অবশেষে পাঁচ শীর্ষ ব্যবসায়ীর কর ফাঁকির তদন্তে এনবিআর
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে প্রায়ই শোনা যায় দেশের কিছু শীর্ষ ব্যবসায়ী বড় আকারে কর ফাঁকি দিয়ে আসছে। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তারা প্রভাব খাটিয়ে অনৈতিকভাবে নানা সুবিধা ভোগ করেছেন। তবে ওই ব্যবসায়ীদের হাত এতো লম্বা ছিল যে, এনবিআর সাহস করে কর ফাঁকি দেওয়া ওই ব্যবসায়ীদের নাম পর্যন্ত বলতে পারতো না। ব্যবস্থাতো দুরের কথা।
সরকারের পট পরিবর্তনের পর আলোচিত ওইসব ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধ নড়েচড়ে বসেছে এনবিআর। বড় বড় গ্রুপ অব কোম্পানির কর্ণধারদের কর ফাঁকি তদন্তে মাঠে নামছে প্রতিষ্ঠানটি।
এরই ধারাবাহিকতায় দেশের অন্যতম বড় শিল্পগ্রুপ বেক্সিমকো, বসুন্ধরা, সামিট, নাসা এবং ওরিয়নের মালিকানা পরিবারের সদস্যদের লেনদেনের তথ্য চেয়ে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এনবিআর কর্তৃক বৃহস্পতিবার পাঠানো বলা হয়েছে, বিভিন্ন উপায়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির বিশেষ অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)।
চিঠিতে বলা হয়, বর্তমান সময়ে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ পর্যালোচনা এবং সুনির্দিষ্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাব্য কর ফাঁকিবাজদের তালিকা সম্পন্ন করেছে। পর্যায়ক্রমে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আয়কর আইন, ২০২৩ ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ফাঁকি দেয়া কর উদ্ধারের পাশাপাশি শাস্তিমূলক কার্যক্রম নেয়া হবে।
চিঠিতে জানানো হয়, এরই ধারাবাহিকতায় বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমান, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান ওবায়দুল করিম এবং এদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আয়কর ফাঁকির তথ্য অনুসন্ধানে বা উদ্ঘাটনে এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
চিঠির তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, সঞ্চয় অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পত্র পাঠানো হয়েছে। সিআইসি কর্তৃক পরিচালিত এ বিশেষ অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সালমান এফ রহমান
বেক্সিমকোর ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান সদ্য পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে তার বিরুদ্ধে আর্থিক খাত ও শেয়ারবাজারে নজিরবিহীন দুর্নীতি, লুটপাট, জালিয়াতি ও টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সালমান এফ রহমান গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। আন্দোলনের পেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রভাবশালী এ ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আন্দোলনের সময় হকার শাহজাহানকে হত্যার অভিযোগে নিউ মার্কেট থানার হত্যা মামলায় তাকে রিমান্ডেও নেয় পুলিশ। সে সময় পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়, ১২টি দেশের মুদ্রা নিয়ে দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টায় ছিলেন সালমান।
ব্যাংকিং খাতের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি আর লুটপাটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বেক্সিমকো গ্রুপ এবং সালমান এফ রহমান। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ঋণের নামে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপ একাই ফোকলা করে দিয়েছে জনতা ব্যাংককে। গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে হাতিয়ে নেয়া হয় ২৫ হাজার কোটি টাকা। মানা হয়নি একক ঋণগ্রহীতার সীমাও। বিপুল অর্থ করায়ত্তে আনতে এক মাসেই ৮টি নতুন কোম্পানি খোলা হয়। বাধা না দিয়ে উল্টো অনিয়মে সহায়তা করেন সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। জনতা ব্যাংক মোট ঋণ বিতরণ করেছে ৯৮ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে বেক্সিমকো গ্রুপ একাই নিয়েছে ২৫ হাজার কোটি টাকা। যা ব্যাংকটির বিতরণ করা ঋণের এক চতুর্থাংশের বেশি (২৫ দশমিক ৫১%)। লঙ্ঘন হয়েছে একক ঋণগ্রহীতার সীমাও। এসব ঋণের বড় অংশই এখন খেলাপি হওয়ার পথে। ফলে জনতা ব্যাংক ঝুঁকিতে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে বেক্সিমকো গ্রুপের ঋণ ছিল ২ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। ২০২০ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় সাড়ে ৬ হাজার কোটিতে। পরের সাড়ে ৩ বছরে ঋণ বেড়েছে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা। ঋণ নিতে এক বছরে নতুন কোম্পানি খুলেছে ৯টি। এক মাসেই খোলা হয় ৮টি। প্রভাব খাটিয়ে এসব নতুন কোম্পানির নামে ঋণ নিয়েছেন সালমান এফ রহমান।
আহমেদ আকবর সোবহান
বহুল আলোচিত-সমালোচিত বসুন্ধরা গ্রুপের আহমেদ আকবর সোবহানের বিরুদ্ধে জমি দখল, নানা খাতে অনিয়মের মাধ্যমে সুবিধা নেয়া ও অর্থ পাচারের সুবিধা নেয়ার অভিযোগ আছে। তার নানা দুর্নীতি, সরকারি খাসজমি ও ভাওয়াল এস্টেটের জমি দখলসহ বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পেয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা। অভিযোগ রয়েছে, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলমের বিরুদ্ধে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাতের পৃথক দুটি অভিযোগ রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)।
তিনি দেশের বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত জামানত না রেখে বিঘাপ্রতি ২০-২৫ লাখ টাকায় কেনা জমি; কাঠাপ্রতি ৩ কোটি টাকা দাম দেখিয়ে ৪২ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ নিয়েছেন। এসব ঋণের বেশির ভাগ অর্থ পাচার করা হয়েছে দুবাই, সিঙ্গাপুর, সাইপ্রাস, লন্ডন, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে। বসুন্ধরা গ্রুপের সিঙ্গাপুর অফিস দেখাশোনা করছেন শাহ আলমের বড় ছেলে সাদাত সোবহান তানভীর। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে একের পর এক প্রকল্প দেখিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলেও সেসব ঋণ পরিশোধ করা হচ্ছে না।
নজরুল ইসলাম মজুমদার
নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধেও আর্থিক খাতে লুটপাট ও অনৈতিক সুবিধা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের কয়েকদিন আগেও ব্যবসায়ীদের নিয়ে শেখ হাসিনার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। তবে শেখ হাসিনা সরকারের পতনে তিন-চার দিন আগে তিনি বিদেশে পালিয়ে যান।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় দশকে ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক প্রভাবশালী ছিলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার। তিনি এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও নাসা গ্রুপের কর্ণধার। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় পুরো মেয়াদেই তিনি বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবির চেয়ারম্যান ছিলেন। সেই সুযোগে ব্যাংক ব্যবস্থাকে নিজের মতো ব্যবহার করেছেন। তার বিরুদ্ধে বন্ড সুবিধার অপব্যবহার ও আমদানি-রপ্তানির আড়ালে অর্থ পাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ক্ষমতার দাপটে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে সীমার অতিরিক্ত শত শত কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন তিনি।
নজরুল ইসলাম মজুমদার সরকারি-বেসরকারি অন্তত ১৩টি ব্যাংকে নাসা গ্রুপ ও এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়েছেন। এর মধ্যে আটটি ব্যাংক থেকে সীমার অতিরিক্ত ঋণ নেয়া হয়েছে। সেখান থেকে শত শত কোটি টাকা নগদে উত্তোলন করেছেন। যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশে কমপক্ষে ২১০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব কাজে নিজের মালিকানাধীন এক্সিম ব্যাংককে ব্যবহার করেছেন।
আজিজ খান
শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান। তিনি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ‘কুইক রেন্টাল’ নামে বহুল বিতর্কিত ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী ব্যক্তি।
সিঙ্গাপুরে ৫০ শীর্ষ ধনীর একজন তিনি। তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে। সিঙ্গাপুরে যদিও বাড়ছে আজিজ খানের সম্পদ, দেশে উল্টোরথে সামিট। কুইক রেন্টাল ক্যাপাসিটির নামে যেভাবে পাচার হয় হাজার কোটি টাকা।
অভিযোগ রয়েছে, রেন্টাল-কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তিন বছরের মেয়াদে হলেও দফায় দফায় সময় বাড়িয়ে একাধিকবার সেগুলো সরকারের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের মোট বিনিয়োগের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বিনিয়োগকারী দেয়। বাকিটা ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে মেটানো হয়। পিডিবি তথা সরকার সুদসহ সেই ঋণ (চুক্তি অনুযায়ী) তিন বছরে শোধ করে দেয়।
পাশাপাশি ইকুইটি ইনভেস্টমেন্টের ওপর দেয়া হয় মুনাফা (রিটার্ন অব ইকুইটি)। সরকার বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয় শোধ করে দিলেও বিদ্যুৎকেন্দ্রটা ওই কোম্পানিরই রয়ে যায়। পরে মেয়াদ বাড়ানো হলেও একই বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিপরীতে আবার নির্মাণ ব্যয় পরিশোধ করা হয়। এভাবে রেন্টাল ও কুইক রেন্টালের মাধ্যমে লুটপাট করা হয়েছে।
ওবায়দুল করিম
ওরিয়ন গ্রুপের কর্ণধঅর ওবায়দুল করিমের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বড় বড় প্রকল্পে কাজ করে ওরিয়ন গ্রুপ। ঋণ জালিয়াতি, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, পাচার, অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনসহ নানা অপরাধের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে ওবায়দুল করিম ও তার পরিবাবের সদস্যদের নামে। তাদের কাঁধে ঝুলছে এক ডজনেরও বেশি মামলা। বেশ কয়েকটি মামলায় তাদের কারাদণ্ড হয়েছে। এর মধ্যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ওবায়দুল করিম।
এছাড়া ২০২১ সালের আগস্টে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৈরি করা শীর্ষ ঋণখেলাপিদের তালিকায় উঠে আসে ওবায়দুল করিমের নাম। সেই সময় তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা ঠুকেই বাঁচার চেষ্টা করেন বহুল আলোচিত এই ব্যবসায়ী।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ওবায়দুল করিমের মালিকানাধীন ওরিয়ন গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানের নামে শুধু জনতা ব্যাংকেই ঋণ রয়েছে ২ হাজার ৮৫৪ কোটি টাকা। বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ঋণের পরিমাণ ১৫ হাজার ১৪৫ কোটি ২২ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ অন্তত হাজার কোটি টাকা।
মামুন/
পাঠকের মতামত:
- আফতাব অটোমোবাইলসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- যমুনা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ইউনিলিভার কনজুমারের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ঠাকুরগাঁও-১:বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
- ব্যবসা বাড়লেও লোকসান বেড়েছে শেয়ারবাজারের কোম্পানির
- ধসের মুখে ইসলামী ব্যাংক: লোকসান সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা
- পোশাক শিল্প রক্ষায় টেকসই সবুজ অর্থায়নের জরুরি আহ্বান
- আইপিডিসি ফাইন্যান্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- নতুন পে-স্কেলে বেতন বাড়লেও ইনক্রিমেন্ট মিলবে না যাদের
- এবি ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১৬৯ কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে ফয়সল, ভোটের ব্যবধান বিশাল
- রেকিট বেনকিজারের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১২ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ও ইপিএস প্রকাশ
- এলপিজি ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ
- নম্বরপ্লেট নিয়ে সুখবর, বাড়তে পারে সময়সীমা
- পিপলস ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- সিটি ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- প্রিমিয়ার লিজিংয়ের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ৩ মাস পরপর মুনাফা পেতে চাইলে জেনে নিন এই সঞ্চয়পত্রের নিয়ম
- ইসলামী ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- এসবিএসি ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- সাউরির চাকরি হারানো ও হাসিনার ভিডিও—দুই বিষয়ে যা জানা গেল
- সব সম্পত্তির বিনিময়ে হলেও মুক্তি চান মাদ্রাসাশিক্ষক
- নাভানা সিএনজির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- কনসার্টে যত টাকা নেয় দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড গুলো
- তাহসিফের নিখোঁজ হওয়া রাতের বর্ণনা দিলেন সেই জুনিয়র বন্ধু
- বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সার্কুলার
- ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য জানালো শাইনপুকুর সিরামিকস
- অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় নতুন দায়িত্বে শিবা শানু
- ৭৭ হাজার কোটি টাকা নিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে জাপান
- সিকদার ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- কনফিডেন্স সিমেন্টের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- সাউথইস্ট ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- আলোচিত তাহসিফ সাউরির পরিচয়
- লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- কহিনুর কেমিক্যালসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- মেসিকে হারিয়ে ‘সর্বকালের সেরা’ রোনালদো
- তাহসিফের সঙ্গে হাসিনার ভিডিওর যোগসূত্র, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- কর্ণফুলি র্গাডেন সিটির সাথে সাবের হোসেন চৌধুরী সর্ম্পক
- জনতা ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- যমুনা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক
- দরপতনের নেপথ্যে কারা, তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা চান বাজার সংশ্লিষ্টরা
- জাপানের টাকায় ভারতের কোম্পানি ঢাকায়
- শেয়ারবাজারে ১০ টেক্সটাইল বন্ধ, বিপাকে হাজারো ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী
- স্বর্ণের দাম কমেছে, ২৪ অক্টোবরের পূর্ণাঙ্গ মূল্যতালিকা
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার নতুন দাম এক নজরে
- মুন্নু ফেব্রিক্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- দুই কোম্পানি ‘বি’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে শেয়ার স্থানান্তর
- শেয়ারবাজারে আসছে সিটি গ্রুপ, লক্ষ্য ১২ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন
- স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- পাঁচ মিউচুয়াল ফান্ডে কারসাজির অভিযোগ, তদন্তে নেমেছে বিএসইসি
- ঋণ কেলেঙ্কারির ভারে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে আইএফআইসি ব্যাংক
- সপ্তাহজুড়ে ৮ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- আইন শিথিলের পর চেয়ারম্যান একাই কিনছেন সাড়ে ১১ কোটি শেয়ার
- শাহজীবাজার পাওয়ারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- স্কয়ার টেক্সটাইলের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- সোনালী পেপারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ৬ লাইফ ইন্সুরেন্সে লালবাতি, বিপদে লাখ লাখ গ্রাহক













