ঢাকা, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬

বিমা কোম্পানির তথ্য নিয়ে প্রশ্ন, ডাবল সার্ভার বন্ধে আলটিমেটাম

২০২৬ আগস্ট ২৯ ১২:৪৬:১৪
বিমা কোম্পানির তথ্য নিয়ে প্রশ্ন, ডাবল সার্ভার বন্ধে আলটিমেটাম

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিমা কোম্পানিগুলোর তথ্য গোপন এবং একাধিক বা ‘ডাবল সার্ভার’ ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। এসব গোপন বা অতিরিক্ত সার্ভার বন্ধ করে তথ্য ব্যবস্থাপনা একীভূত করতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে ছয় সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত কিংবা গোপন সার্ভার সরিয়ে সব তথ্যের ব্যবস্থাপনা একীভূত করতে হবে। কেউ যদি গ্যারেজ, বিছানার নিচে বা অন্য কোনো স্থানে সার্ভার লুকিয়ে রাখে, সেটিও প্রযুক্তিগতভাবে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টার্স ফোরাম (আইআরএফ) আয়োজিত আবাসিক কর্মশালায় এসব কথা বলেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান। কর্মশালায় বিমা খাতের তথ্যের স্বচ্ছতা, ডিজিটাল রূপান্তর, ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি, গ্রাহকের দাবি পরিশোধ এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন তিনি।

মীর নাদিয়া নিভিন বলেন, বিমা কোম্পানিগুলো আইডিআরএকে যে তথ্য সরবরাহ করে, তা সবসময় প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না। বিশেষ করে জীবন ও সাধারণ—উভয় ধরনের বিমা কোম্পানির আলাদা সার্ভার থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে বিমা খাতের প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়ন্ত্রক সংস্থার হাতে পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য থাকে না।

তিনি বলেন, কেবল আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিমা খাতের বাস্তব অবস্থা বোঝা সম্ভব নয়। কোম্পানিগুলোকে প্রকৃত তথ্য সরবরাহ করতে হবে। একই সঙ্গে আইডিআরএকে তথ্য দেওয়ার বিষয়ে আরও শক্তিশালী বিধান করতে হবে এবং গণমাধ্যমকেও পাওয়া তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন তুলতে হবে।

আইডিআরএ চেয়ারম্যানের ভাষ্য, ২০২৬ সালে বসে যদি ২০২৫ সালের অডিট প্রতিবেদন পাওয়া যায়, তাহলে সেটির ভিত্তিতে কার্যকর তদারকি করা কঠিন। তার ওপর কোম্পানিগুলো যে তথ্য দিচ্ছে সেটিই যদি সঠিক না হয়, তাহলে দেড় বছর আগের তথ্য বিশ্লেষণ করে নিয়ন্ত্রকের পক্ষে বর্তমান ঝুঁকি চিহ্নিত করা সম্ভব নয়।

ডিসেম্বরের মধ্যে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি

বিমা খাতে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি বা রিস্ক বেজড সুপারভিশন (আরবিএস) ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মীর নাদিয়া নিভিন বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে এই ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর করা হবে।

তার মতে, আরবিএস চালু হলে কোনো কোম্পানি কী ধরনের তথ্য দিচ্ছে এবং কোথায় তথ্যের ঘাটতি রয়েছে, তা আরও কার্যকরভাবে শনাক্ত করা যাবে। বাংলাদেশে প্রথম নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে আইডিআরএ এই ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

‘ডাবল সার্ভার’ বন্ধে ছয় সপ্তাহের সময়

‘ডাবল সার্ভার’ ব্যবহারের বিষয়ে আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ) এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের (বিআইএফ) কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। যেসব বিমা কোম্পানির একাধিক কিংবা গোপন সার্ভার রয়েছে, সেগুলো একীভূত করার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এটি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর প্রতি সতর্কবার্তা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা ব্যবস্থা নেবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিজের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে মীর নাদিয়া নিভিন বলেন, কোথায় সার্ভার লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তা শনাক্ত করতে প্রযুক্তিগত অডিট করা আইডিআরএর জন্য কঠিন কোনো বিষয় নয়। প্রয়োজনে দেশের যেকোনো স্থান থেকে এসব সার্ভার শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর ও বিএসইসির সঙ্গে সমন্বিত অডিট

বিমা কোম্পানিগুলোর তথ্য গোপনের সুযোগ বন্ধ করতে অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার পরিকল্পনার কথাও জানান আইডিআরএ চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে ব্যাংক হিসাব শনাক্তকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের সঙ্গেও বৈঠক করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে যৌথ অডিটের পরিকল্পনাও চলছে।

মীর নাদিয়া নিভিন বলেন, প্রতিটি বিষয় নিয়ে আলাদাভাবে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে চিঠি দেওয়া এবং জবাব পাওয়ার পরিবর্তে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। এতে কোনো একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান বা কর্মকর্তা পরিবর্তিত হলেও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

চার মাসের মধ্যে চালু হবে ইউনিক পলিসি আইডি

বিমা খাতের ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে পুরো খাতের জন্য অভিন্ন ‘ইউনিক পলিসি আইডি’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান।

বর্তমানে প্রতিটি বিমা কোম্পানি নিজস্ব পলিসি নম্বর ব্যবহার করলেও পুরো বিমা খাতের জন্য অভিন্ন কোনো পরিচয় নম্বর নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যাংক হিসাব নম্বরের মতো পুরো বিমা খাতের জন্য একটি ইউনিক পলিসি আইডি চালু করা হচ্ছে।

আইডিআরের দলগুলো ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিমা কোম্পানিতে গিয়ে আরবিএস ব্যবস্থা স্থাপন, সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ এবং ইউনিক পলিসি আইডি ব্যবস্থা চালুর কাজ করছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে পুরো বিমা খাতে এই ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তার মতে, ইউনিক পলিসি আইডি চালু হলে ভুয়া প্রিমিয়াম দেখানো কিংবা একই ব্যবসার তথ্য আংশিকভাবে উপস্থাপনের মতো অনিয়ম কমে আসবে।

এলসি খোলার আগে আইডিআরের কভার নোট যাচাই

নন-লাইফ বিমা খাতের এলসি ব্যবস্থাপনাতেও ডিজিটাল নজরদারি চালুর পরিকল্পনার কথা জানান মীর নাদিয়া নিভিন।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আইডিআরএ থেকে দেওয়া ইউনিক কভার নোট আইডি ছাড়া কোনো ব্যাংক এলসি খুলতে পারবে না। এলসি খোলার আগে বাংলাদেশ ব্যাংক আইডিআরের সিস্টেমে থাকা তথ্যের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কভার নোট যাচাই করবে।

এর ফলে প্রতিটি এলসির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট বিমা ব্যবসার তথ্য আইডিআরের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। এতে ব্যবসার প্রকৃত পরিমাণ গোপন করার সুযোগ অনেকটাই কমে আসবে বলে জানান তিনি।

আগামী সপ্তাহ থেকে গ্রাহকের টাকা পরিশোধ

বকেয়া দাবি পরিশোধে সংকটে থাকা কয়েকটি বিমা কোম্পানির সম্পদ বিক্রি ও অন্যান্য সম্পদ নগদায়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হবে বলে জানান আইডিআরএ চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে সাত থেকে আটটি কোম্পানিকে নিয়ে কাজ চলছে। এসব কোম্পানির জমি বিক্রি, ট্রেজারি বন্ড, এফডিআরসহ বিভিন্ন সম্পদ নগদায়নের মাধ্যমে পাওয়া অর্থ আইডিআরের তদারকিতে পৃথক ব্যাংক হিসাবে রাখা হয়েছে। ওই অর্থ থেকেই গ্রাহকদের দাবি পরিশোধ করা হবে।

দাবি পরিশোধের ক্ষেত্রে ‘ফার্স্ট ইন, ফার্স্ট আউট’ বা এফআইএফও পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে বলেও জানান তিনি। অর্থাৎ যে গ্রাহকের দাবি আগে জমা হয়েছে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেই গ্রাহকই আগে অর্থ পাবেন।

মীর নাদিয়া নিভিন বলেন, কোম্পানিগুলোর ব্যাংক হিসাবে আইডিআরের তদারকি থাকবে এবং সেখানে নিরীক্ষকরাও উপস্থিত থাকবেন। ফলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর নিজেদের মতো করে ওই অর্থ ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না। কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে পাওয়া গ্রাহকদের দাবির তালিকাও নিরীক্ষকদের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে।

ফারইস্ট দিয়ে শুরু, সম্পদ বিক্রি করে দাবি পরিশোধ

বকেয়া দাবি পরিশোধের উদাহরণ হিসেবে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার দাবি পরিশোধ না করার বিষয় রয়েছে। এ কারণে কোম্পানিটির নতুন প্রথমবর্ষের প্রিমিয়াম সংগ্রহ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে।

তিনি জানান, ফারইস্টের ফেনীতে থাকা একটি জমি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ এবং কিছু বন্ড নগদায়নের অর্থ গ্রাহকদের দাবি পরিশোধে ব্যবহার করা হবে। প্রাথমিকভাবে কয়েকশ কোটি টাকা দিয়ে দাবি পরিশোধের কার্যক্রম শুরু হতে পারে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি সম্পত্তি বিক্রির জন্য দরপত্র দেওয়া হচ্ছে। এসব সম্পত্তি বিক্রি হলে পাওয়া অর্থও ধাপে ধাপে গ্রাহকদের পরিশোধ করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে মীর নাদিয়া নিভিন বলেন, ফারইস্টের সব সম্পদ ও বন্ড নগদায়ন করা হলে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাওয়া যেতে পারে। ওই অর্থ দিয়ে বড় একটি অংশের দাবি নিষ্পত্তির পর কোম্পানিটির ব্যবসার ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হবে।

ঘুষের প্রস্তাব বা দাবি হলেই মামলা

আইডিআরএতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, কোনো বিমা কোম্পানি আইডিআরের কোনো কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে সতর্ক না করে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একইভাবে আইডিআরের কোনো কর্মকর্তা কোনো বিমা কোম্পানির কাছে ঘুষ চাইলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনার কোনো প্রমাণ সাংবাদিকদের হাতে থাকলে তা সরাসরি তাকে জানানোর আহ্বান জানান আইডিআরএ চেয়ারম্যান।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দুর্নীতির ক্ষেত্রে বিমা কোম্পানি হোক কিংবা আইডিআরের কর্মকর্তা—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

১৫০ জন জনবল দিয়ে ৮২ কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ

আইডিআরের জনবল সংকটের বিষয়টিও কর্মশালায় তুলে ধরেন মীর নাদিয়া নিভিন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যেখানে প্রায় ৭ হাজার কর্মী দিয়ে দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণ করছে, সেখানে আইডিআরএকে প্রায় ১৫০ জন জনবল দিয়ে ৮২টি বিমা কোম্পানি তদারকি করতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আইডিআরের আইনি কাঠামোতেও কিছু দুর্বলতা রয়েছে। ২০১০ সালের বিমা আইন বর্তমান আর্থিক খাতের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সময়ের সঙ্গে আইনটি হালনাগাদ করার পাশাপাশি আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

নির্দেশনা না মানলে ব্যবসা কঠিন হবে

বিমা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অংশীদারের মতো কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে আইডিআরের দেওয়া নির্দেশনা কোম্পানিগুলোকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো কোম্পানি নিয়ন্ত্রকের নির্দেশনা অমান্য করলে তাদের জন্য ব্যবসা পরিচালনা কঠিন করে দেওয়া হবে। সামনে আইডিআরএকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের নিয়ন্ত্রক হিসেবে দেখা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মীর নাদিয়া নিভিন বলেন, তার মূল দায়িত্ব হলো পলিসিহোল্ডারদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষা করা। বিমা খাতকে একটি শক্তিশালী আর্থিক খাতে পরিণত করতে হলে সবার আগে তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিমা খাতের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলেই হবে না, প্রতিবেদনে থাকা তথ্য প্রকৃত কি না, সে প্রশ্নও সাংবাদিকদের তুলতে হবে। জনগণের কাছ থেকে পাওয়া বাস্তব চিত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে তুলে ধরলে সংস্কার কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টার্স ফোরামের (আইআরএফ) সভাপতি গোলাম মাওলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ন্যাশনল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কাজিম উদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইআরএফ সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন।

এসএ খান/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর



রে