ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
Sharenews24

বাংলাদেশের সবচেয়ে শিক্ষিত ও স্মার্ট ১০ রাজনৈতিক নেতা !

২০২৫ আগস্ট ২৯ ১১:১৪:৫৪
বাংলাদেশের সবচেয়ে শিক্ষিত ও স্মার্ট ১০ রাজনৈতিক নেতা !

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেক নেতাই কেবল জনপ্রিয়তা বা দলীয় পরিচয়ে নয়, বরং তাঁদের উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত দক্ষতার কারণেও বিশেষভাবে পরিচিত। এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো এমন কিছু শিক্ষিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যারা শুধু রাজনীতি নয়, নিজ নিজ ক্ষেত্রে ছিলেন সফল পেশাজীবীও।

১. ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা একজন উচ্চশিক্ষিত ও সুদর্শন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

শিক্ষা: মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন হলি ক্রস গার্লস স্কুল থেকে এবং উচ্চমাধ্যমিক ভিকারুননিসা নূন কলেজ থেকে।

উচ্চশিক্ষা: লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক এবং লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করেন।

বিশেষত্ব: যুক্তিশীল বক্তব্য ও প্রখর আইনজ্ঞান তাঁকে আলোচনায় রাখে।

২. অধ্যাপক আসিফ নজরুল

আসিফ নজরুল একজন প্রখ্যাত লেখক, অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

শিক্ষা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর (১৯৮৬-৮৭)।

উচ্চতর ডিগ্রি: যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের সোয়াস থেকে পিএইচডি এবং জার্মানির বন শহর থেকে পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপ।

পেশা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা।

৩. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল একজন অভিজ্ঞ শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ।

শিক্ষা: ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর।

পেশা: বিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন ঢাকা কলেজে।

রাজনীতি: প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক এমপি।

৪. মাওলানা মামুনুল হক

একজন আলোচিত ইসলামী চিন্তাবিদ ও রাজনীতিবিদ।

ধর্মীয় শিক্ষা: হেফজ সম্পন্ন করেন ১২ বছর বয়সে, বেফাক বোর্ডের অধীনে দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেন।

সাধারণ শিক্ষা: এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও মাস্টার্স।

রাজনীতি: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব।

৫. আন্দালিব রহমান পার্থ

তরুণদের কাছে জনপ্রিয় ও শিক্ষিত এক রাজনীতিক।

শিক্ষা: সেন্ট জোসেফ স্কুল ও গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে পড়াশোনা।

উচ্চশিক্ষা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে অধ্যয়ন এবং পরে লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি।

পেশা: ব্যারিস্টার অ্যাট ল এবং মিডল টেম্পল থেকে অন্তর্ভুক্ত। যুক্তিসমৃদ্ধ বক্তব্যের জন্য পরিচিত।

৬. সৈয়দ ফয়জুল করিম

চরমোনাই পীর নামে পরিচিত এই নেতা একজন ইসলামি শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক।

শিক্ষা: আলিয়া ও কওমি মাদ্রাসা থেকে কামিল, ফিকহ ও হাদিসে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ।

রাজনীতি: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির। সাধারণ মানুষের পাশে থাকায় সম্মানিত।

৭. ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ

এবি পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব, সাহসী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

পরিচিতি: দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব।

শিক্ষাগত তথ্য: ব্যারিস্টারি শিক্ষায় সুদক্ষ ।

৮. ড. শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও একজন চিকিৎসক।

শিক্ষা: বরমচাল হাইস্কুল ও এমসি কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি।

চিকিৎসা শিক্ষা: সিলেট মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস (১৯৮৩)।

বিশেষত্ব: ধর্মীয় মূল্যবোধ ও পেশাগত যোগ্যতার এক অনন্য সমন্বয়।

৯. ড. মুহাম্মদ ইউনূস

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ।

শিক্ষা: চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ও কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক।

উচ্চশিক্ষা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর, পরে ফুলব্রাইট স্কলারশিপে আমেরিকায় পিএইচডি (ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়)।

বিশেষত্ব: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন, বিনয়ী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব।

উল্লেখিত রাজনীতিকদের শিক্ষাগত ও পেশাগত অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক শিক্ষিত ও চিন্তাশীল মানুষ রয়েছেন। তাঁদের ভূমিকাই হতে পারে ভবিষ্যতের জন্য একটি দায়িত্বশীল, জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের ভিত্তি।

জাহিদ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে