ঢাকা, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

ধর্ষি/ত শিশুর পরিবারের সামনে একে একে কাটা হয় ধর্ষ/কের অঙ্গ 

২০২৬ মে ২২ ১৫:৩২:৪৫
ধর্ষি/ত শিশুর পরিবারের সামনে একে একে কাটা হয় ধর্ষ/কের অঙ্গ 

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও আলোচনায় এসেছে ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অস্ট্রেলিয়ান স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দ্য ডিজাপেয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম।

মাত্র ১২ মিনিটের এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন ম্যাথু রিচার্ডস। এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার ও ক্রাইম ড্রামা, যেখানে বিচারব্যবস্থা, অপরাধ ও শাস্তির নৈতিক দিক তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রের কাহিনিতে উইলি বিংহাম নামের এক ব্যক্তিকে একটি শিশু কন্যাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। তবে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডের আইন না থাকায় আদালত তাকে “প্রগ্রেসিভ অ্যাম্পুটেশন” বা ধাপে ধাপে অঙ্গচ্ছেদের মতো এক ব্যতিক্রমী শাস্তি দেয়।

গল্পে দেখা যায়, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ অপসারণ করা হয় এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা কাচের ওপাশ থেকে পুরো প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন।

চলচ্চিত্রের অগ্রগতিতে দেখা যায়, প্রথমে একটি হাত, পরে একটি পা এবং ধাপে ধাপে শরীরের আরও বিভিন্ন অংশ অপসারণ করা হয়। শাস্তির এ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ব্যথাহীন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় বলে দেখানো হয়েছে।

শাস্তির কথা শুনে উইলি বিংহাম দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আবেদন জানালেও আইনি কারণে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়।

চলচ্চিত্রের শেষদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তী অস্ত্রোপচার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে শাস্তি অসম্পূর্ণ অবস্থায় শেষ হয় এবং অপরাধী চরম শারীরিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে জীবিত থাকে।

বিচারব্যবস্থা, প্রতিশোধ ও নৈতিকতার জটিল বিষয় তুলে ধরায় চলচ্চিত্রটি বিভিন্ন সময় দর্শক ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ওমর আলী/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে