ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ২১ লাখ টাকা ছিনতাই

২০২৬ আগস্ট ১১ ০৮:১২:৪৮
প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ২১ লাখ টাকা ছিনতাই

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খালাতো ভাই তাসীন আক্তার হক ডেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ডিএল পেট্রল পাম্পের ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার দুই দিন পার হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার অন্তত ৫০টি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তবে ফুটেজে দুর্বৃত্তদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায়নি।

রোববার (৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর উত্তরায় একটি ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যাওয়ার পথে ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ঘটে। র‍্যাব-১ ব্যাটালিয়নের দক্ষিণ পাশে সড়কে কর্মীদের বহনকারী গাড়ির গতিরোধ করে দুর্বৃত্তরা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পরদিনই বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়।

ছিনতাই হওয়া টাকা ডিএল পেট্রল পাম্পের। প্রতিষ্ঠানটির মালিকানার সঙ্গে তাসীন আক্তার হক ডেল যুক্ত। তিনি প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বোন, সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী খুরশীদ জাহান হকের ছোট ছেলে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিএল পেট্রল পাম্পে প্রতিদিন প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকার লেনদেন হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিনের বিক্রির টাকা সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে ব্যাংকে জমা দিতে নেওয়া হয়। তবে শুক্র ও শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় ওই দুই দিনের টাকা পরবর্তী কর্মদিবস রোববার একসঙ্গে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। ফলে রোববার তুলনামূলক বেশি টাকা ব্যাংকে নেওয়া হচ্ছিল।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাম্পের কর্মীরা টাকা নিয়ে ব্যাংকের উদ্দেশে রওনা হলে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। তারা প্রথমে গাড়িতে ধাক্কা দেয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। এরপর দ্রুত মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় পেট্রল পাম্পের ম্যানেজার করিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন।

বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান সোমবার (১০ আগস্ট) জানান, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। দুর্বৃত্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, ছিনতাইয়ের পর ওই এলাকার অন্তত ৫০টি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। তবে ছিনতাইকারীদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত চলছে এবং দ্রুত দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনার আশা করছে পুলিশ।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে