×
ঢাকা, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আবারও বাড়ল সিগারেটের দাম, কোন স্তরে কত—জেনে নিন

২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৮ ১২:৩৬:৫২
আবারও বাড়ল সিগারেটের দাম, কোন স্তরে কত—জেনে নিন

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম আবারও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকার ন্যূনতম খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ এই স্তরের সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকায় দাম বাড়ছে ৩ টাকা।

সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ৬৫ টাকা বা তার বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অন্যান্য স্তরের সিগারেটের দাম আপাতত অপরিবর্তিত থাকছে। বর্তমানে মধ্যম স্তরের প্রতি ১০ শলাকার দাম ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের দাম ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের দাম ২১০ টাকা বা তদূর্ধ্ব রয়েছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে দেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের ন্যূনতম মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং সিকিউরিটি স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত বিদ্যমান প্রজ্ঞাপন সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিম্নস্তরের তামাকজাত পণ্যের অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ এবং তামাক খাত থেকে রাজস্ব ঘাটতি কমানোর লক্ষ্যেই এই মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকার দাম ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়। এবার সেই দাম আরও ৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৫ টাকা করা হলো।

সিগারেটের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি একই মন্ত্রিসভা বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারির পরবর্তী ১৮০ দিনের জন্য এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ১ শতাংশের অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, ভ্যাট, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে পূর্ণ অব্যাহতির ব্যবস্থা থাকবে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা ও সম্প্রসারণে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত চুক্তিটির মেয়াদ হবে ১০ বছর। সরকারের প্রত্যাশা, এই চুক্তি কার্যকর হলে হংকং থেকে বাংলাদেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়বে। এর মাধ্যমে দেশের শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, মন্ত্রিসভার সর্বশেষ বৈঠকের সিদ্ধান্তে একদিকে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছে, অন্যদিকে সৌরবিদ্যুৎ খাতে আমদানি সুবিধা বাড়ানো এবং হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে