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা সুকুকের মাধ্যমে উঠিয়ে নেন। এর এরপর থেকেই বেক্সিমকোর সেই অত্যাশ্চর্য পারফরম্যান্সও যেন উবে যায়। এমনকী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সালমানের পুরো দুনিয়া উল্টে যাওয়ার আগে থেকেই কোম্পানিটির বিক্রি ও মুনাফায় ধস নামে।
বেক্সিমকো লিমিটেডের বিক্রি বা রাজস্ব ২০২২-২৩ অর্থবছরে সামান্য হ্রাসের কথা জানালেও, পরের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই তা ৬৩ শতাংশ কমার কথা জানায় কোম্পানিটি। আর মুনাফায় পতন হয় ৯০ শতাংশ।
এতে করে যে শেয়ারদর মাত্র ২৬ মাসেই ১৪ টাকা থেকে বেড়ে ১৮০ টাকা ছাড়িয়েছিল– এখন তা ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা দরে রয়েছে ফ্লোর প্রাইসের কৃত্রিম বাধার কারণে। ফ্লোর প্রাইস বা মূল্যসীমা উঠে যাওয়া মাত্রই কোম্পানিটির শেয়ারদরও ধস নামার অপেক্ষায় রয়েছে।
অতিরঞ্জন ও কারসাজি
কোম্পানিটির চেয়ারম্যান ২০২০-২২ সময়ে শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বিবৃতিতে বারবার কোম্পানির রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধিসহ অন্যান্য নানান অগ্রগতির কথা বলেছেন, যা পিপিই'র সম্ভাবনাকে আরো বাড়াবে। বিনিয়োগকারীদের প্রলুদ্ধ করতে এসব বলা হয়।
তবে এসব বিবৃতিতে টেক্সটাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল বা অন্যান্য কোন খাত থেকে কত বিক্রি বা রাজস্ব আসছে তা জানানো হয়নি। এমনকি কোম্পানির রপ্তানি বা স্থানীয় বিক্রির (রাজস্বের) পৃথক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। অথচ শেয়ারবাজারের পাবলিক ট্রেডিংয়ে থাকা সব শিল্পগোষ্ঠী এসব বিবরণ প্রকাশ করে থাকে।
বিনিয়োগকারীদের অন্ধকারে রাখতে বছরে ৪০ থেকে ৫০ কোটি ডলারের রপ্তানি করার যে দাবি সালমান এফ রহমান করেছিলেন সেটির স্বপক্ষে কোনো স্পষ্ট ও বিস্তারিত তথ্যপ্রকাশ করেনি বেক্সিমকো লিমিটেড। যা করা হলে প্রবৃদ্ধির বানোয়াট কাহিনির আড়ালে প্রকৃতপক্ষে বিনিয়োগকারীরা কতটুকু লাভবান হবেন তা তারা জানতে পারতেন। তবে বুদ্ধিমান বিনিয়োগকারীরা এসব কাহিনিকে বরাবরই সন্দেহের চোখে দেখেছেন।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং চার্টার্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট মো. মনিরুজ্জমান বলেন, বছরের পর বছর ধরে অনেক কোম্পানি একত্রিত করে বেক্সিমকো লিমিটেড একটি জটিল কাঠামো পেয়েছে, এবং সেগমেন্টাল ব্রেকডাউন (খাতভিত্তিক ব্যাখ্যা) ছাড়া এর রিপোর্টিং স্বচ্ছ নয়।
আমরা বিশ্লেষক হিসাবে তালিকাভুক্ত সেইসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিতে শিখেছি যাদের একই ধরনের ব্যবসার জন্য স্পন্সর-পরিচালকদের একাধিক সত্তা রয়েছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এসব প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের খেয়ালখুশির ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হন। তখন সাধারণ বিনিয়োগকারী ঠকবেন না জিতবেন– তা নির্ভর করে উদ্যোক্তাদের মর্জির ওপর।
২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বেক্সিমকো লিমিটেডের রপ্তানির কাস্টমস মূল্যায়ন ছিল মাত্র ৪০ কোটি টাকা। ফলে রপ্তানির বিষয়ে কোম্পানির চেয়ারম্যানের দেওয়া ইতিবাচক বিবৃতি যেসব বিনিয়োগকারী পড়েছেন– তাঁদের ভ্রু-কুঞ্চিত হওয়ারই কথা।
গ্রুপের হাজার হাজার রপ্তানি চালানের মধ্যে মাত্র ৫৭টি ছিল বেক্সিমকো লিমিটেডের। জানা গেছে, গোপনে রপ্তানি আয় নিজেদের পকেটে ভরতে সালমান ও তার সহযোগীদের মালিকানায় ছিল অন্তত ৩১টি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান, যারা বিজিএমইএ'র সদস্য। এরমধ্যে ৩০টি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নেওয়া হয়েছে সারাবো, কাশিমপুর, গাজীপুরে তাদের কারখানার ঠিকানা থেকে, যেখানে বেক্সিমকো শিল্প পার্ক অবস্থিত।
গত ১৮ সেপ্টেম্বরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এধরনের ১৭টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৮৩ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগে সালমান এফ রহমানসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা করেছে।
তবে বেক্সিমকোর কর্মকর্তাদের দাবি, আর্থিক দুরবস্থায় থাকা বিদেশি বায়ারদের কাছে এসব প্রতিষ্ঠানের ১৩৫ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় আটকে ছিল, তবে বায়াররা এরমধ্যেই কিস্তিতে ৫০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছিল, বাংলাদেশ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে পোশাক রপ্তানিতে ২.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। পরে জানা যায়, ইপিবি রপ্তানির তথ্য বাড়িয়ে দেখিয়েছে, ফলে বছরওয়ারি হিসেবে প্রকৃতপক্ষে রপ্তানি কিছুটা কমেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নতুন চালু হওয়া সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কয়েকশ কোটি টাকা আয়ের পরেও বেক্সিমকোর রাজস্ব ৬৩ শতাংশ ছিল। তাদের বিনিয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা। এর জন্য করোনা মহামারি পরবর্তী সময় ও ইউক্রেন যুদ্ধকে দায়ী করেন বেক্সিমকোর কোম্পানি সচিব আসাদ উল্লাহ।
এসব সংকট তাদের ব্যবসা কমার পেছনে দাবি করে তিনি বলেন, ‘কঠিন সময়ে প্রবৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করা হলে তাতে হিতে-বিপরীত হতে পারে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং ও ইনফরমেশন সায়েন্সের সহযোগী অধ্যাপক ও শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ আল আমিন বলেন, ‘ওই সময়ে বেক্সিমকোর একটি উজ্জ্বল চিত্র সবার সামনে তুলতে সালমানের আপ্রাণ চেষ্টা এবং শেয়ারবাজারে দর উত্থানের পুরো বিষয়টি এখন স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে।’
সালমান ও তার গোপন কোম্পানিগুলো এবং সহযোগীদের মাধ্যমে কীভাবে কারসাজি করে বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারদরের ব্যাপক উল্লম্ফন ঘটান, আবার বিক্রিতে ব্যাপক মুনাফা করেন তা ডিএসইর সার্ভেইল্যান্স রিপোর্টে উঠে এসেছিল। তবে সালমানের ঘনিষ্ঠ মিত্র শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, বিএসইসির চেয়ারম্যান থাকার সময়ে এই প্রতিবেদনটি ধর্তব্যেই নেননি।
ঢাবির একাউন্টিং ও ইনফরমেশন সায়েন্সের সহযোগী অধ্যাপক বলেন, কোম্পানির শেয়ারদর উচ্চ থাকা সালমানের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এটা দেখিয়েই তিনি তার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুকুক বন্ডে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করেন। শেখ হাসিনার সরকার এই প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ কেনার দাম সর্বোচ্চ রেখে প্রতি মেগাওয়াটে ১৫ সেন্ট নির্ধারণ করেছিল।
আল আমিন বলেন, একই ধরনের অন্য প্রকল্প থেকে সরকার যখন মাত্র ১০ সেন্টেই বিদ্যুৎ কিনেছে, তখন কেন এই প্রকল্পের বিদ্যুৎ এমন আকাশচুম্বী দরে কিনতে হবে– আমি তার কোনো যুক্তি খুঁজে পাই না। এমনকী বাংলাদেশের সমকক্ষ অন্যান্য অর্থনীতির সৌরবিদ্যুতের চেয়ে এই দাম অনেক বেশি।
দশকের পর দশক ধরে একই নিরীক্ষক
সালমান এফ রহমানের কোম্পানিটি এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোম্পানি নামের কেবল একটি নিরীক্ষক সংস্থাকেই দশকের পর দশক ধরে টানা ব্যবহার করে এসেছে। অথচ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) টানা তিন বছর একই নিরীক্ষকের সই করা বার্ষিক প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে নিষেধ রয়েছে।
সুকুক বন্ড কিনতে চাপ
বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসির মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে চাপ দিয়ে সুকুক বন্ড কিনতে বাধ্য করেন সালমান রহমান।
দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেছিলেন, ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার ব্যাংককে ৩০০ কোটি টাকার সুকুক বন্ড কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল। আরো অনেক প্রতিষ্ঠানেরও একই অভিযোগ রয়েছে।
শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের একজন প্রধান নির্বাহী বলেন, কম-মূল্যায়িত মনে করে প্রথমে তারা প্রায় ২০ টাকায় বেক্সিমকোর প্রতিটি শেয়ার কিনেছিলেন। কিন্তু মাত্র এক বছরের কম সময়ে শেয়ারদর যখন ১০০ টাকায় পৌঁছায়, তখন তারা বিক্রির চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু, সালমান ও বিএসইসির কর্মকর্তাদের চাপের মুখে সেগুলো তারা ধরে রাখতে বাধ্য হন।
তিনি বলেন, কিছু শেয়ার আমাদের বাইব্যাক (বিক্রির পর আবারো কিনে নিতে) করতে হয়। কথিত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ধুয়া তুলে আমার কোম্পানিকে হয়রানি করা হয়। এখন তার প্রতিষ্ঠান ও তাদের গ্রাহকদের অনেকেই বিপুল সংখ্যক বেক্সিমকোর শেয়ার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন, কারণ ফ্লোরপ্রাইসের কারণে বিক্রি করে বেরিয়েও যেতে পারছেন না। বিনিয়োগকারীদের দুর্ভাগ্য।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পাঁচ বছর মেয়াদি সুকুক বন্ডের স্কিম এমনভাবে করা হয়– যাতে সালমান এফ রহমান লাভবান হন, অন্যদিকে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে বিনিয়োগকারীরা।
সুকুকের শর্ত অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো এক মাসের গড় বাজার মূল্যের ২৫ শতাংশ ছাড়ে বার্ষিক তাদের মূলধনের ২০ শতাংশ বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারে রূপান্তর করতে পারবে। অর্থাৎ, বেক্সিমকো শেয়ারের গড় মূল্য ১০০ টাকা হলে বিনিয়োগকারীরা সেগুলো ৭৫ টাকায় কিনতে পারবে।
চালুর সময় সুকুক খুবই আকর্ষণীয় সুযোগ অফার করে, যেখানে কুপন পেমেন্ট ছিল ন্যূনতম ৯ শতাংশ। আর বেক্সিমকো যদি কখনো ৯ শতাংশের বেশি ডিভিডেন্ড দেয় তাহলে কুপনের সাথে ১০ শতাংশ ডিফারেন্সিয়াল যোগ হবে। তবে ফ্লোর প্রাইস আরোপের কারণে সুকুকের পুরো ধারণাটি ভেঙে যায়, যার ফলে বিনিয়োগকারীদের জন্য বন্ডটি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
সুকুকের আল ইসতিসনা ইউনিট শুরুতে ১০০ টাকায় লেনদেন হয়েছিল, জুলাইয়ের শেষে যা ৭৫ টাকায় নেমে আসে, আর এখন নেমেছে ৪০ থেকে ৫৩ টাকায়।
এর অংশীজনদের দাবি, সালমান ও শিবলী মিলে ইস্যু ম্যানেজার, ট্রাস্টি ও বিনিয়োগকারীদের চাপ দিয়ে এই বন্ড চালুর পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। এই বছরের শুরুর দিকে, আরেকটি জিরো কুপন বন্ডের মাধ্যমে বেক্সিমকোকে ১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদনও দেয় বিএসইসি।
তারিক/
পাঠকের মতামত:
- ব্রোকারেজের সফটওয়্যারে কারসাজি ঠেকাতে বিএসইসির আকস্মিক পরিদর্শন
- শেয়ারবাজারে টানা দরপতনে বিক্ষোভ, বিনিয়োগকারীদের পাঁচ দাবি
- তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির ঋণমান প্রকাশ
- প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের প্রয়াত পরিচালকের শেয়ার হস্তান্তর
- এমটিবির মৃত স্পনসরের শেয়ার নমিনিদের কাছে হস্তান্তর
- প্রায় ৯ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
- বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগের অভাবে কাটছে না শেয়ারবাজারের দুর্দশা
- ২৫ আগস্ট ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- ২৫ আগস্ট লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৫ আগস্ট দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৫ আগস্ট দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ডের পথে বাজার? জানুন আজকের দর
- মমতাকে নিয়ে শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য
- ইজিএমের ব্যবসায়িক প্রস্তাবে পরিবর্তন আনল সিটি ব্যাংক
- আসামির গায়ে যে শার্ট, একই শার্ট পুলিশের! যা বললেন কর্মকর্তা
- পে-স্কেল নিয়ে দুই ধাপের গুঞ্জন, এবার মুখ খুললেন অর্থমন্ত্রী
- ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে তুমুল বিতর্ক, প্রমাণ দেখাতে বললেন হাসনাত
- কয়েল-মশারি নয়, এবার মশা মরবে লেজারের গুলিতে!
- পরিচালক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সিটি ব্যাংক
- অবশেষে প্রকাশ হলো এসএসসি রুটিন
- বাড়ি দখল নিয়ে তুমুল বিতর্ক, বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে বড় সিদ্ধান্ত
- রংপুরে ৪ খুন নিয়ে নতুন তথ্য দিলো ফরেনসিক বিভাগ
- ‘সার্ভার নষ্ট’ বলে যা করতেন ব্যাংককর্মীরা, তদন্তে বেরিয়ে এলো ভয়ংকর তথ্য
- ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা
- নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীরবতায় দরপতনের গভীরতা বাড়ছে শেয়ারবাজারে
- দুই কোম্পানির শীর্ষ পদে নতুন দায়িত্বে তিনজন
- ডিএসইর তদন্তের সাড়া দিচ্ছেনা তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- মার্জিন ঋণগ্রহীতাদের শেয়ার তথ্য চেয়েছে রূপালী লাইফ
- ২০ লাখে ৯০%, ৩০ লাখে ৮৫%—আমানত ফেরতের নতুন হিসাব
- ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ৪৪০ গ্রেফতার, উদ্ধার পিস্তল-গ্রেনেডসহ যা যা
- কুমিল্লা সেনানিবাসে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প জিবিবি পাওয়ারের
- বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্যকে সরানো হলো, সামনে এলো যে কারণ
- একাদশে ভর্তিতে কোটা থাকছে ৭%, মাইগ্রেশনেও থাকছে বড় সুযোগ
- মোদী-ট্রাম্প বৈঠকে ৫০ ক্যামেরা, এক প্রশ্নেই বদলে গেল পুরো পরিস্থিতি
- প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে প্রস্তুতি শুরু, সঙ্গে থাকছে একাধিক কর্মসূচি
- ‘আমার জীবনের শেষ সম্বলটাও শেষ হয়ে গেলো’
- কারামুক্ত ‘ভাইরাল মিজান’, বের হয়েই দিলেন বড় হুঁশিয়ারি
- এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যানকে বিশ্বব্যাংকে বড় দায়িত্ব দিল সরকার
- ৫ পরিচালকের ওপর ১০০ কোটি টাকার জরিমানা
- গহনা কিনতে যাওয়ার আগে দেখে নিন আজকের স্বর্ণ-রুপার দাম
- হঠাৎ শেয়ারের অস্বাভাবিক লেনদেন ও দাম, তদন্তে ডিএসই
- ছোট ব্রোকারদের দাপটে আটকে যাচ্ছে শেয়ারবাজার সংস্কার
- পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা হলেন অতিরিক্ত আইজিপি
- মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, স্বস্তি শ্রমিক-এজেন্টদের
- ছয় মাস কারখানা লে-অফের সিদ্ধান্ত ফুয়াং ফুডের
- বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বাজার অস্থির, কমিশনের সামনে এখন দুই পথ
- ২৩ আগস্ট লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৩ আগস্ট দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৩ আগস্ট দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- প্রায় সাড়ে ৫ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
- ব্যক্তিগত হেলিকপ্টারের দাম কত, এক ঘণ্টায় তেল লাগে কত?
- চার মহিষকে তিন মাস কাদায় রাখলেন কেন, জানালেন মালিক
- বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বাজার অস্থির, কমিশনের সামনে এখন দুই পথ
- হঠাৎ শেয়ারের অস্বাভাবিক লেনদেন ও দাম, তদন্তে ডিএসই
- এক প্রজ্ঞাপনেই বদলে গেল ব্যবস্থাপনা, নতুন চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক
- বিমান মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের নেপথ্য কারণ জানালেন মিল্লাত
- ২০ লাখে ৯০%, ৩০ লাখে ৮৫%—আমানত ফেরতের নতুন হিসাব
- ৫ পরিচালকের ওপর ১০০ কোটি টাকার জরিমানা
- খাসির পর এবার কাবিনের ফর্দনামা, জাপানপ্রবাসীর ঘটনায় নতুন মোড়
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ২ কোম্পানি
- কারামুক্ত ‘ভাইরাল মিজান’, বের হয়েই দিলেন বড় হুঁশিয়ারি
- ছয় মাস কারখানা লে-অফের সিদ্ধান্ত ফুয়াং ফুডের
- কোম্পানির ক্রয়, মজুত ও মুনাফায় গরমিল, তদন্তে নিয়ন্ত্রক সংস্থা
- কারখানা বন্ধ, মালিকানা বদলও নয়—তারপরও শেয়ার দরে বড় ঝড়
- ৭ ধরনের আয় থাকলে আয়কর রিটার্ন দিতে হবে
শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর
- ব্রোকারেজের সফটওয়্যারে কারসাজি ঠেকাতে বিএসইসির আকস্মিক পরিদর্শন
- শেয়ারবাজারে টানা দরপতনে বিক্ষোভ, বিনিয়োগকারীদের পাঁচ দাবি
- তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির ঋণমান প্রকাশ
- প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের প্রয়াত পরিচালকের শেয়ার হস্তান্তর
- এমটিবির মৃত স্পনসরের শেয়ার নমিনিদের কাছে হস্তান্তর









