ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

অক্সফোর্ড ইউনিয়ন নিজেই দিল ব্যাখ্যা, বিতর্কে নতুন মোড়

২০২৬ জুন ১৮ ১২:২২:৪৫
অক্সফোর্ড ইউনিয়ন নিজেই দিল ব্যাখ্যা, বিতর্কে নতুন মোড়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আলোচিত অনুষ্ঠানটি সরাসরি অক্সফোর্ড ইউনিয়নের আয়োজনে হয়েছিল বলে দাবি করেছেন ড. নাবিলা ইদ্রিস। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে যে প্রশ্ন উঠেছিল, সে বিষয়ে অক্সফোর্ড ইউনিয়নের পক্ষ থেকেই স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৮ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে নাবিলা ইদ্রিস জানান, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের প্রেস উইংয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পর তিনি তাদের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পেয়েছেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, অক্সফোর্ড ইউনিয়ন জানিয়েছে যে অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা, অনুমোদন, বক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ, লজিস্টিকস, প্রচার এবং বাস্তবায়ন—সবকিছুই ইউনিয়নের সদস্য ও কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়েছে।

নাবিলা ইদ্রিস বলেন, অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ধারার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করেছিল। আলোচনায় অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপিত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, কোনো অনুষ্ঠানে বিদেশি বা পশ্চিমা বক্তা না থাকলেই তার গুরুত্ব কমে যায়—এমন ধারণা গ্রহণযোগ্য নয়। জুলাই আন্দোলন ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে বাংলাদেশিরাই আন্তর্জাতিক মঞ্চে কথা বলতে পারেন এবং সেটিই স্বাভাবিক হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসর একটি নির্দিষ্ট সামাজিক শ্রেণির নিয়ন্ত্রণে ছিল। ফলে অপেক্ষাকৃত সাধারণ পটভূমি থেকে উঠে আসা নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিদের এমন মঞ্চে দেখা নিয়ে কিছু মহলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

নাবিলার বর্ণনা অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে হাসনাত আবদুল্লাহ নিজের পারিবারিক পটভূমির কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি একজন রাজমিস্ত্রির ছেলে। অন্যদিকে সাদিক কায়েম জানান, তিনি খাগড়াছড়ির একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছেন এবং ইংরেজি তার তৃতীয় ভাষা।

নাবিলার দাবি, তাদের এই বক্তব্য উপস্থিত দর্শকদের ইতিবাচক সাড়া ও করতালির মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়।

নাবিলা ইদ্রিসের মতে, মূল বিতর্ক অনুষ্ঠানটি অক্সফোর্ড ইউনিয়নের ছিল কি না—তা নয়; বরং কারা আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করছেন, সেই সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রশ্নকে ঘিরেই আলোচনা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব কেবল একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে—এমন ধারণা এখন বদলে যাচ্ছে, আর সেই পরিবর্তনই অনেকের অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে।

মোহাম্মদ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে