×
ঢাকা, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

সুন্দরবন ঘেঁষে

১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ

২০২৬ অক্টোবর ০৭ ২২:২৫:১০
১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুন্দরবন ঘেঁষে নির্মিত অনুমোদনহীন ১৮টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এর মধ্যে ১০টি রিসোর্টকে ৩০ দিনের মধ্যে এবং নতুন করে নির্মিত আটটি রিসোর্টকে ১৫ দিনের মধ্যে সব স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ গত রোববার রিসোর্ট মালিকদের লিখিতভাবে এ নির্দেশ দেন।

নির্দেশ পাওয়া ১৮টি রিসোর্ট হলো—অরণ্যছায়া, অরণ্যবাড়ী, কেওড়া বন, মায়াবন, গহন, দ্য ফরেস্ট রিট্রিট, নিকুঞ্জ ভ্যালি, লা সিলভা কটেজ, বনবিবি, সুন্দরী, ইরাবতী, বনমালী, গোলকানন, পিয়ালী, ম্যানগ্রোভ, জঙ্গলবাড়ী, বনবাস ও বনলতা ইকো কটেজ।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নির্দেশনা না মানলে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, নিয়মিত মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুমোদনের কাগজ দিতে পারেনি ১০ রিসোর্ট

পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ জানান, সুন্দরবনের ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও বাণিশান্তা এলাকায় এসব ১৮টি রিসোর্ট অবস্থিত। এলাকাগুলো খুলনা জেলা কার্যালয়ের আওতাধীন হওয়ায় পরিবেশ আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অনুমোদন ছাড়া রিসোর্ট নির্মাণের অভিযোগে এর আগে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। পরে প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে শোকজের জবাব দেওয়া হয় এবং অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তারা দিতে পারেনি।

এ কারণে গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাদের আবেদন বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে ওই ১০টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন আট রিসোর্টকে স্থাপনা সরানোর নির্দেশ

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন তৈরি হওয়া আটটি রিসোর্টকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সাত দিনের মধ্যে গ্রহণযোগ্য স্থানে স্থানান্তরের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

এর পরিপ্রেক্ষিতে এসব রিসোর্টকে সাত দিনের মধ্যে কার্যক্রম বন্ধ এবং ১৫ দিনের মধ্যে সব স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হারুন-অর-রশীদ আরও বলেন, চিলা, বৈদ্যমারী ও চাঁদপাই এলাকা বাগেরহাট জেলার মধ্যে পড়ায় সেখানকার রিসোর্টগুলোর বিষয়ে খুলনা জেলা কার্যালয়ের কাছে কোনো তথ্য নেই।

মুয়াজ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর

উ
প
রে