×
ঢাকা, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

দিল্লির দাপটে ধাক্কা, বাংলাদেশে চীনের বড় চাল 

২০২৬ অক্টোবর ২৬ ১৭:৫৯:৫৭
দিল্লির দাপটে ধাক্কা, বাংলাদেশে চীনের বড় চাল 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও চীনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে বাংলাদেশে চীনের পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ, অবকাঠামো সহযোগিতা এবং কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করছে।

অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে আগের সরকারের সময়ে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনার উদ্যোগ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যনীতিতে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আলোচনাকে সামনে এনেছে। তবে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ভারতের সঙ্গে চুক্তি পর্যালোচনাকে সরাসরি ভারতের আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতার প্রমাণ হিসেবে দেখা যায় না। বরং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ, কূটনৈতিক ভারসাম্য এবং বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনার সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ। ২০১০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা ১৬ বছর চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার ছিল। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে দুই দেশের বাণিজ্য ১২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর তথ্য এই সম্পর্কের ব্যাপ্তি আরও স্পষ্ট করেছে।

বাংলাদেশের শিল্প খাতে চীন থেকে আমদানি করা যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিকস, শিল্পের কাঁচামাল ও বিভিন্ন মধ্যবর্তী পণ্যের ব্যবহার রয়েছে। দেশের তৈরি পোশাক, নির্মাণ, বিদ্যুৎ এবং উৎপাদনশিল্পের অনেক খাত চীনা সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত। ফলে দুই দেশের বাণিজ্য কেবল ভোগ্যপণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিল্প উৎপাদন ও অবকাঠামো উন্নয়নেও এর প্রভাব রয়েছে।

তবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়লেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সুবিধা সমানভাবে বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই। আমদানি ও রপ্তানির ব্যবধান, স্থানীয় শিল্পের সক্ষমতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং নতুন কর্মসংস্থান—এসব সূচকও বিবেচনায় নিতে হবে। বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হচ্ছে চীন থেকে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও প্রযুক্তি আমদানির পাশাপাশি দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর সুযোগ তৈরি করা।

চীনের বিশাল ভোক্তাবাজার বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্যপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি করছে। দুই দেশের সহযোগিতার আলোচনায় আম ও কাঁঠালের মতো কৃষিপণ্যের বাজারে প্রবেশাধিকার পাওয়ার বিষয়টি এসেছে। পেয়ারা ও সুগন্ধি চালের বাজার সম্প্রসারণ নিয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের কৃষিপণ্য চীনের বাজারে আরও বেশি পরিমাণে রপ্তানি করতে হলে শুধু শুল্কসংক্রান্ত সুবিধা যথেষ্ট নয়। পণ্যের মান, খাদ্যনিরাপত্তা, উদ্ভিদস্বাস্থ্য সনদ, সংরক্ষণব্যবস্থা, প্যাকেজিং এবং সময়মতো পরিবহন নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে ফলের মতো পচনশীল পণ্যের ক্ষেত্রে আধুনিক কোল্ড চেইন ও সরবরাহব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।

রপ্তানি বহুমুখীকরণ সফল হলে বাংলাদেশের কৃষক, প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান ও রপ্তানিকারকেরা নতুন বাজার পেতে পারেন। একই সঙ্গে চীনের বাজারে প্রবেশের শর্তগুলো পূরণ করতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা প্রয়োজন হবে।

বাংলাদেশে চীনের পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে চীনা দূতাবাসের প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। একই তথ্যে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে চীনের প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছিল। নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর পাঁচটি চীনা বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত বিনিয়োগ ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে এবং এতে প্রায় ২০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা জানানো হয়েছে।

এসব তথ্য বিনিয়োগ সহযোগিতার সম্ভাবনা তুলে ধরলেও প্রকল্পভিত্তিক বিনিয়োগ, বাস্তবে ব্যয় হওয়া অর্থ এবং ঘোষিত কর্মসংস্থানের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বিনিয়োগের প্রকৃত প্রভাব মূল্যায়নে প্রকল্পগুলো কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, কতজনের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠান কতটা উপকৃত হয়েছে—এসব তথ্য যাচাই করা জরুরি।

চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলও দুই দেশের শিল্প সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ ধরনের শিল্পাঞ্চলে তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিকস, তথ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য উৎপাদনশিল্পের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগ আগ্রহকে বাস্তব বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করার আগে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের চুক্তি, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হবে।

শিল্পাঞ্চলগুলো সফল হলে রপ্তানিমুখী উৎপাদন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, স্থানীয় সরবরাহকারীদের ব্যবসা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়তে পারে। অন্যদিকে, জমি ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সুরক্ষা, জ্বালানি সরবরাহ এবং বিদেশি বিনিয়োগের সঙ্গে স্থানীয় শিল্পের সংযোগ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা অর্থায়ন, নির্মাণপ্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বিভিন্ন প্রকল্পে ভূমিকা রেখেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সড়ক, সেতু, শিল্প অবকাঠামো এবং নগর উন্নয়নের মতো খাতে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ রয়েছে। এসব সহযোগিতা দেশের যোগাযোগব্যবস্থা ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে বড় অবকাঠামো প্রকল্পের ক্ষেত্রে অর্থায়নকারী, নির্মাণকারী, পরামর্শক এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা আলাদা করে দেখা প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে; তাই সেটিকে চীনের অর্থায়নে নির্মিত প্রকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা সঠিক হবে না। কোনো প্রকল্পে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ বা প্রযুক্তিগত অংশগ্রহণ থাকলেও তা পুরো প্রকল্পের অর্থায়নের সমান নয়।

বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে চীনা সহযোগিতা মূল্যায়নের সময় প্রকল্পের ব্যয়, ঋণের শর্ত, বিদ্যুতের উৎপাদনমূল্য, পরিবেশগত প্রভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় বিবেচনায় নেওয়া দরকার। উন্নয়ন সহযোগিতা তখনই সবচেয়ে কার্যকর হয়, যখন তা দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি ঋণ ব্যবস্থাপনা ও জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

স্বাস্থ্যসেবা ও দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা আলোচনায় রয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় চিকিৎসাসামগ্রী, পরীক্ষার কিট, ওষুধ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসামগ্রী সরবরাহে চীনের ভূমিকা ছিল। দুর্যোগের পর মানবিক সহায়তা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগও দুই দেশের সম্পর্কের অংশ।

এ ধরনের সহযোগিতা কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে একটি দেশের ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে এই প্রভাবকে প্রায়ই ‘সফট পাওয়ার’ বলা হয়। তবে মানবিক সহায়তার দীর্ঘমেয়াদি মূল্য নির্ভর করে তা কতটা প্রয়োজনভিত্তিক, স্বচ্ছ এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর হয়েছে তার ওপর।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি ২০২৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জানান, আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার। তিনি বলেন, সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

চুক্তিগুলোর পর্যালোচনা নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল ১৮ সেপ্টেম্বর জানান, এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু পায়নি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ভারতের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এই পরিস্থিতি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন করে আলোচনা ও দর-কষাকষির সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা করা মানেই সব চুক্তি বাতিল করা নয়। প্রতিটি চুক্তির শর্ত, আর্থিক দায়, বাস্তবায়নের অবস্থা এবং বাংলাদেশের জন্য সুবিধা-অসুবিধা আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শুধু রাজনৈতিক নয়; বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, যোগাযোগ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, নদীর পানি এবং মানুষের যাতায়াতের মতো নানা বিষয় এতে জড়িত। ফলে চুক্তি পর্যালোচনার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন যেমন জরুরি, তেমনি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

দক্ষিণ এশিয়ায় চীন ও ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রতিযোগিতা দীর্ঘদিনের। নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের সঙ্গে উভয় দেশের সম্পর্কের ধরন এক নয়; প্রতিটি দেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক প্রয়োজন, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং নিরাপত্তাগত অগ্রাধিকার রয়েছে। তাই পুরো অঞ্চলকে এককভাবে ভারতের প্রভাব থেকে সরে গিয়ে চীনের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে ব্যাখ্যা করা অতিসরলীকরণ হবে।

বাংলাদেশের জন্য চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভারতের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখাও প্রয়োজন। ভৌগোলিক নৈকট্য, স্থল ও নৌ যোগাযোগ, সীমান্ত বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থার কারণে ভারত বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী অংশীদার। অন্যদিকে, চীন বাংলাদেশের বড় বাণিজ্য অংশীদার এবং শিল্প ও অবকাঠামো সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের সবচেয়ে কার্যকর কৌশল হতে পারে একক কোনো শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ককে জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালনা করা। বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, রপ্তানি বাড়ানো, বিনিয়োগের মান উন্নত করা, প্রযুক্তি হস্তান্তর নিশ্চিত করা এবং ঋণের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা—এসব লক্ষ্য কূটনৈতিক ভারসাম্যনীতির বাস্তব ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

সব মিলিয়ে, বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্যের ১২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানো, চীনা বিনিয়োগের বিস্তার এবং ভারতের সঙ্গে ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার উদ্যোগ বাংলাদেশের বৈদেশিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিক। তবে এই ঘটনাগুলোকে ভারতের একঘরে হয়ে পড়ার চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দেখার চেয়ে বাংলাদেশের কৌশলগত বিকল্প ও দর-কষাকষির সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মূল্যায়ন করাই বেশি যুক্তিসংগত। বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য নির্ভর করবে অংশীদার নির্বাচনের চেয়ে বেশি—সেসব অংশীদারিত্ব থেকে কতটা ন্যায্য, টেকসই ও বাস্তব অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করা যায় তার ওপর।

মুয়াজ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ খবর

আন্তর্জাতিক - এর সব খবর

উ
প
রে