তফসিল বাতিল চেয়ে ১৪১ অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিবৃতি
নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল বাতিল ও বিরোধী নেতাকর্মীদের মুক্তির আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন ১৪১ জন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা।
বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলেন, দেশের জনগণ ও গণতান্ত্রিক বিশ্বের দাবি উপেক্ষা করে সরকারি দল তথা আওয়ামী লীগের পরামর্শ ও নির্দেশনা মোতাবেক আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন একতরফা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে দেশ ও জাতিকে একটি সংঘাতময় পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন সরকারের একতরফা নির্বাচন আয়োজনে সহায়ক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলেন, সরকার জন-আকাঙ্ক্ষা, অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের দাবি, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, এমিক্যাসকিউরিদের বিশেষজ্ঞ মতামত, এমনকি নিজ দলের সংসদীয় কমিটির মূল সুপারিশ উপেক্ষা করে ১৯৯৬ সনে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে মীমাংসিত ও নন্দিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ২০১১ সনে বাতিল করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ সৃষ্টি করে। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিলের পর ২০১৪ ও ২০১৮ সনে অনুষ্ঠিত দুটি নির্বাচনে জনগণ আর ভোট দিতে পারেনি।
বিশেষ করে ২০০৮-এর পর নতুনভাবে ভোটার হওয়া কোটি কোটি যুবক ভোটার এ পর্যন্ত একবারের জন্যও ভোট দিতে পারেনি। ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনে নজিরবিহীনভাবে ১৫৩ জন সংসদ সদস্যকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করিয়ে নেওয়া হয়। আলোচনার মাধ্যমে সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করলেও ২০১৮ সনের নির্বাচনটি প্রহসনে পরিণত হয়। নির্বাচনের আগের দিন মধ্যরাতে ভোট হয়ে যাওয়ার বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ ওঠে ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে।
ওই কর্মকর্তারা বলেন, দেখা যায় বাংলাদেশে দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সকল নির্বাচনে ক্ষমতাসীনরাই বিজয়ী হয়েছে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সরকার পরিবর্তিত হয়েছে। সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়েই আদালতের রায়ের অজুহাত দেখিয়ে প্রতারণামূলকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে বর্তমান সংকটের সৃষ্টি করেছে। এমনকি নির্বাচন কমিশনসহ কোনো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগেও তার পছন্দের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।
ইতোমধ্যে নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে দলীয় সরকারের ইচ্ছামতো ঢেলে সাজানো হয়েছে। এমন বাস্তবতায় দেশের জনগণ, অধিকাংশ রাজনৈতিক দল এবং গণতান্ত্রিক বিশ্বের প্রত্যাশিত অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে সম্ভব নয়।
অবসরপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তারা বলেন, আমরা গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সাথে লক্ষ্য করছি সরকার ২০১৪ ও ২০১৮-এর ন্যায় আরও একটি একতরফা প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে একের পর এক বিভিন্ন নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। ২৮ অক্টোবর পরবর্তী বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য গায়েবি মামলা দায়ের এবং নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। মৃত, গুম, বিদেশে অবস্থানরত, ইতোপূর্বে গ্রেপ্তার হয়ে কারান্তরীণ ব্যক্তিদেরও নতুন মিথ্যা মামলায় আসামি করা হচ্ছে। এমনকি মৃত ও গুমের শিকার অনেক নেতাকর্মীদের সাজানো মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে।
আইন বহির্ভূতভাবে পিতার পরিবর্তে পুত্রকে, পুত্রের পরিবর্তে পিতাকে, ভাইয়ের বদলে অন্যভাই বা আত্মীয়-স্বজনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে রাতের অন্ধকারে মুখোশধারী লোকজন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে। বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম ব্যবহার করে বিরোধী দলের প্রতি বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার করে চলেছে সরকার।
তারা বলেন, রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে আন্তর্জাতিক মহল কর্তৃক বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের প্রস্তাবও নাকচ করে দিয়েছে সরকার। এহেন পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন সরকারের একতরফা নির্বাচনে সহায়ক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
এ দেশের ভোটাধিকার বঞ্চিত জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে অর্থবহ সংলাপের মাধ্যমে সংবিধানের বাইরে গিয়েও বর্তমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। কারণ, নিকট অতীতে অর্থাৎ ১৯৯১ সাল এবং ২০০৮ সালে সংবিধানের বাইরে যেয়ে এ কাজটি করার নজির রয়েছে। ১৯৯১ সালে ঘটনাত্তোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সে সময় doctrine of necessity প্রয়োগ করে সংবিধানের বাইরে গিয়ে তৎকালীন প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি পদে আসীন করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর তাকে পুনরায় প্রধান বিচারপতি পদে ফেরৎ যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয় যা পরবর্তী সংসদে ঘটনাত্তোর অনুমোদন (ratification) এর মাধ্যমে সংবিধানসম্মত করা হয়। ২০০৭-০৮ সালের সেনা সমর্থিত জরুরী সরকার ৯০ দিনের স্থলে সংবিধানের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত প্রায় ২ বছরকাল ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন পরিচালনা করেন।
অতিরিক্ত মেয়াদকালকে সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬ বাতিল করে প্রদত্ত রায়ে বা আদেশে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক মার্জনা করা হয়। রায়ে বলা হয়, `২০০৭ সালের দ্বিতীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ৯০ দিন মেয়াদ পরবর্তী অতিরিক্ত প্রায় দুই বছরের সময়কাল প্রশ্নবিদ্ধ বিধায় ঐ অতিরিক্ত সময়কালের কার্যাবলী মার্জনা (Condone) করা হইলো। মোদ্দাকথা রাজনৈতিক সমঝোতা হলে প্রয়োজনে doctrine of necessity প্রয়োগ করে যেকোন প্রতিবন্ধকতাই সফলভাবে কাটিয়ে উঠা সম্ভব।
তারা বলেন, আরও একটি বিতর্কিত ও একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হবে। দেশের ও আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগকে উপেক্ষা করে আরও একটি একতরফা প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিকে অগ্রসর হলে এর সকল দায়-দায়িত্ব মূলত সরকারকে বহন করতে হবে বলে আমরা মনে করি।
তারা বলেন, আমাদের সংবিধানের মূল চেতনাই হচ্ছে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। পরমত সহিষ্ণুতা, পারস্পরিক আস্থা, সামাজিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকার গণতন্ত্রের আবশ্যকীয় নিয়ামক। বর্তমানে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে অর্থবহ সংলাপের মাধ্যমে একটি দলনিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পথ খুঁজে বের করার জন্য আমরা ঘোষিত তফসিল বাতিল করার আহবান জানাচ্ছি। এ লক্ষ্যে আমরা অবিলম্বে বিরোধী রাজনৈতিক দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মুক্তি দিয়ে একটি সুস্থ ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাগণের পক্ষে বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- এ এস এম আব্দুল হালিম (সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব), মো. আবদুল কাউয়ুম (সাবেক সচিব, আইজিপি), মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ (সাবেক সচিব), সৈয়দ সুজাউদ্দিন আহমেদ (সাবেক সচিব), মো. আব্দুর রশীদ সরকার (সাবেক সচিব), আবু মো. মনিরুজ্জামান খান (সাবেক সচিব), এ এম এম নাছির উদ্দিন (সাবেক সচিব), মো. মনিরুল ইসলাম (সাবেক সচিব), মো. শরফুল আলম (সাবেক সচিব), এম সিরাজ উদ্দিন (সাবেক যুগ্ম সচিব), ড. মোহাম্মদ জকরিয়া (সাবেক অতিরিক্ত সচিব, ইসি), মকসুমুল হাকিম চৌধুরী (সাবেক অতিরিক্ত সচিব), মো. আবদুজ জাহের (সাবেক অতিরিক্ত সচিব), আফতাব হাসান (সাবেক অতিরিক্ত সচিব), মো. আজিজুল ইসলাম, ইকতেদার আহমেদ (সাবেক জেলা দায়রা জজ ও রেজিস্টার জেনারেল, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট), মো. মনসুর আলম, এ কে এম মাহফুজুল হক, শেখ মো. সাজ্জাদ আলী, মো. মেজবাহুন্নবী, বাহারুল আলম, মোহাম্মদ মাজেদুল হক, মো. খান সাঈদ হাসান, মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, মোহা. আবুল কালাম আজাদ, এম. আকবর আলী, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিজন কান্তি সরকার, এ বি এম আব্দুস সাত্তার, তপন চন্দ্র মজুমদারসহ আরও ১১১ জন।
শেয়ারনিউজ, ২২ নভেম্বর ২০২৩
পাঠকের মতামত:
- লিন্ডে বিডির তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- বিকন ফার্মার ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- সালভো কেমিক্যালের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- এমারেল্ড অয়েলের উৎপাদন শুরুর পথে বাধা বিদ্যুৎ ও ধানের কুঁড়ার সংকট
- ভারতের উত্তাল অবস্থার মধ্যেই নতুন করে উত্তাল পাকিস্তান
- রক্ষণাবেক্ষণ ও পণ্যের মানসংক্রান্ত সমস্যায় রিংশাইনের কারখানায় সাময়িক ছাঁটাই
- হানাফি হলে ৩ তালাক একসাথে হয় সালাফি হলে ১ তালাক হয় কিন্তু কেন?
- দরপত্রে বিক্রি বন্ধে নগদ প্রবাহে সংকট, ব্যাখ্যা দিল টেকনো ড্রাগ
- মক্কার ইমামের ভুল ধরেছিলেন বাংলাদেশী আলেম
- পাঁচ ধরনের জ্বরের লক্ষণ ও পার্থক্য এক নজরে
- শেখ হাসিনা ফেরা-না ফেরার যত বিপদ!
- সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা, বিপাকে কোটি মানুষ
- অনির্দিষ্টকালের জন্য ৫ পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা
- প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঘটনা যেখানে, অভিযুক্ত কালু গ্রেপ্তার
- বাংলাদেশ ল্যাম্পসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- বিএসআরএম স্টিলের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- সূচকে ৪৫ পয়েন্টের পুনরুদ্ধার, তবুও আস্থার সংকট কাটেনি
- বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর বড় বিপাকে বলিউড অভিনেতা ইমরান!
- ১৫ অক্টোবর ব্লকে পাঁচ কোম্পানির বড় লেনদেন
- ১৫ অক্টোবর লেনদেনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৫ অক্টোবর দর পতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৫ অক্টোবর দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- চার কোম্পানির শেয়ার লেনদেন ও বোর্ড সভা সংক্রান্ত ঘোষণা
- গুগলে পুরুষদের সবচেয়ে বেশি সার্চ করা ৫ প্রশ্ন
- পোশাক টেনে অপমান ও মারধরের অভিযোগ নিয়ে নতুন বিতর্ক
- ৭০০ কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য, শেয়ারবাজারে প্রতারণার নতুন উদ্বেগ!
- বাংলাদেশকে ঘিরে চীনের নতুন চাল
- ককরোচ পার্টির পর মাঠে মাছি জনতা পার্টি, জানুন তার পরিচয়
- আটকের বিতর্কের মধ্যেই ধ্রুব রাঠিকে নিয়ে মোদির নতুন চাল
- মানচিত্র নিয়ে মুখোমুখি ভারত-চীন, বাড়ছে উত্তেজনা
- রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের বড় ঘোষণা, সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে নতুন হিসাব
- আইভীর জামিন শুনানির পর যা ঘটল, গ্রেপ্তার আইনজীবীসহ তিনজন
- শনিবার শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে কি, জানা গেল সর্বশেষ সিদ্ধান্ত
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামের নতুন তালিকা
- আজকের আবহাওয়া নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- বিশ্বের যে দুই দেশে বিবাহবিচ্ছেদের সুযোগ নেই
- ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- উত্তরা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ডিভিডেন্ড বিতরণ না করায় ৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
- শেয়ারবাজারের ১৭০০ কোটি টাকার দায়িত্ব নিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির তথ্য ফাঁসের দায়ে বিএসইসি কর্মকর্তার শাস্তি
- বিএসইসির নতুন নির্দেশনা, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবেন পরিচালকেরা
- বিএসআরএম লিমিটেডের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ১০ কোম্পানি
- শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- নাহি অ্যালুমিনিয়ামের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ফারইস্ট নিটিংয়ের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- হাসিনার পর এবার মোদি, ওয়াশিংটনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
- আলোচনায় শাহরিয়ার আলমের স্ত্রীর পরিচয়
- শেয়ারবাজারে ওয়াশ ট্রেড ও ইনসাইডার ট্রেডিং, বিএসইসির কঠোর ব্যবস্থা
- ডিভিডেন্ড বিতরণ না করায় ৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ৮ কোম্পানি
- নাহি অ্যালুমিনিয়ামের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- শেয়ারবাজারের ১৭০০ কোটি টাকার দায়িত্ব নিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামের নতুন তালিকা
- দুর্গাপূজার লম্বা ছুটির সূচিতে ডিএসইর লেনদেনের নতুন সময়সূচি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে সাত কোম্পানি
- সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ১০ কোম্পানি
- ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের জালে ফেঁসে যাচ্ছে তালিকাভুক্ত কয়েক কোম্পানি
- বাংলাদেশের গানের সুরে এবার উত্তাল ভারত
- বিএসআরএম লিমিটেডের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণার খবরে দুই শেয়ারে উল্লম্ফন, দুই শেয়ারে পতন
- ফারইস্ট নিটিংয়ের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের আজকের দাম একনজরে
জাতীয় এর সর্বশেষ খবর
- শেখ হাসিনা ফেরা-না ফেরার যত বিপদ!
- সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা, বিপাকে কোটি মানুষ
- প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঘটনা যেখানে, অভিযুক্ত কালু গ্রেপ্তার
- আইভীর জামিন শুনানির পর যা ঘটল, গ্রেপ্তার আইনজীবীসহ তিনজন
- শনিবার শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে কি, জানা গেল সর্বশেষ সিদ্ধান্ত













