ঢাকা, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য এলো ১৫টি জরুরি নির্দেশনা

২০২৬ জুলাই ০১ ১৩:১৬:৫৭
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য এলো ১৫টি জরুরি নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হওয়া এ পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী।

এবারের পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষা বোর্ডগুলো একাধিক নির্দেশনা জারি করেছে।

এদিকে পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

লিখিত পরীক্ষা চলবে ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে।সকালের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেলের পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে।

এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।এর মধ্যে—সাধারণ শিক্ষা বোর্ড: ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড: ২ লাখ ৮৬৯ জন

দেশজুড়ে ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৪০টি ঢাকায়।

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে প্রশ্নপত্র ট্রেজারি বা থানা লকারে সংরক্ষণ, পুলিশের পাহারায় কেন্দ্রে পৌঁছানো এবং নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পর প্রশ্নপত্র খোলাসহ একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের মতো কোনো ঘটনা ঘটলে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন তারিখে নেওয়া হবে।

পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে।

প্রথমে এমসিকিউ, পরে সৃজনশীল/রচনামূলক পরীক্ষা হবে।

এমসিকিউ ও সৃজনশীল অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

ওএমআর শিটে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

নন-প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।

প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেন্দ্রে আনতে পারবেন না।

কাঁটাযুক্ত (অ্যানালগ) হাতঘড়ি ব্যবহার করা যাবে।

প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয় ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, কোনো কেন্দ্রে নকলের ঘটনা প্রমাণিত হলে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে