ঢাকা, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

ভিসা বাতিল, জিজ্ঞাসাবাদ, তারপর দেশে ফেরা—মাহদীর পুরো ঘটনাক্রম এক নজরে

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২২ ১০:৩৩:৩৪
ভিসা বাতিল, জিজ্ঞাসাবাদ, তারপর দেশে ফেরা—মাহদীর পুরো ঘটনাক্রম এক নজরে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সম্প্রতি তিনি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি সফরে গেলে সেখানে কী ঘটেছিল—তা নিয়েই বিতর্কের সূত্রপাত।

মাহদী হাসান এর আগে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় তৎকালীন ওসি আবুল কালামকে হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় আলোচনায় আসেন। ওই ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে জামিনে মুক্তি পান।

জানা গেছে, তিনি পর্তুগালের ভিসার জন্য আবেদন করতে দিল্লি যান। বাংলাদেশের নাগরিকদের পর্তুগালের ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য দিল্লিতে আবেদন করতে হয়, তাই ভারতীয় ভিসা নিয়ে তিনি সেখানে প্রবেশ করেন। ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য তিনি কনট প্লেসের একটি বেসরকারি ভিসা সেন্টারে যান। সঙ্গে ছিলেন এক নারী, যিনি তার আত্মীয় বলে জানা গেছে।

তিনি পাহাড়গঞ্জ এলাকায় একটি হোটেলে উঠেছিলেন বলেও জানা যায়।ভিসা সেন্টারে অপেক্ষা করার সময় কেউ তাকে চিনে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এরপর থেকেই ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার ওপর নজরদারি শুরু করে বলে জানা গেছে।

একাধিক সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার সকাল থেকে তার কাছে বিভিন্ন ভারতীয় ও বাংলাদেশি নম্বর থেকে ফোন আসতে থাকে। এতে তিনি বুঝতে পারেন যে বিষয়টি নজরে এসেছে।

সূত্রগুলোর মতে:তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়নি।বিমানবন্দরে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় তাকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।প্রায় আধঘণ্টা ধরে বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা তাকে জেরা করেন।

তাকে জানানো হয়, ভারতবিরোধী বক্তব্য এবং একজন হিন্দু পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি করার মতো অভিযোগ থাকা ব্যক্তিকে ভারতে অবস্থান করতে দেওয়া হবে না।

এরপর তার ভারতীয় ভিসা বাতিল করা হয় বলে একটি সূত্র দাবি করেছে। যদিও তিনি আগেই বুঝতে পেরেছিলেন যে তার পক্ষে ভারতে থাকা সম্ভব নয়।তিনি একটি ফ্লাইটে বুধবার ঢাকায় ফেরেন। ঢাকায় পৌঁছে তিনি বলেন, তাকে ‘এসএডি লিডার’ হিসেবে আটক করে হয়রানি করা হয়েছে এবং তিনি “লাইফ রিস্কে” ছিলেন।

তবে ক্রিপ্টোকারেন্সি বহনের অভিযোগকে তিনি গুজব বলে উড়িয়ে দেন।বাংলাদেশে ফিরে বিমানবন্দরেও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে তিনি জানান, তবে পরে তাকে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়।

ভারতীয় সূত্রগুলো বলেছে, তাকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়নি। অন্যদিকে মাহদী হাসান দাবি করেছেন, তাকে যথাযথ নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি এবং তিনি হয়রানির শিকার হয়েছেন।ঘটনাটি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে