বাংলাদেশ ব্যাংকে চরম অসন্তোষ
ডেপুটি গভর্নর পদে বিতর্কিতদের পদোন্নতি না দেওয়ার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক : লাগামহীন লুটপাট, ঋণ কেলেঙ্কারি আর দখলদারিত্বের ডামাডোলে দেশের ব্যাংক খাতে করুণ অবস্থা বিরাজ করছে। এই অবস্থার জন্য দায়ী করা হয় এস আলম, সালমান এফ রহমান, নজরুল ইসলাম মজুমদার ও তাদের দোসরদের। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর আব্দুর রউফ তালুকদার ও তার সহযোগিদের লুটেরা গোষ্ঠীর এই গোষ্টি খাতটিতে লুটপাট করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অভিযোগ,গভর্ণর আবদুর রউফ তালুকদার পদত্যাগ করলেও তার সহযোগীরা এখনো সমানতালে দাপটে রয়েছেন। এস আলম, সালমান এফ রহমান, রউফ তালুকদারের প্রেতাত্মারা এখন আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির ডেপুটি গভর্নর (ডিজি) হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন।
তাদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজি পদ পূরণে যেসব নির্বাহী কর্মকর্তাদের নামের তালিকা আছে তাদের মধ্যে তিনজনই সাবেক গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগি। যারা সরাসরি এস আলম, সালমান এফ রহমানদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছে। আবার রিজার্ভ চুরির তালিকাভুক্ত আসামি।
এছাড়া ক্ষমতাচ্যু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সবেক ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সহযোগী। গত সরকারের আমলে এই তিন কর্মকর্তা ব্যাংক, এমএফএস ও পিএসপি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন প্রকল্প চালুর নামে জয়-পলককে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটে সহযোগিতা করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের দাবি, যেসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা গত ১৫ বছরে দেশের আর্থিক খাতে বেপরোয়া হয়ে দেশের সম্পদ লুটে সহযোগিতা করছেন, তাদের বিষয়ে তদন্ত করে শাস্তি দিতে হবে এবং ডেপুটি গভর্নর পদের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।
গত বুধবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বস্তরের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে ডেপুটি গভর্নর নিয়োগের জন্য গঠিত সার্চ কমিটির কাছে একটি চিঠিও দিয়েছেন।
চিঠিতে কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, সরকারের আমলে দেশের সম্পদ লুটেরাদের অন্যতম প্রধান সহযোগী ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। সব আর্থিক অপকর্মের প্রধান পৃষ্ঠপোষক তিনি। এছাড়া নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক রিজার্ভ চুরির তালিকাভুক্ত আসামি। একই সঙ্গে তিনি দুর্নীতির অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয়েরও ঘনিষ্ঠ মেজবাউল হক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাদের চিঠিতে আরও যেসব বিষয় উল্লেখ করেছন, তা হলো-
রিজার্ভ চুরি
রিজার্ভ চুরির পরে তৎকালীন গভর্নর ড. আতিউর রহমান রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কোনো ব্যক্তির পরামর্শে এক মাসের মতো গোপন রাখেন। যার পরামর্শ দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক। তার পরামর্শে চুরি সংশ্লিষ্ট আইসিটি আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে রাকেশ আস্তানাকে আইসিটি সিকিউরিটি এক্সপার্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়ে চুরির আলামত নষ্ট করে দেওয়া হয়।
হাসিনাপুত্র জয়ের আইসিটি ব্যবসা
বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ব্যাংকিং খাতের আইসিটি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ব্যবসায় সহযোগিতা করেছেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক, তার ঘনিষ্ঠজন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দেবদুলাল রায় ও মেজবাউল হক। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু পদ্ধতি বিশেষ করে পেমেন্ট সিস্টেমস ও সিআইবি বাণিজ্যিকিকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতির সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষপূর্ণ। কিন্তু এসব কাজ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। এর অন্যতম উদাহরণ বিনিময় প্রকল্প। ব্যাংক, এমএফএস ও পিএসপি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে লেনদেন নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সুইস স্থাপনের জন্য জয়, দেবদুলাল রায় ও মেজবাউল হকের যোগসাজশে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রকৃত খরচের চেয়ে ২০ গুণ অর্থ ব্যয় করে বিনিময় প্রকল্প শুরু করা হয়। এই প্রকল্প পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর প্রতিষ্ঠানের ভেলওয়ার লিমিটেড সঙ্গে অর্ধেক লভ্যাংশ শেয়ারের জন্য একটি চুক্তি করা হয়।
ভারতের টাইম ইন্ডিয়া নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে 'টাকা পে ন্যাশনাল ডেবিট কার্ড' প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। জয়ের মালিকানাধীন হোম পে নামে প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের যৌথ মালিকানায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভারতের যে কোনো এআইএম থেকে টাকা উত্তোলনের উদ্দেশ্যে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (এনপিসি) এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ডেটা সেন্টারের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের কাজ চলমান আছে।
জয়ের ব্যবসায়ীক ক্ষেত্র বৃদ্ধির জন্য দেবদুলাল রায় ও মেজবাউল হকের পরিকল্পনায় বাংলাদেশ ব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমের সব পদ্ধতি বেসরকারিকরণের জন্যে যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করে রেখেছেন। তবে এবিষয়ে দাপ্তরিক কোনো সার্কুলার হয়নি।
নির্বাহী পরিচালক (আইসিটি) দেবদুলাল রায়
দেবদুলাল ও আটক হওয়া প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক একই স্কুলের ছাত্র ছিলেন। পূর্ব পরিচিত হওয়ায় পলক দেবদুলাল ও মেজবাউল হককে জয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ব্যাংকিং সেক্টরের আইসিটিকে নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও ক্রয় কাজে সিন্ডিকেট তৈরি করেন। এছাড়াও জয়, দেবদুলাল ও মেজবাউল হক মিলে পেমেন্ট সিস্টেমস এবং আইসিটি বিভাগের সকল ক্রয় সংক্রান্ত কাজে বিভিন্ন আইসিটি পণ্যের উৎপাদক, ডিস্ট্রিবিউটর ও সরবরাহকারী মিলে এক অবিচ্ছেদ্য সিন্ডিকেট করে ১ টাকার পণ্য ১০০ টাকায় ক্রয় করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে বাধ্য করায়।
দেবদুলাল রায় ও মেজবাউল হকের পরিকল্পনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডাটা সেন্টার বেসরকারি খাতে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরুর আলোচনা করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সকল আইসিটি সিস্টেমস কেনাকাটা দেব-দুলালের হাতে কুক্ষিগত হয়ে আছে। প্রকিউরমেন্ট সেকশনটি তার সহযোগী জনবল দিয়ে সাজিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সেকশনের উপর থেকে নিচের সকল কর্মকর্তার তালিকায় আছে আইসিটি বিভাগের দুই পরিচালক । তারা হলেন- চন্দন সাহা ও পঙ্কজ কুমার মল্লিক।
অতিরিক্ত পরিচালকদের মধ্যে বিষ্ণু পদ বিশ্বাস, যুগ্ম পরিচালক প্রকাশ চন্দ্র মণ্ডল, উপপরিচালক মিথুন সরকারের সমন্বয়ে সাজিয়ে নিয়ে সকল অপকর্ম করে যাচ্ছেন দেবদুলাল।
ব্যাংক খাতের ঋণ ব্যবস্থাপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে 'সিআইবি'। সিআইবিকে ব্যবসা ও চরম দুর্নীতি করার অভিলাষে বেসরকারি খাতে দেবার নীতিগত সিদ্ধান্ত সম্পন্ন হয়েছে। এ বিষয় অযাচিতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট থেকে সার্কুলার করা হয়েছে। দেবদুলাল সিআইবি-সফটওয়্যারে সকল কন্ট্রোল নিয়ে কর্মকর্তাদের কর্মহীন করে রেখেছেন। ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ঋণ তথ্য আপডেট করার ও সিস্টেমে তা নয় ছয় করার কন্ট্রোল দেব-দুলালের হাতে নিয়েছেনে।
বাংলাদেশ ব্যাংকে বর্তমানে চলমান সিবিএস ভারতীয় প্রতিষ্ঠান টাটা কনসাল্টিং সার্ভিসেস (আইসিএস) থেকে ক্রয় করা। মেজবাউল হক এবং দেবদুলাল রায় আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য এ কাজ করেছেন। গত ১৬ বছর ধরে এই সফটওয়্যার এর সার্ভিস চার্জের নামে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অনসাইট সার্ভিস দেওয়ার জন্যে ভারতীয়দের ব্যাংকের ভেতরে ওয়ার্ক ভিসা ছাড়াই কাজ করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। অথচ এ সুবাদে বাংলাদেশের ফিন্যান্সিয়াল ডেটা ভারতের কাছে অবাধে চলে যাবার ঝুঁকি বিবেচনা করা হয়নি। এই সফটওয়্যার বাংলাদেশ ব্যাংকের আইসিটি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তৈরির সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও দেবদুলাল রায় নির্বাহী পরিচালক (আইসিটি) গত ১২ বছর ধরেও বাস্তবায়ন হতে দেননি। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রমকে পরোক্ষভাবে ভারতের উপর নির্ভরশীল রাখার অপচেষ্টা করেছেন তিনি।
নির্বাহী পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম
বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেক নির্বাহী পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম এস আলমের এজেন্ট, প্রচুর অবৈধ টাকার মালিক ও ব্যাংকের স্বার্থ বিরোধী কাজ করেছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে এই কর্মকর্তার বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এছাড়া দেবদুলাল, আনোয়ারুল ইসলাম ও মেজবাউল হককে ডেপুটি গভর্নর পদে পদোন্নতি না দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। ন্যায় বিচার ও প্রতিষ্ঠানটির স্বার্থে তারা ‘ক্লিন ইমেজের’কর্মকর্তাদের ডেপুটি গভর্নর পদে পদোন্নতির দাবি করেছেন।
এএসএম/
পাঠকের মতামত:
- জেনেক্স ইনফোসিসের বিডির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- বারাকা পাওয়ারের বিডির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ট্রাস্ট ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- এসিআই পিএলসির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- এসিআই ফরমুলেশনের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- বার্জার প্ইেন্টসের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ওয়াটা কেমিক্যালসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ক্রাফটসম্যান ফুটওয়্যারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- জিবিবি পাওয়ারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- আইসিবির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ইজেনারেশনের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ফার্স্ট ফাইন্যান্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- টেকনো ড্রাগসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ব্যাংক এশিয়ার তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- চীনে পাচারের উদ্দেশ্যে ১২ পাহাড়ি নারী
- ৩১ অক্টোবরের চাপ নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী
- ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য জানালো অ্যাপেক্স উইভিং
- মিডল্যান্ড ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- প্রগতী ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- স্টাইলক্র্যাফটের ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ
- সায়হাম টেক্সটাইলের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ইনডেক্স এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ‘সরকারি পয়সা নষ্ট’ সমালোচনার জবাবে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী
- ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন এমপি আবদুল আজিজ
- চীনের বিশাল বাজার ধরতে বাংলাদেশের জন্য ৬ বড় সুযোগ
- বাতিল রাষ্ট্রপতির তিন জেলায় সফর
- জাপানি বিনিয়োগ ও রাষ্ট্র সংস্কারে বিশেষ জোর প্রধানন্ত্রীর
- এস্কয়ার নিট কম্পোজিটের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- যমুনা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- রবি আজিয়াটার তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য জানালো সাফকো স্পিনিং মিলস
- ইউএইতে জনতা ব্যাংকের ৪ শাখা বন্ধের শঙ্কা, জরুরি বৈঠক চায় বোর্ড
- বিপাকে গ্রাহক, ইনফিনিক্সের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
- এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- দুই বিয়ে নিয়ে বিতর্কের পর নতুন ঘোষণা মাসুদের
- সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- কুইন সাউথ টেক্সটাইলের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ৩২ কোম্পানির ডিভিডেন্ড এক নজরে
- শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ড্রাগন স্যুয়েটারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- জিল বাংলা সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- শেয়ারবাজারে ১০ টেক্সটাইল বন্ধ, বিপাকে হাজারো ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী
- স্বর্ণের দাম কমেছে, ২৪ অক্টোবরের পূর্ণাঙ্গ মূল্যতালিকা
- সোনার দামে স্বস্তি, ২২ ক্যারেটের নতুন দর প্রকাশ
- মুন্নু ফেব্রিক্সের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার নতুন দাম এক নজরে
- শেয়ারবাজারে আসছে সিটি গ্রুপ, লক্ষ্য ১২ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন
- দুই কোম্পানি ‘বি’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে শেয়ার স্থানান্তর
- গ্রাহকদের টাকা দিতে ন্যাশনাল ব্যাংকের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১১ শর্ত
- পাঁচ মিউচুয়াল ফান্ডে কারসাজির অভিযোগ, তদন্তে নেমেছে বিএসইসি
- স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- নতুন কোম্পানির শেয়ারে প্রথম দিনেই বড় মুনাফার সুযোগ
- ঋণ কেলেঙ্কারির ভারে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে আইএফআইসি ব্যাংক
- সপ্তাহজুড়ে ৮ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- শাহজীবাজার পাওয়ারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- স্কয়ার টেক্সটাইলের ডিভিডেন্ড ঘোষণা










.jpg&w=50&h=35)


