একটি ইটের মাধ্যমে যেভাবে নির্যাতিত শিশুর সন্ধান পেল গোয়েন্দারা
নিজস্ব প্রতিবেদক: মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বা স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের একটি অভিজাত ইউনিটে দায়িত্বরত আছেন গ্রেগ স্কয়ার। বিভাগটির কাজ হলো কোনো শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হলে তার অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা।
সেই গ্রেগ স্কয়ার নির্যাতনের শিকার একটি মেয়েকে উদ্ধার করার চেষ্টায় দিশাহীন অবস্থায় পড়ে গিয়েছিলেন। তার দল মেয়েটির নাম দিয়েছিল ‘লুসি’।
ডার্ক ওয়েবে মেয়েটির অস্বস্তিকর ছবি শেয়ার করা হচ্ছিল। আর তা ইন্টারনেটের এনক্রিপ্ট করা এমন এক জায়গা ছিল যেখানে কেবল বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে প্রবেশ করা যায়। ফলে ওয়েবসাইটের মালিকদের ডিজিটালি খুঁজে পাওয়া অসম্ভব হয়ে উঠেছিল।
স্কয়ার জানান, এই পদ্ধতি থাকা সত্ত্বেও কোনো শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য ছেঁটে ফেলা বা পরিবর্তনের বিষয়ে নির্যাতনকারীরা সচেতন ছিল যেন তাদের ট্র্যাক করা বা খুঁজে পাওয়া না যায়। লুসি কে বা কোথায় থাকে তা বের করা প্রায় অসম্ভব ছিল। তবে দ্রুতই স্কয়ার আবিষ্কার করেন, ১২ বছর বয়সী মেয়েটির অবস্থানের ক্লু বা সূত্র সবার চোখের সামনেই লুকানো ছিল।
স্কয়ার জানান, কর্মজীবনের শুরুর দিকে তিনি যে ‘লুসি’র মামলাটি নিয়ে কাজ করেছিলেন, সেটিই পরবর্তী সময়ে তার কাজের প্রেরণা হয়ে ওঠে। লুসি তার নিজের মেয়ের সমবয়সী হওয়ায় বিষয়টি তাকে বিশেষভাবে নাড়া দিয়েছিল। তার ওপর নিয়মিত নতুন নতুন ছবি প্রকাশিত হচ্ছিল, যেগুলো দেখে মনে হচ্ছিল মেয়েটি নিজের শোবার ঘরেই নির্যাতনের শিকার।
ছবিতে থাকা লাইট সকেট আর বৈদ্যুতিক আউটলেটের ধরন দেখে স্কয়ার ও তার দল ধারণা করতে পেরেছিলেন যে লুসি উত্তর আমেরিকায় রয়েছে। কিন্তু তার বেশি কিছু না। সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে প্রাধান্য পাওয়া ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেখানে আপলোড করা পারিবারিক ছবির কোথাও লুসি আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে প্ল্যাটফর্মটির সহায়তা চান তারা।
কিন্তু ফেসবুকের কাছে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও তারা জানায়, এবিষয়ে সহায়তা করার মতো ‘প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই’ তাদের কাছে। এরপর স্কয়ার আর তার সহকর্মীরা লুসির ঘরের বিছানার চাদর থেকে শুরু করে তার পোশাক, খেলনা পুতুলসহ দৃশ্যমান প্রতিটি বিষয় বিশ্লেষণ করতে শুরু করেন, যা তাদের কোনোভাবে সহায়তা করতে পারে।
তারা ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ একটি সূত্র খুঁজে পান। কয়েকটি ছবিতে তারা একটি সোফা দেখতে পান, যেটা সারা দেশে নয়, বরং বিক্রি হতো নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলে। ফলে সম্ভাব্য ক্রেতার পরিসরও ছিল তুলনামূলকভাবে সীমিত। তবে সেই সংখ্যাও প্রায় ৪০ হাজারের কাছাকাছি।
স্কয়ার বলেন, ‘তদন্তের ওই পর্যায়েও আমরা যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি অঙ্গরাজ্য নিয়ে কাজ করছি। অর্থাৎ হাজার হাজার ঠিকানা—যা সত্যিই খুব কঠিন একটি কাজ’।তদন্তকারীরা আরো সূত্রের খোঁজ শুরু করেন। তখনই তারা উপলব্ধি করেন, লুসির শোবার ঘরের উন্মুক্ত ইটের দেয়ালের মতো সাধারণ একটি বিষয়ও তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠতে পারে।
স্কয়ার বলেন, ‘আমি গুগলে ইট সম্পর্কে খোঁজ শুরু করি এবং খুব দ্রুতই ব্রিক ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সন্ধান পেয়ে যাই। ফোনের ওপারে থাকা নারীটি অসাধারণ ছিলেন। তিনি জানতে চেয়েছিলেন, ইট শিল্প কীভাবে সাহায্য করতে পারে?’
তিনি ছবিটি সারা দেশের ইট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে শেয়ার করার প্রস্তাব দেন। স্কয়ারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সাড়া আসে। যারা যোগাযোগ করেন তাদের একজন ছিলেন জন হার্প, যিনি ১৯৮১ সাল থেকে ইট বিক্রির সঙ্গে যুক্ত।
‘আমি লক্ষ্য করি ইটটির রঙে গোলাপি আভা রয়েছে আর তার ওপর সামান্য চারকোলের প্রলেপ আছে। এটি ছিল আট ইঞ্চির মডুলার ইট এবং প্রান্তগুলো ছিল সমকোণী। এটা দেখেই আমি বুঝে গিয়েছিলাম ইটটি কী ধরনের,’ বলেন তিনি।
স্কয়ারকে তিনি জানান, সেটি ছিল ‘ফ্লেমিং আলামো’।তিনি আরও বলেন, ‘(আমাদের কোম্পানি) ষাটের দশকের শেষভাগ থেকে আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ওই ইট তৈরি করেছে এবং আমি সেই কারখানা থেকে লক্ষ লক্ষ ইট বিক্রি করেছি’।
শুরুতে স্কয়ার ভীষণ উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছিলেন। তার ধারণা ছিল, তারা হয়তো কোনো ডিজিটাল গ্রাহক তালিকা পাবেন। কিন্তু হার্প তাকে জানান, বিক্রির নথিগুলো আসলে ছিল বহু দশক আগের জমে থাকা ‘নোটের স্তূপ’ মাত্র।
তবে ইট সম্পর্কে হার্প একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন বলে জানান স্কয়ার। ‘‘তিনি বললেন, ‘ইটটি ভারী’, আর ‘ভারী ইট খুব দূরে যায় না’’।
এই কথাটিই সব বদলে দেয়। দলটি আবার সোফার ক্রেতাদের তালিকা নিয়ে বসে এবং সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত হার্পের ইট কারখানা থেকে ১০০ মাইলের মধ্যে বসবাস করা গ্রাহকদের চিহ্নিত করে। ৪০ বা ৫০ জনের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম খুঁজে পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ ছিল। সেখান থেকেই ফেসবুকে তারা লুসির একটি ছবি খুঁজে পান। ছবিতে লুসির পাশে ছিল এক প্রাপ্তবয়স্ক নারী, যাকে দেখে মেয়েটির ঘনিষ্ঠ কোনো আত্মীয় মনে হচ্ছিল।
তদন্তকারীরা ওই নারীর ঠিকানা খুঁজে বের করেন। এরপর সেই সূত্র ধরে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সব ঠিকানা এবং তিনি যাদের সঙ্গে কখনো বসবাস করেছেন, তাদের পরিচয় বের করেন। এর ফলে লুসির সম্ভাব্য অবস্থান আরও কাছাকাছি চলে আসে। কিন্তু তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নিতে চাননি। ঠিকানা ভুল হলে সন্দেহভাজন ব্যক্তির কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে থাকার বিষয়টি বুঝে ফেলার ঝুঁকি ছিল।
তাই স্কয়ার ও তার সহকর্মীরা ওইসব বাড়ির ছবি ইট বিশেষজ্ঞ জন হার্পের কাছে পাঠাতে শুরু করেন। কোনো বাড়ির বাইরে ফ্লেমিং আলামো বা ওই বিশেষ ইট দেখা যাচ্ছিল না, কারণ সেগুলো অন্যান্য উপকরণ দিয়ে মোড়ানো ছিল।
কিন্তু দলটি হার্পকে তাদের স্টাইল এবং বাইরের দিক দেখে মূল্যায়ন করতে বলেছিল যে যখন ফ্লেমিং আলামো বিক্রি করা হচ্ছিল, সেই সময়ের মধ্যে এই সম্পত্তিগুলো নির্মিত হওয়ার সুযোগ আছে কি না।
‘আমরা মূলত সেই বাড়ি বা বাসস্থানের একটি ছবি নেই এবং জনকে দিয়ে বলি- এই বাড়িতে কি এই ইটগুলো থাকবে?’ বলছিলেন স্কয়ার।অবশেষে তারা সফল হন। তারা এমন একটি ঠিকানা খুঁজে পান যেখানে হার্পের বক্তব্য অনুযায়ী, সম্ভবত ফ্লেমিং আলামো ইটের প্রাচীর থাকবে আর তা সোফা গ্রাহকের তালিকাতেও ছিল।
‘ফলে আমাদের কাছে আর একটি ঠিকানাই থাকল ... রাষ্ট্রীয় রেকর্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ... স্কুলের তথ্যের মাধ্যমে সেখানে কারা বাস করছে তা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া শুরু করলাম,’ স্কয়ার বলেন।
দলটি বুঝতে পারে যে লুসির সঙ্গে ওই বাড়িতে তার মায়ের প্রেমিকও ছিল, যিনি কি না একজন দোষী সাব্যস্ত যৌন অপরাধী।কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্থানীয় হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এজেন্টরা অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে। ওই লোক ছয় বছর ধরে লুসিকে ধর্ষণ করে আসছিল। পরবর্তী সময়ে তাকে ৭০ বছরেরও বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
গত গ্রীষ্মে গ্রেগ প্রথমবারের মতো লুসির সঙ্গে দেখা করেন—যার বয়স এখন বিশের কোঠায়। লুসি গ্রেগকে জানান, চারপাশের সাহায্যের কারণেই এখন তিনি নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কথা বলতে পারছেন। তিনি বলেন, এখন আমার স্থিতিশীলতা আরও বেশি। আমি মানুষের সঙ্গে (নির্যাতন সম্পর্কিত) কথা বলার শক্তি পাচ্ছি, যা কয়েক বছর আগেও আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না।
লুসি জানান, তার ওপর যখন নির্যাতন চলছিল, তখন তিনি ‘মনপ্রাণ দিয়ে প্রার্থনা করছিলেন যেন এটি শেষ হয়’।
মুসআব/
পাঠকের মতামত:
- আইডিআরএর প্রথম নারী চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন
- ডিএসইতে অরেঞ্জ ইকোনমি সামিট, টেকসই বিনিয়োগের নতুন সন্ধান
- চ'ড়-থা'প্প'ড় খেলেন ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ
- আশুরার সরকারি ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য
- ফুটবল বিশ্বকাপে প্রিয় দল নিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী
- লুৎফুজ্জামান বাবরের নামে ছড়ানো বক্তব্য নিয়ে যা জানা গেল
- সোনালী লাইফের বড় আয়োজন, সম্মানিত হলেন সেরা পারফর্মাররা
- নিয়ম ভেঙে কমিশন দেওয়ার অভিযোগ, তদন্তের মুখে ৯ বিমা কোম্পানি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- ইসলামী ব্যাংকের সংকট কাটাতে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি
- রিং শাইনের স্থগিত আইপিও তহবিল ইস্যু নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের
- আগামীকাল থেকে শেয়ারবাজারে নতুন সময়সূচি
- ডিএসইতে লেনদেনের সময় বৃদ্ধি
- চার কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ
- মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতায় বাজারে দর সংশোধন
- ১৫ জুন ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- ১৫ জুন লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৫ জুন দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৫ জুন দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- নতুন হিজরি বছরে পবিত্র কাবা শরিফে নতুন গিলাফ
- বিবাহ নিবন্ধনে আসছে বড় পরিবর্তন
- বিশ্বকাপ থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ—সবখানেই দেখা যায় এই দৃশ্য
- সারা বছর বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকে যে মাছ
- দিল্লি ঘটনা নিয়ে জাহেদ উর রহমানের ব্যাখ্যা
- আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালকের পদত্যাগ
- প্রাইম লাইফের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- ন্যাশনাল ফিড মিলের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- যেভাবে বেনজীরকে ধরিয়ে দেন এমপি বন্ধু
- প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিম নিক্ষেপ থেকে হাতাহাতি—হাসনাতের সফরে নাটকীয় মুহূর্ত
- মঞ্চে ওঠার আগেই হামলা! এরপর যা করলেন সমর্থকেরা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে অতিরিক্ত প্রভিশন রেখেছে এনসিসি ব্যাংক
- বার্জার পেইন্টসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে নতুন পদক্ষেপ ইসলামী ব্যাংকের
- নৌবীমা দাবির অর্থ পরিশোধ করল কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স
- ৩ মামলায় জামিন পেলেন মমতাজ
- ভিসা আবেদনের আগে জেনে নিন নতুন নিয়ম
- আবারও গ্রেপ্তার তৌহিদ আফ্রিদি
- মোদিকে রুটি-লবণ দিয়ে স্বাগত, এর পেছনের রহস্য
- নিরপেক্ষ ও দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে গঠন হবে ৫ সদস্যের বোর্ড
- ইসলামী ব্যাংক নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে সাত দফা দাবি গ্রাহক ফোরামের
- বিক্রেতা সঙ্কটে হল্টেড ১১ কোম্পানি
- ইতিবাচক প্রত্যাশায় বাজারে গতি, সূচকের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা
- ১৩ হাজার সমর্থককে নিষিদ্ধ করল আর্জেন্টিনা
- দেশে ফিরেই সাংবাদিকদের এড়িয়ে গেলেন উপদেষ্টা
- মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম
- শাশুড়িকে গ্রেপ্তারের পর জামাইকে খুঁজছে পুলিশ
- বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে শায়খ আহমাদুল্লাহর ব্যতিক্রমী পোস্ট
- বন্ধ হচ্ছে যুদ্ধ, সমঝোতায় পৌঁছাল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির ডিভিডেন্ড নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
- চেয়ারম্যানের পদত্যাগের পর ইসলামী ব্যাংক নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা গভর্নরের
- এক কোটি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়মে বড় পরিবর্তন
- বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
- শেয়ারবাজার সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর মেগা প্ল্যান: আসছে ডিজিটাল আইপিও
- শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় ডিএসইর সতর্কবার্তা
- বিপরীত দুই মেরুতে ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকো লিমিটেড
- শেয়ারবাজার হবে আরও শক্তিশালী, বাজেটে সন্তুষ্ট ডিএসই
- বিক্রেতা সঙ্কটে হল্টেড ১১ কোম্পানি
- ‘হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে এখনো ৮০০ টাকা পাই’
- সিকদার ইন্স্যুরেন্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- শেয়ারবাজারের পর নতুন দিগন্ত কমোডিটি এক্সচেঞ্জ
- আগামীকাল থেকে শেয়ারবাজারে নতুন সময়সূচি













