ঢাকা, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
Sharenews24

ইহুদিদের সম্পর্কে কোরআনের বাণী

২০২৩ অক্টোবর ২৪ ০৯:৩৮:৫২
ইহুদিদের সম্পর্কে কোরআনের বাণী

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইহুদিরা অত্যাচারী শাসক ফেরাউনের দ্বারা নিপীড়ন ও দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ ছিল। মহান আল্লাহ তায়ালা মূসা (আঃ)-এর মাধ্যমে তাদেরকে মুক্তি দিয়েছিলেন। তিনি তাদের জন্য সমুদ্রে একটি রাস্তা তৈরি করেছিলেন। মান্না-সালওয়া ও পানির আয়োজন। বাসস্থান দিয়েছে মেঘ খোলা মাঠে ছায়া দিয়েছে। তাদের বংশধর থেকে অনেক নবী-রাসূল প্রেরিত হয়েছেন। বলা হয়েছে, ‘তোমাদের মতো তিনি দুনিয়াতে আর কাউকে নেয়ামত দেননি। (সূরা মায়েদা : ২০)

তবে ইহুদিরা চরম অবাধ্য ও উচ্ছৃঙ্খল জাতি ছিল। ফেরাউনের দাসত্বের জিঞ্জির থেকে মুক্ত হতে না হতেই তারা বাছুরপূজার প্রতি আগ্রহী হয়। মুসা (আ.) আল্লাহর সান্নিধ্যে গেলে তারা বাছুরপূজা করতে শুরু করে। মান্না-সালওয়ার পরিবর্তে শাকসবজি দাবি করে বসে। এমনকি তারা আল্লাহকে প্রকাশ্যে দেখার দাবিও করে বসে।

আল্লাহ সম্পর্কে তাদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য ও ভ্রান্ত ধারণা ছিল। তারা নিজেদের আল্লাহর সন্তান দাবি করত। আবার বলত, আল্লাহর হাত শৃঙ্খলাবদ্ধ। তিনি কৃপণ। তিনি দরিদ্র, আমরা ধনী। তারা অসংখ্য নবী-রাসুলকে হত্যা করেছে। আসমানি গ্রন্থের বিধান বিকৃত করেছে। কোরআনকে অস্বীকার করেছে। আল্লাহ তাআলা তাদের অবাধ্য, হঠকারী, উচ্ছৃঙ্খল, প্রতারক, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী ও সীমালংঘনকারী আখ্যা দিয়েছেন।

শাস্তি হিসেবে আল্লাহ তাআলা তাদের বাস্তুচ্যুত করেছেন। লাঞ্ছিত ও অভিশপ্ত করেছেন। তারা আল্লাহর ক্রোধের পাত্রে পরিণত হয়েছে এবং তাদের হৃদয় পাষাণ করে দেওয়া হয়েছে। তাদের অনেককে বানর ও শূকরে পরিণত করা হয়েছিল। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারা লাঞ্ছিত ও দরিদ্র এবং আল্লাহর ক্রোধের পাত্র হলো। কেননা তারা আল্লাহর আয়াতকে অস্বীকার করত, নবীগণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করত এবং তারা অবাধ্য হতো ও সীমালংঘন করত।’ (সুরা বাকারা: ৬১)

শেয়ারনিউজ, ২৪ অক্টোবর ২০২৩

পাঠকের মতামত:

লাইফ স্টাইল এর সর্বশেষ খবর

লাইফ স্টাইল - এর সব খবর



রে