বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে ৬ আন্তর্জাতিক সংগঠনের উদ্বেগ
নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছে ৬টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন। বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখার আহ্বানও জানিয়েছে তারা। মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) রবার্ট এ. কেনেডি হিউম্যান রাইটস-এর ওয়েবসাইটে এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানান হয়।
৬টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন হলো- রবার্ট এ. কেনেডি হিউম্যান রাইটস (আরএফকেএইচআর), ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট জাস্টিস প্রজেক্ট (সিপিজেপি), দ্য ইউনাইটেড এগেইনস্ট টর্চার কনসোর্টিয়াম (ইউএটিসি), এশিয়ান ফেডারেশন এগেইনস্ট ইনভলান্টারি ডিজঅ্যাপেয়ান্সেস (এএফএডি), এন্টি-ডেথ পেনাল্টি এশিয়া নেটওয়ার্ক (এডিপিএএন) এবং ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিশন এগেইনস্ট এনফোর্সড ডিজঅ্যাপেয়ারেন্সেস (আইসিএইডি)।
বিবৃতিতে সংগঠনগুলো জানিয়েছে, ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এখানে মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং নাগরিক সমাজের স্থান সংকুচিত হয়ে আসছে। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাই বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে এবং মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখায় ব্যবস্থা নিতে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২৮ অক্টোবর বিরোধীদের দমন করতে সহিংসতার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এ বছর অক্টোবরের শেষের দিক থেকে রাজনৈতিক বিরোধীদের সমন্বিত র্যালি ও প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে। এসব প্রতিবাদকারী ও রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীকে দমন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সহিংসতা ফিরিয়ে এনেছে। এই দমনপীড়নে একজন সাংবাদিকসহ ১৭ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন বিরোধী দলের ৮ হাজার ২৪৯ জন নেতা। এছাড়াও হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে আয়োজিত মানববন্ধনে পুলিশ, ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় জরুরিভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালো করেছে।
বিবৃতিদাতারা মনে করেন, সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে আইনপ্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের বৈষম্যমূলক আচরণ এবং অতিমাত্রায় কাঁদানে গ্যাস, লাঠি, লাঠিপেটা, রাবার বুলেট ব্যবহার এবং একই রকম অন্যান্য ব্যবস্থার ব্যবহার উদ্বেগকে গুরুতর করে তুলেছে। পুলিশের এসব অস্ত্রের অপব্যবহার মোকাবিলায় অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এসব অস্ত্রের অযৌক্তিক ব্যবহার শুধু নাগরিকদের মৌলিক মানবাধিকারই লঙ্ঘন করে এমন নয়। একই সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি করে। সৃষ্টি করে এমন একটি পরিবেশ, যা ভিন্নমতাবলম্বী, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং গণতান্ত্রিক আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করে।
বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জরুরি ভিত্তিতে মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘের ‘বেসিক প্রিন্সিপালস অন দ্য ইউজ অব ফোর্স অ্যান্ড ফায়ারআর্মস বাই ল এনফোর্সমেন্ট অফিসিয়ালস’ এবং জাতিসংঘের ‘হিউম্যান রাইটস গাইডেন্স অব লেস-লেথাল উইপন্স ইন ল এনফোর্সমেন্ট’।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অক্টোবরের শেষের দিকে বাংলাদেশ সরকার গণহারে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে আটক করেছে, যারা বিরোধী দলের বা বিরোধী দলের সমর্থক হিসেবে মনে করা হয়। ৮৩৪টি মিথ্যা মামলার অভিযোগে এদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৈধ প্রেক্ষাপট থাকা সত্ত্বেও অব্যাহতভাবে এসব মামলায় জামিন অগ্রাহ্য করা হচ্ছে। যথাযথ প্রক্রিয়ার নিশ্চয়তাকেও বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। নিরাপত্তা হেফাজতে নির্যাতনের এই অভিযোগ শুধু গত মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আগেও একই রকম অভিযোগের প্রতিবেদন করা হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে প্রহার, বৈদ্যুতিক শক, ওয়াটারবোর্ডিং, ইচ্ছাকৃতভাবে গুলি করে দেয়ার মতো দৃশ্য তৈরি করা- হাঁটুর নিচে গুলি করা, ভুয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য তৈরি করা এবং জোরপূর্বক নগ্ন করা।’ গণহারে বিরোধী দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের অভিযুক্ত করতে সরকার বিচার বিভাগকে ব্যবহার করছে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের হেভিওয়েট প্রার্থীদের অযোগ্য করতে রাতেও আদালতে বিচার করছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, এগুলো কয়েক মাস আগেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। গণহারে এই আটক এবং অভিযুক্ত করার মধ্য দিয়ে শুধুমাত্র মত প্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত সততা এবং সুষ্ঠু বিচারের অধিকারকেই ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে এমন না। একই সঙ্গে পুরো পরিবারকে সীমাহীন হতাশায় ডুবিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কারণ, অনেক ক্ষেত্রেই আটক ব্যক্তি তার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস।
বলা হয়, সহিংসতা ও নির্বিচারে আটক বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের অবস্থার এক ভয়াবহ চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। জনগণ আগামী মাসে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি করছে যখন, তখন এসব নির্যাতন করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের মৌলিক মূলনীতিকে সমুন্নত করার পরিবর্তে বাংলাদেশ সরকার সহিংস ও দমনপীড়নের মতো পদক্ষেপ ব্যবহার করছে। তাতে ভয়, উদ্বেগ এবং নাগরিকদের জন্য চরম অনিরাপদ এক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এই সহিংস দমনপীড়নের বিষয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন- ‘বাংলাদেশ যেহেতু ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, তখন রাজনৈতিক সহিংসতা, বিরোধী দলের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার, কয়েক হাজার রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের গণহারে গ্রেপ্তার, কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ, আন্দোলনে ব্যাঘাত ঘটাতে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া, প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদেরকে হয়রানি, ভীতি প্রদর্শন ও বেআইনি আটকের ঘটনা বৃদ্ধিতে তারা গভীরভাবে হতাশ।
এছাড়াও বিবৃতিতে ডাটা সুরক্ষা আইনকে আরেকটি উদ্বেগের বিষয় বলে দাবি করা হয়েছে। এতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে নাগরিকের ডাটায় বাধাহীন প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছে। যদি জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরোধ অথবা কোনো অপরাধ শনাক্ত হয় বলে মনে হয়, তখনই তারা এটা ব্যবহার করতে পারবে। এই ক্ষমতার অপব্যবহারে ব্যাপক বিস্তৃত নজরদারি সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষ করে রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের। এর ফলে মানবাধিকার, বিশেষ করে ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্যের বিষয়ে হুমকি হয়ে উঠতে পারে। যেসব ক্ষেত্রে এসব ডাটা সংগ্রহ করা হবে এবং ডাটার সুযোগ প্রয়োজন হবে- তা পরিষ্কারভাবে সংজ্ঞায়িত করা উচিত। এসব ক্ষেত্রে সময়োপযোগী নিরপেক্ষ বিচারিক পর্যালোচনা প্রয়োজন।
সহিংসতা, নিপীড়ন, রাজনৈতিক বিরোধীদের ভীতি প্রদর্শন অবিলম্বে বন্ধ রাখার জন্য বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বিবৃতি স্বাক্ষরকারী সংগঠনগুলো চারটি সুপারিশ তুলে ধরেছে। এতে বাংলাদেশের মানবাধিকার ও নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সুপারিশগুলো হলো-
অবিলম্বে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা, নিজের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সততাকে যাতে সম্মান ও সুরক্ষিত রাখা হয়- তা নিশ্চিত করতে হবে।
অবিলম্বে নিঃশর্তভাবে সব রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। আটক অধিকারকর্মী এবং বিরোধী দলের সদস্যদের মুক্তি দিতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ বিচারিক প্রক্রিয়া। মানবাধিকার লঙ্ঘনের পূর্ণাঙ্গ এবং নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। এর মধ্যে থাকবে মৃত্যু এবং নির্যাতনের অভিযোগগুলোও। আন্তর্জাতিকমানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাটা সুরক্ষা আইনের খসড়াকে পুনর্মূল্যায়ন এবং রিভাইস করতে হবে।
শেয়ারনিউজ, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩
পাঠকের মতামত:
- সালভো কেমিক্যালের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- এমারেল্ড অয়েলের উৎপাদন শুরুর পথে বাধা বিদ্যুৎ ও ধানের কুঁড়ার সংকট
- ভারতের উত্তাল অবস্থার মধ্যেই নতুন করে উত্তাল পাকিস্তান
- রক্ষণাবেক্ষণ ও পণ্যের মানসংক্রান্ত সমস্যায় রিংশাইনের কারখানায় সাময়িক ছাঁটাই
- হানাফি হলে ৩ তালাক একসাথে হয় সালাফি হলে ১ তালাক হয় কিন্তু কেন?
- দরপত্রে বিক্রি বন্ধে নগদ প্রবাহে সংকট, ব্যাখ্যা দিল টেকনো ড্রাগ
- মক্কার ইমামের ভুল ধরেছিলেন বাংলাদেশী আলেম
- পাঁচ ধরনের জ্বরের লক্ষণ ও পার্থক্য এক নজরে
- শেখ হাসিনা ফেরা-না ফেরার যত বিপদ!
- সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা, বিপাকে কোটি মানুষ
- অনির্দিষ্টকালের জন্য ৫ পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা
- প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঘটনা যেখানে, অভিযুক্ত কালু গ্রেপ্তার
- বাংলাদেশ ল্যাম্পসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- বিএসআরএম স্টিলের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- সূচকে ৪৫ পয়েন্টের পুনরুদ্ধার, তবুও আস্থার সংকট কাটেনি
- বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর বড় বিপাকে বলিউড অভিনেতা ইমরান!
- ১৫ অক্টোবর ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- ১৫ অক্টোবর লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৫ অক্টোবর দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৫ অক্টোবর দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- চার কোম্পানির শেয়ার লেনদেন ও বোর্ড সভা সংক্রান্ত ঘোষণা
- গুগলে পুরুষদের সবচেয়ে বেশি সার্চ করা ৫ প্রশ্ন
- পোশাক টেনে অপমান ও মারধরের অভিযোগ নিয়ে নতুন বিতর্ক
- ৭০০ কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য, শেয়ারবাজারে প্রতারণার নতুন উদ্বেগ!
- বাংলাদেশকে ঘিরে চীনের নতুন চাল
- ককরোচ পার্টির পর মাঠে মাছি জনতা পার্টি, জানুন তার পরিচয়
- আটকের বিতর্কের মধ্যেই ধ্রুব রাঠিকে নিয়ে মোদির নতুন চাল
- মানচিত্র নিয়ে মুখোমুখি ভারত-চীন, বাড়ছে উত্তেজনা
- রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের বড় ঘোষণা, সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে নতুন হিসাব
- আইভীর জামিন শুনানির পর যা ঘটল, গ্রেপ্তার আইনজীবীসহ তিনজন
- শনিবার শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে কি, জানা গেল সর্বশেষ সিদ্ধান্ত
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামের নতুন তালিকা
- আজকের আবহাওয়া নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- বিশ্বের যে দুই দেশে বিবাহবিচ্ছেদের সুযোগ নেই
- ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- উত্তরা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ডিভিডেন্ড বিতরণ না করায় ৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
- শেয়ারবাজারের ১৭০০ কোটি টাকার দায়িত্ব নিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির তথ্য ফাঁসের দায়ে বিএসইসি কর্মকর্তার শাস্তি
- বিএসইসির নতুন নির্দেশনা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবেন পরিচালকেরা
- বিএসআরএম লিমিটেডের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ১০ কোম্পানি
- শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- নাহি অ্যালুমিনিয়ামের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ফারইস্ট নিটিংয়ের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- হাসিনার পর এবার মোদি, ওয়াশিংটনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
- আলোচনায় শাহরিয়ার আলমের স্ত্রীর পরিচয়
- শেয়ারবাজারে ওয়াশ ট্রেড ও ইনসাইডার ট্রেডিং, বিএসইসির কঠোর ব্যবস্থা
- ১৪ অক্টোবর লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৪ অক্টোবর দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ডিভিডেন্ড বিতরণ না করায় ৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ৮ কোম্পানি
- নাহি অ্যালুমিনিয়ামের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- শেয়ারবাজারের ১৭০০ কোটি টাকার দায়িত্ব নিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান
- দুর্গাপূজার লম্বা ছুটির সূচিতে ডিএসইর লেনদেনের নতুন সময়সূচি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে সাত কোম্পানি
- সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ১০ কোম্পানি
- ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের জালে ফেঁসে যাচ্ছে তালিকাভুক্ত কয়েক কোম্পানি
- ডরিন পাওয়ারের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- বাংলাদেশের গানের সুরে এবার উত্তাল ভারত
- ডিভিডেন্ড ঘোষণার খবরে দুই শেয়ারে উল্লম্ফন, দুই শেয়ারে পতন
- ফারইস্ট নিটিংয়ের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- বিএসআরএম লিমিটেডের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের আজকের দাম একনজরে
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর
- শেখ হাসিনা ফেরা-না ফেরার যত বিপদ!
- সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা, বিপাকে কোটি মানুষ
- প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঘটনা যেখানে, অভিযুক্ত কালু গ্রেপ্তার
- আইভীর জামিন শুনানির পর যা ঘটল, গ্রেপ্তার আইনজীবীসহ তিনজন
- শনিবার শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে কি, জানা গেল সর্বশেষ সিদ্ধান্ত













