ব্যাংক, সঞ্চয়পত্র নাকি শেয়ারবাজার—সঞ্চয়ের টাকা কোথায় রাখবেন?
নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাংকে টাকা জমা রেখে আগের মতো সুদ পাচ্ছেন না আমানতকারীরা। অন্যদিকে, নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির চাপে সংসারের ব্যয় বেড়েই চলেছে। ফলে দীর্ঘদিনের সঞ্চয় কোথায় রাখলে নিরাপদ থাকবে এবং তুলনামূলক ভালো মুনাফা পাওয়া যাবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে ব্যাংকের সুদের ওপর নির্ভরশীল অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
ব্যাংক খাতের সাম্প্রতিক সংকটও আমানতকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পদ্মা ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকসহ সংকটে পড়া কয়েকটি ব্যাংকে টাকা জমা রেখে অনেক গ্রাহক দীর্ঘদিন আমানত তুলতে ভোগান্তিতে পড়েছেন। সংকটাপন্ন কয়েকটি ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ব্যাংকে টাকা রাখার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। এর সঙ্গে আমানতের সুদের হার কমে যাওয়ায় সঞ্চয়কারীদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। অথচ কয়েকটি শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকে এক বছর মেয়াদি স্থায়ী আমানতের সুদের হার কমে সাড়ে ৭ শতাংশে নেমেছে। ফলে ব্যাংকে রাখা টাকার বিপরীতে সুদ পাওয়া গেলেও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মেলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
ধরা যাক, একজন আমানতকারী ১০ লাখ টাকা এক বছরের জন্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ সুদে ব্যাংকে রাখলেন। এক বছর শেষে কর ও অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জ বাদ দেওয়ার আগে তাঁর সুদ আয় হবে ৭৫ হাজার টাকা। একই সময়ে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ থাকলে পণ্য ও সেবার দাম বাড়বে আরও বেশি হারে। ফলে ব্যাংক হিসাবে টাকার পরিমাণ বাড়লেও সেই টাকা দিয়ে আগের তুলনায় কম পণ্য ও সেবা কেনা সম্ভব হতে পারে।
ব্যাংকারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে কয়েকটি ব্যাংকে এক বছর মেয়াদি আমানতে ৯ থেকে ১০ দশমিক ১৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ পাওয়া যেত। পরে তা কমে ৮ থেকে ৯ শতাংশের আশপাশে আসে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ব্যাংকে সুদের হার আরও কমেছে। বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে এক বছর মেয়াদি স্থায়ী আমানতে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, প্রাইম ব্যাংকে ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং সিটি ব্যাংকে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে বলে ব্যাংকাররা জানিয়েছেন।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুনের মতে, আমানতের সুদের হার কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা চাপে পড়বেন। কারণ, তাঁদের অনেকেই ব্যাংকের সুদের ওপর নির্ভর করে সংসারের ব্যয় মেটান। মূল্যস্ফীতি বেশি থাকার সময়ে সুদের আয় কমে গেলে তাঁদের আর্থিক চাপ আরও বাড়তে পারে।
সঞ্চয়কারীদের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—যে ব্যাংকে বেশি সুদ পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে টাকা রাখা ভালো, নাকি তুলনামূলক নির্ভরযোগ্য ব্যাংকে কম সুদে আমানত রাখা উচিত?
শুধু বেশি সুদের প্রস্তাব দেখে ব্যাংক নির্বাচন করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কোনো ব্যাংক অন্য ব্যাংকের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বেশি সুদ দিলে কেন তারা বেশি সুদে আমানত সংগ্রহ করছে, তা বিবেচনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা, তারল্য, মূলধন, খেলাপি ঋণের পরিস্থিতি এবং আমানত ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য যাচাই করা জরুরি।
ব্যাংক খাতে আস্থার সংকটের কারণে অনেক গ্রাহক দুর্বল ব্যাংক থেকে টাকা সরিয়ে তুলনামূলক নির্ভরযোগ্য ব্যাংকে জমা রাখছেন। ব্যাংকারদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ব্যাংক খাতে গড় আমানত প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক ৯৬ শতাংশ। কয়েকটি শীর্ষ ব্যাংকে আমানত বেড়েছে ১৫ থেকে ২২ শতাংশ পর্যন্ত।
ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আর কে হুসেইন জানিয়েছেন, তাঁদের ব্যাংকের ঋণ-আমানত অনুপাত প্রায় ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ আমানতের তুলনায় ঋণ বিতরণের পরিমাণ কম হওয়ায় ব্যাংকটিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ উদ্বৃত্ত রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্ট শেষে ব্যাংক খাতে মোট তারল্যের পরিমাণ ছিল ৭ লাখ ৮১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা। এর বিপরীতে বিধিবদ্ধ ন্যূনতম তারল্য সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৬০ কোটি টাকা। ফলে উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা।
এত অর্থ হাতে থাকার পরও ব্যাংকগুলো প্রত্যাশা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ করতে পারছে না। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছয় মাসের বেশি সময় ধরে ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে বলে ব্যাংকারদের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন বিনিয়োগে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং ঋণের উচ্চ সুদ এর অন্যতম কারণ। এ পরিস্থিতিতে আমানতের সুদ কমিয়ে তহবিল সংগ্রহের ব্যয় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ব্যাংকগুলো।
সঞ্চয়ের টাকা কোথায় রাখবেন, তা নির্ভর করে ব্যক্তির আর্থিক প্রয়োজন, বিনিয়োগের মেয়াদ, নিয়মিত আয়ের চাহিদা এবং ঝুঁকি নেওয়ার সক্ষমতার ওপর। সবার জন্য একটি বিনিয়োগমাধ্যম উপযুক্ত নয়। ব্যাংকের আমানতের পাশাপাশি সঞ্চয়পত্র, সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ড এবং শেয়ারবাজারের মতো বিকল্প বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে প্রতিটি মাধ্যমের নিজস্ব শর্ত ও ঝুঁকি রয়েছে।
সঞ্চয়পত্র: যোগ্যতা, বিনিয়োগসীমা ও প্রযোজ্য নিয়ম মেনে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। কেনার আগে সংশ্লিষ্ট সঞ্চয়পত্রের বর্তমান মুনাফার হার, মেয়াদ, কর এবং আগাম ভাঙানোর শর্ত জেনে নেওয়া জরুরি। সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ও শর্ত এক নয়।
মেয়াদি আমানত: ব্যাংকে টাকা রাখতে চাইলে সুদের হারের পাশাপাশি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা ও আমানত ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা বিবেচনা করা প্রয়োজন। সব টাকা একই মেয়াদে না রেখে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে ভাগ করে রাখলে জরুরি সময়ে অর্থ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে প্রত্যাশিত আয় নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শর্তের ওপর।
স্বল্পমেয়াদি আমানত ও সহজে ব্যবহারযোগ্য অর্থ: যাঁদের যেকোনো সময় অর্থের প্রয়োজন হতে পারে, তাঁদের পুরো সঞ্চয় দীর্ঘমেয়াদি আমানতে আটকে রাখা ঠিক হবে না। দৈনন্দিন ব্যয় ও জরুরি প্রয়োজন মেটানোর মতো অর্থ সহজে তোলা যায়, এমন ব্যবস্থায় রাখা দরকার। তবে ঘরে নগদ অর্থ রাখলে চুরি, হারিয়ে যাওয়া এবং মূল্যস্ফীতিতে ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ড: আর্থিক জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় সুযোগ থাকলে সরকারি ট্রেজারি বিল বা বন্ডের বিকল্প বিবেচনা করা যেতে পারে। বিনিয়োগের আগে মেয়াদ, কেনার পদ্ধতি, সুদ বা মুনাফা পাওয়ার ধরন এবং মেয়াদপূর্তির আগে বিক্রির শর্ত বুঝে নেওয়া জরুরি। এসব বিনিয়োগ ব্যাংকের সাধারণ আমানতের মতো একই ধরনের সুবিধা দেয় না।
শেয়ারবাজার: শেয়ারবাজারে দীর্ঘমেয়াদে মুনাফার সুযোগ থাকলেও লোকসানের ঝুঁকি রয়েছে। বাজার সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান, ঝুঁকি নেওয়ার সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা না থাকলে শুধু ব্যাংকের সুদ কমেছে বলে সেখানে সঞ্চয়ের টাকা সরিয়ে নেওয়া উচিত নয়। জরুরি প্রয়োজন বা সংসারের নিয়মিত ব্যয়ের অর্থ ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে রাখা বিশেষভাবে বিবেচনাপ্রসূত নয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কামাল মুজেরী মনে করেন, আমানতকারীরা চাইলে সঞ্চয়পত্র বা শেয়ারবাজারের মতো বিকল্প বিনিয়োগমাধ্যম বিবেচনা করতে পারেন। তবে শেয়ারবাজারে মুনাফার সম্ভাবনার পাশাপাশি লোকসানের ঝুঁকিও রয়েছে।
সঞ্চয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের আর্থিক চাহিদা বুঝতে হবে। আগামী কয়েক মাসে চিকিৎসা, সন্তানের পড়াশোনা, বাড়িভাড়া কিংবা অন্য কোনো বড় ব্যয় থাকলে সহজে তোলা যায় এমন অর্থের গুরুত্ব বেশি। অন্যদিকে, নিয়মিত আয় রয়েছে এবং দীর্ঘদিন টাকা না তুললেও চলবে—এমন ব্যক্তিরা মেয়াদি বিনিয়োগের বিকল্প বিবেচনা করতে পারেন।
এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, জরুরি প্রয়োজনের অর্থ আলাদা রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, শুধু বেশি সুদের আশায় কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে সব সঞ্চয় রাখা উচিত নয়। তৃতীয়ত, বিনিয়োগের আগে মেয়াদ, কর, চার্জ, আগাম টাকা তোলার শর্ত ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বুঝতে হবে। চতুর্থত, কোনো বিনিয়োগের মুনাফা মূল্যস্ফীতির চেয়ে বেশি হলেই সেটি ঝুঁকিমুক্ত হয়ে যায় না।
বিশেষ করে ব্যাংক খাতের সংকটে যাঁরা নিজেদের আমানত তুলতে পারেননি, তাঁদের কাছে অর্থের নিরাপত্তা এখন শুধু মুনাফার বিষয় নয়; এটি আর্থিক নিশ্চয়তা ও মানসিক স্বস্তির সঙ্গেও জড়িত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৯ শতাংশ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা দুর্বল থাকায় ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্য রয়ে গেছে। ব্যাংকগুলোর যুক্তি, আমানতের সুদ কমলে তহবিল সংগ্রহের ব্যয় কমবে এবং ভবিষ্যতে ঋণের সুদ কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে আমানতের সুদ কমলেই ঋণের সুদ একই হারে কমবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ঋণের চাহিদা বাড়লে ব্যাংকের উদ্বৃত্ত অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে ব্যাংকের আয় বাড়ার পাশাপাশি অর্থনীতিতেও গতি ফিরতে পারে।
সব মিলিয়ে সঞ্চয়কারীদের সামনে এখন তিনটি বিষয়ের ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ রয়েছে—টাকার নিরাপত্তা, প্রয়োজনে দ্রুত অর্থ পাওয়ার সুযোগ এবং মূল্যস্ফীতির ক্ষতি যতটা সম্ভব কমানো। তাই বেশি সুদের প্রস্তাবের পেছনে না ছুটে নিজের প্রয়োজন, বিনিয়োগের মেয়াদ ও ঝুঁকি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। কারণ, ব্যাংকে টাকার অঙ্ক বাড়লেই সঞ্চয়ের প্রকৃত মূল্য বাড়ে না; সেই টাকা কতটা নিরাপদ এবং তা দিয়ে ভবিষ্যতে কতটা কেনাকাটা করা যাবে, সেটিই শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মুয়াজ/
পাঠকের মতামত:
- বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় উল্লম্ফন
- উত্তরাধিকারী জমির নামজারিতে নতুন নিয়ম, জানুন বিস্তারিত
- লুকানো ঋণ খেলাপি হয়ে বেরিয়ে আসছে, গভীর সংকটে ব্যাংক খাত
- ব্যাংক, সঞ্চয়পত্র নাকি শেয়ারবাজার—সঞ্চয়ের টাকা কোথায় রাখবেন?
- ফারুকী-তিশার সংসারে ভা'ঙনের সুর
- এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন যাঁরা
- এশিয়ার পাঁচ দেশের শেয়ারবাজারে লোকসান, ব্যতিক্রম বাংলাদেশ
- ফল প্রকাশের তারিখ নিয়ে পরীক্ষার্থী-অভিভাবকদের সতর্ক করল বোর্ড
- ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা
- আসিফ মাহমুদকে বিয়ের দাবিতে তরুণীর অবস্থান
- ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন: জামায়াতের ডাবল লাভ
- বিএনপির তিন শীর্ষ নেতা অসুস্থ, চিকিৎসা নিয়ে জানা গেল নতুন তথ্য
- রিসোর্টে আগুনের সাত দিন পর সামনে আসছে যেসব তথ্য
- সকাল থেকেই সোনার নতুন দাম, দেখে নিন মূল্যতালিকা
- ‘ব্যর্থ পণ্য’ বললেন মোদি, দিলেন ‘পরজীবী’ তকমা
- শমরিতা হাসপাতালের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- প্রবাসী আয়ের নতুন পথ খুঁজছে বাংলাদেশ ব্যাংক, মালদ্বীপকে তিন প্রস্তাব
- ওয়াশিংটনের ‘ব্ল্যাকমেইল’ চালে কোণঠাসা মোদি সরকার
- ‘সমাজের নিকৃষ্ট লোকটাই এমপি-মন্ত্রী হয়’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন স্পিকার
- দক্ষিণ কোরিয়াকে বিব্রত করতে নতুন কৌশল উত্তর কোরিয়ার
- দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, জেদ্দা কনস্যুলেটের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
- বাংলাদেশ নিয়ে সাংবাদিক ময়ূখের ১৮০ ডিগ্রি ভোল্টবদল
- নতুন কমিটি ঘিরে অসন্তোষ, এনসিপির সভায় হট্টগোল
- ভারতের কাছে উড়ে গেল বাংলাদেশের নারী হ্যান্ডবল দল
- বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপ, পাঁচ দিন যেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া
- সাইবার হামলার আশঙ্কায় বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
- প্রতিদিন কয়টি ডিম খাওয়া নিরাপদ, জানালেন বিশেষজ্ঞ
- মোংলা বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ
- সরকারি ব্যাংকে বেসরকারি ব্যাংকার, অভ্যন্তরীণ সংকটের শঙ্কা
- হীরা চোরাচালান থেকে হত্যা মামলা: ডিবির জালে দিলীপ আগরওয়ালা
- নাম, বয়স, জন্মতারিখ ও ঠিকানা সংশোধন করবেন যেভাবে
- নভেম্বরের শুরুতেই টানা ৩ দিনের ছুটির সুযোগ
- গাড়ির নাম্বার প্লেটে ক, খ, গ, ঘ কেন লেখা থাকে? জানলে অবাক হবেন
- ওয়ারিশদের বাদ দিয়ে জমির নামজারি? জেনে নিন কী বলছে নিয়ম
- দেশ ছেড়ে পালাতে প্রাইভেট জেট ভাড়ায় নজিরবিহীন কাড়াকাড়ি
- হঠাৎ সামরিক সতর্কতা জারি!
- নতুন পে-স্কেলে বেতন কবে থেকে, জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
- গ্রাহকদের টাকা দিতে ন্যাশনাল ব্যাংকের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১১ শর্ত
- দেবীরূপে রুমিন ফারহানা, সমালোচনার জবাবে ফেসবুকে যা লিখলেন
- হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে বিপর্যস্ত উত্তরা ফাইন্যান্স
- নগদ প্রবাহে বড় উল্লম্ফন, কিন্তু মুনাফায় ধস—শাশা ডেনিমসের সামনে কী অপেক্ষা করছে?
- মুনাফায় ফিরেছে ডেসকো, তারপরও যে কারণে বড় অনিশ্চয়তা
- বিক্রয়মূল্য কমা ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, চাপে মালেক স্পিনিংয়ের মুনাফা
- কারখানা বন্ধ থেকে পুনরায় চালু, ঋণ পুনর্গঠন ও নগদ প্রবাহের চাপে তমিজ উদ্দিন টেক্সটাইল
- মহানবী (সা.)-এর হাদিস পড়ে শোনালেন রাজা চার্লস
- টানা তিন দিন বন্ধ থাকতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দেখে নিন তারিখ
- সচিবালয়ে কে কখন আসছেন, নিজেই দেখছেন প্রধানমন্ত্রী
- নতুন কোম্পানির শেয়ারে প্রথম দিনেই বড় মুনাফার সুযোগ
- ডিভি লটারিতে বাংলাদেশ কেন অযোগ্য? জানুন বিস্তারিত
- তারেক রহমানের সফর নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য, এরপর যা ঘটল
- সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সুইটিকে নিয়ে মুখ খুললেন নজরুলের বাবা
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক নজরে
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার আজকের দাম জেনে নিন
- পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বড় উত্থানের পূর্বাভাস গবেষণা প্রতিষ্ঠানের
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার আজকের দাম
- সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শির'চ্ছেদ যা বললেন শায়খ
- শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ
- ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ বিএসইসির
- সোনার দামে স্বস্তি, ২২ ক্যারেটের নতুন দর প্রকাশ
- দীর্ঘদিন লে-অফের পর কেয়া গ্রুপে নতুন সিদ্ধান্ত
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ৩৪ কোম্পানি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ১৯ কোম্পানি
- এজিএমের পরদিনই ডিভিডেন্ড বিতরণ: শেয়ারবাজারে ঐতিহাসিক রেকর্ড
- মতিন স্পিনিংয়ের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ১৫ টাকার শেয়ার ৪২ টাকা, তারপর ১১ টাকা: ডাবল ধাক্কায় সর্বশান্ত বিনিয়োগকারীরা
শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর
- লুকানো ঋণ খেলাপি হয়ে বেরিয়ে আসছে, গভীর সংকটে ব্যাংক খাত
- ব্যাংক, সঞ্চয়পত্র নাকি শেয়ারবাজার—সঞ্চয়ের টাকা কোথায় রাখবেন?
- এশিয়ার পাঁচ দেশের শেয়ারবাজারে লোকসান, ব্যতিক্রম বাংলাদেশ












