আয় ও সম্পদমূল্য বাড়লেও যে কারণে ডিভিডেন্ড বৃদ্ধি নিয়ে অনিশ্চয়তা
নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানি খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (কেপিসিএল) শেয়ারপ্রতি আয় ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যও বেড়েছে। তবে আয় বৃদ্ধির বিপরীতে পরিচালন কার্যক্রম থেকে নিট নগদ প্রবাহ ইতিবাচক অবস্থায় ফিরতে পারেনি। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কাছে বিদ্যুৎ বিক্রির বিপরীতে পাওনা আদায় না হওয়ায় নগদ প্রবাহে চাপ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি আগের বছরের তুলনায় বেশি ডিভিডেন্ড দেবে, নাকি ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ডেই সীমাবদ্ধ থাকবে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
কোম্পানিটির প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে কেপিসিএলের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৭৩ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ১৩ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৬০ পয়সা। শতকরা হিসাবে প্রবৃদ্ধির পরিমাণ প্রায় ৪৬১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আয় বৃদ্ধির পেছনে অর্থায়ন আয় ও অন্যান্য আয় বৃদ্ধি, বিক্রয় ব্যয় হ্রাস এবং অর্থায়ন ব্যয় কমে আসার ভূমিকা রয়েছে। পাশাপাশি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মুনাফায় কোম্পানিটির অংশ বৃদ্ধি প্রথম দিকের প্রান্তিকগুলোতে আয় বাড়াতে সহায়তা করেছে।
কেপিসিএলের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক থেকেই শেয়ারপ্রতি আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি শুরু হয়। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়ায় ২৫ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র ৪ পয়সা। অর্থাৎ প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ২১ পয়সা বা ৫২৫ শতাংশ। কোম্পানির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মুনাফায় অংশ বৃদ্ধি এবং অর্থায়ন আয় বেড়ে যাওয়ায় এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
দ্বিতীয় প্রান্তিকেও আয়ের ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত থাকে। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর সময়ে কেপিসিএলের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২৭ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ৪ পয়সা। ফলে এই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ২৩ পয়সা বা ৫৭৫ শতাংশ। কোম্পানিটি জানিয়েছে, সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মুনাফায় অংশ বৃদ্ধি, অর্থায়ন আয় বাড়া এবং অর্থায়ন ব্যয় কমে আসার কারণে আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে।
তৃতীয় প্রান্তিকেও প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে কোম্পানিটি। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৫ পয়সা। ফলে তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ১৭ পয়সা বা ৩৪০ শতাংশ। কোম্পানির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অর্থায়ন আয় ও অন্যান্য আয় বৃদ্ধি এবং বিক্রয় ব্যয় ও অর্থায়ন ব্যয় কমে আসার কারণে এই উন্নতি হয়েছে।
তিন প্রান্তিকের ফলাফল একত্রে বিবেচনা করলে দেখা যায়, কেপিসিএলের আয় বৃদ্ধির প্রবণতা শুধু একটি নির্দিষ্ট প্রান্তিকে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং পুরো নয় মাসেই আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় শেয়ারপ্রতি আয় বেশি হয়েছে। তবে এই প্রবৃদ্ধির স্থায়িত্ব নির্ভর করবে অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকের ফলাফল, সহযোগী প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত মুনাফা এবং অর্থায়ন ও অন্যান্য আয়ের ধারাবাহিকতার ওপর।
শেয়ারপ্রতি আয়ের পাশাপাশি কোম্পানিটির নিট সম্পদমূল্যেও উন্নতি হয়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন কেপিসিএলের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল ১৯ টাকা ৩ পয়সা। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ টাকা ২৭ পয়সায়। অর্থাৎ প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়েছিল ২৪ পয়সা। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর তা আরও বেড়ে ১৯ টাকা ৩৯ পয়সায় পৌঁছায়। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৬১ পয়সা।
এ হিসাবে ২০২৫ সালের ৩০ জুনের তুলনায় ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়েছে ৫৮ পয়সা বা প্রায় ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ। সম্পদমূল্যের এই বৃদ্ধি কোম্পানিটির আর্থিক অবস্থার একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বৃদ্ধি মানেই কোম্পানির হাতে সমপরিমাণ নগদ অর্থ রয়েছে, এমন নয়। সম্পদের হিসাব, দায় এবং নগদ অর্থের প্রকৃত অবস্থার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাই ডিভিডেন্ড দেওয়ার সক্ষমতা মূল্যায়নে সম্পদমূল্যের পাশাপাশি নগদ প্রবাহের চিত্রও গুরুত্বপূর্ণ।
কেপিসিএলের আর্থিক ফলাফলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতা হলো পরিচালন কার্যক্রম থেকে নিট নগদ প্রবাহ। প্রথম প্রান্তিকে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ ছিল ঋণাত্মক ১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এই সূচক ছিল ঋণাত্মক ৫ পয়সা। অর্থাৎ প্রথম প্রান্তিকে নগদ প্রবাহের ঘাটতি কিছুটা কমেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ের সম্মিলিত হিসাবে পরিস্থিতির অবনতি দেখা যায়।
২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ দাঁড়ায় ঋণাত্মক ৩ পয়সা। অথচ আগের বছরের একই সময়ে তা ইতিবাচক ৮০ পয়সা ছিল। অর্থাৎ ছয় মাসের হিসাবে নগদ প্রবাহে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসের হিসাবে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ ছিল ঋণাত্মক ১ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে তা ইতিবাচক ৮১ পয়সা ছিল।
কোম্পানির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রির বিপরীতে পাওনা অর্থ আদায় না হওয়ায় পরিচালন নগদ প্রবাহ ঋণাত্মক রয়েছে। অর্থাৎ কোম্পানি আয় দেখালেও বিক্রির বিপরীতে প্রাপ্য অর্থ সময়মতো হাতে পাচ্ছে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে হিসাব অনুযায়ী মুনাফা বাড়লেও দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয়, ঋণের দায় এবং অন্যান্য আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে নগদ অর্থের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।
এখানেই কেপিসিএলের লভ্যাংশ নিয়ে মূল প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সাধারণত কোম্পানির আয় বৃদ্ধি, মুনাফার ধারাবাহিকতা এবং আর্থিক অবস্থার উন্নতি বিনিয়োগকারীদের বেশি লভ্যাংশ পাওয়ার প্রত্যাশা বাড়ায়। কিন্তু নগদ প্রবাহ দুর্বল থাকলে সেই প্রত্যাশা পূরণ করা কঠিন হতে পারে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ বিক্রির বিপরীতে বড় অঙ্কের পাওনা দীর্ঘদিন অনাদায়ি থাকলে কোম্পানির নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন হতে পারে।
কেপিসিএল ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য স্পনসর ও পরিচালক ছাড়া সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছিল। এবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন বিবেচনার জন্য আগামী ২৮ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার বিকেল ৪টায় পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়েছে কোম্পানিটি। ওই সভায় ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হবে। তবে চলতি অর্থবছরের ডিভিডেন্ডের পরিমাণ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
প্রথম নয় মাসে শেয়ারপ্রতি আয় ১৩ পয়সা থেকে বেড়ে ৭৩ পয়সায় পৌঁছানো ডিভিডেন্ড বাড়ানোর পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক দিক। যদি অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকেও আয় বৃদ্ধির ধারা বজায় থাকে এবং পূর্ণ বছরের নিরীক্ষিত হিসাবে পর্যাপ্ত মুনাফা ও বিতরণযোগ্য অর্থ পাওয়া যায়, তাহলে আগের বছরের ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ডের তুলনায় বেশি ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নগদ অর্থের প্রয়োজন এবং আর্থিক দায়ও বিবেচনায় নেবে।
অন্যদিকে, নগদ প্রবাহের দুর্বলতা অব্যাহত থাকলে মুনাফা বাড়লেও কোম্পানি আগের বছরের ডিভিডেন্ড অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কারণ, ডিভিডেন্ড ঘোষণার ক্ষেত্রে শুধু হিসাবভিত্তিক আয় নয়, নগদ অর্থের প্রাপ্যতা এবং কোম্পানির আর্থিক স্থিতিশীলতাও গুরুত্বপূর্ণ। বিপিডিবির কাছে পাওনা আদায় না হলে পরিচালন কার্যক্রমে অর্থের চাপ বজায় থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে আয় বৃদ্ধির পুরো সুবিধা লভ্যাংশে প্রতিফলিত না-ও হতে পারে।
আরেকটি বিষয় হলো, কেপিসিএলের আয় বৃদ্ধির পেছনে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মুনাফায় অংশ এবং অর্থায়ন আয় বৃদ্ধির ভূমিকা রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আয় বৃদ্ধি ও বিভিন্ন ব্যয় কমে আসাও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এসব উৎস থেকে অর্জিত আয় ভবিষ্যতেও একই হারে বাড়বে কি না, তা নিশ্চিত নয়। ফলে নয় মাসের প্রবৃদ্ধিকে সরাসরি পুরো বছরের সম্ভাব্য আয় বা ডিভিডেন্ড বৃদ্ধির সমান ধরে নেওয়া উচিত হবে না।
সামগ্রিকভাবে কেপিসিএলের আর্থিক প্রতিবেদনে মুনাফা ও সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ইতিবাচক চিত্র রয়েছে। প্রথম তিন প্রান্তিকেই শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে এবং নয় মাসের সম্মিলিত হিসাবে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪৬২ শতাংশ। তবে একই সময়ে পরিচালন নগদ প্রবাহ আগের বছরের ইতিবাচক অবস্থান থেকে ঋণাত্মক হয়েছে। এই দুই বিপরীতমুখী চিত্র কোম্পানিটির ডিভিডেন্ড সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
বিনিয়োগকারীদের জন্য তাই শুধু শেয়ারপ্রতি আয়ের প্রবৃদ্ধি নয়, বিপিডিবির কাছে পাওনা আদায়ের অগ্রগতি, পূর্ণ অর্থবছরের নিরীক্ষিত মুনাফা, পরিচালন নগদ প্রবাহ এবং কোম্পানির নগদ অর্থের অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। এসব সূচকে উন্নতি হলে ডিভিডেন্ড বাড়ানোর পক্ষে যুক্তি আরও শক্তিশালী হবে। বিপরীতে নগদ অর্থের সংকট অব্যাহত থাকলে ডিভিডেন্ড অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনাও থাকবে।
সব মিলিয়ে, কেপিসিএলের ডিভিডেন্ড বাড়ার পক্ষে আর্থিক প্রবৃদ্ধির যুক্তি রয়েছে, তবে এখনই ৫ ডিভিডেন্ডের বেশি ক্যাশ ডিভিডেন্ড নিশ্চিত ধরে নেওয়ার মতো তথ্য নেই। আগামী ২৮ অক্টোবরের পরিচালনা পর্ষদের সভায় বিবেচিত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত ডিভিডেন্ডের সুপারিশই বিনিয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নির্দেশনা দেবে।
এসএ খান/
পাঠকের মতামত:
- আয় ও সম্পদমূল্য বাড়লেও যে কারণে ডিভিডেন্ড বৃদ্ধি নিয়ে অনিশ্চয়তা
- ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বাংলাদেশি স্বামী -স্ত্রী, জানা গেল আসল সত্য
- সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন
- তিন ব্যাংকের এমডিদের নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত
- তৃণমূল থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে ওঠা ইশরাকের বর্ণাঢ্য পথচলার গল্প
- ৪৭–১৩ গোলের হার, বাংলাদেশের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ
- ৮ মাসে কপাল পুড়ল তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর
- ব্যাংকিং খাতে সরকারের বড় সাহসী সিদ্ধান্ত
- ইশরাকের পদত্যাগ ও স্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট ঘিরে নতুন জল্পনা
- কেয়া কসমেটিকসকে ঋণ দিয়ে বিপাকে শেয়ারবাজারের চার ব্যাংক
- ভারতের শেয়ারবাজারে কালোমেঘ: উধাও ৪ লাখ কোটি রুপি
- আইসিসির নতুন নিয়মে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা কেন বিপাকে?
- জাপানের শ্রমবাজারে কর্মী পাঠাতে বাংলাদেশ-জাপান নতুন চুক্তি
- টিকটক ও ফ্রি ফায়ারের টানে ঘরছাড়াও ৩ শিক্ষার্থী
- লাফার্জহোলসিমের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- বাংলাদেশি পাসপোর্টেই ভিসা ছাড়াই ৩৫ দেশে ভ্রমণ
- তেলের দাম কমতেই স্বর্ণের বাজারে উল্টো চিত্র!
- এবার ক্ষমা চাইলেন সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা
- বিলবোর্ডকে রাস্তা ভেবে ট্রাক চালালেন চালক
- অস্ত্র হাতে নেওয়ার কারণ জানালেন ইশরাক
- আর্থিক ঘাটতি পূরণে ৭ প্রতিষ্ঠানকে সময় বেঁধে দিল বিএসইসি
- ইশরাকের পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন এনসিপি নেতারা
- পদত্যাগের কারণ জানালেন ইশরাক
- বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- নতুন নিয়মে সরাসরি শেয়ারবাজারে আসার সুযোগ পাচ্ছে ৭ শ্রেণির কোম্পানি
- টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার
- ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ বিএসইসির
- শেয়ারবাজারে সংস্কারের আশ্বাস, পতন থামাতে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই
- অনুমতি প্রত্যাখ্যানের কারণ জানতে চাইলেন আমির হামজা
- দেশে টিকার সুরক্ষা বলয়ে বড় ফাটল, সাড়ে ৮ লাখ শিশু ঝুঁকিতে!
- জুলাই যোদ্ধাদের অবদান নিয়ে যা বললেন মির্জা আব্বাস
- বিটকয়েনে বিনিয়োগের আগে যে বিষয়গুলো বুঝতে হবে
- সোমবার স্বর্ণ কিনতে গেলে বিপাকে পড়তে পারেন ক্রেতারা
- একই পরিবারের ৫ মৃত্যু: অডিওতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
- ককরোচদের ঠেকাতে মাঠে ‘লাল হিট জনতা পার্টি’, প্রথম সমাবেশেই তীব্র বার্তা
- দশ কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
- এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বোর্ডের নতুন নির্দেশনা
- সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শির'চ্ছেদ যা বললেন শায়খ
- ইশরাক হোসেনকে নিয়ে যা বললেন পিনাকী ভট্টাচার্য ও রাশেদ খান
- ভারতের মাটিতেই ভারতের কর্মকর্তাদের শূলে তুলতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র
- পদত্যাগের ঘোষণা ঘিরে আলোচনা, যা জানালেন ইশরাক
- মোদি হাসিনার চেয়েও খারাপ ভারতীয় অধ্যাপকের মন্তব্যে তোলপাড়
- দুলামিয়া কটনের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- এজিএমের পরদিনই ডিভিডেন্ড বিতরণ: শেয়ারবাজারে ঐতিহাসিক রেকর্ড
- পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বড় উত্থানের পূর্বাভাস গবেষণা প্রতিষ্ঠানের
- বিনিয়োগকারী ঝুয়াং লিফেংয়ের বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম নিষ্পত্তি করল বিএসইসি
- বিতর্কে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- সোনা নয়, চাঁদের সবচেয়ে দামি সম্পদ যা
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামের নতুন তালিকা
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার নতুন দাম প্রকাশ
- ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার আজকের দাম জেনে নিন
- পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারে বড় উত্থানের পূর্বাভাস গবেষণা প্রতিষ্ঠানের
- শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ
- সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শির'চ্ছেদ যা বললেন শায়খ
- ডিভিডেন্ড বিতরণ না করায় ৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
- শেয়ারবাজারের ১৭০০ কোটি টাকার দায়িত্ব নিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান
- বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- নাহি অ্যালুমিনিয়ামের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- সালভো কেমিক্যালের ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশ করবে ১৯ কোম্পানি
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা ও ইপিএস প্রকাশের তারিখ জানাল ৩৪ কোম্পানি
- ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ বিএসইসির
- অনির্দিষ্টকালের জন্য ৫ পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা
শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর
- আয় ও সম্পদমূল্য বাড়লেও যে কারণে ডিভিডেন্ড বৃদ্ধি নিয়ে অনিশ্চয়তা
- ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ











