ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

চীনের সহায়তায় আকাশে বাংলাদেশের নতুন শক্তি

২০২৬ জানুয়ারি ২৭ ১৯:২৬:৩৯
চীনের সহায়তায় আকাশে বাংলাদেশের নতুন শক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও চীনের সিইটিসি ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে এক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক ড্রোন বা মনুষ্যবিহীন আকাশযান উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপিত হতে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) নিশ্চিত করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে বাংলাদেশে একটি আধুনিক ইউএভি উৎপাদন ও সংযোজন কেন্দ্র গড়ে তুলবে, যা দেশের সামরিক ইতিহাসে এক বড় মাইলফলক।

চুক্তিটির মূল লক্ষ্য হলো উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদে ড্রোন উৎপাদনে পূর্ণ স্বনির্ভরতা অর্জন করা। এর আওতায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রাথমিকভাবে মাঝারি উচ্চতায় দীর্ঘ সময় উড্ডয়ন সক্ষম ‘মেইল’ এবং খাড়াভাবে উড্ডয়ন ও অবতরণে সক্ষম ‘ভিটল’ ড্রোন তৈরির প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করবে। পাশাপাশি বিমান বাহিনীর নিজস্ব নকশায় ড্রোন তৈরির সক্ষমতাও এই প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি হবে।

এই দেশীয় ড্রোনসমূহ শুধুমাত্র সামরিক কাজেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলাতেও এগুলো অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। উন্নত অ্যারোস্পেস জনবল তৈরি এবং বিশেষায়িত জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে এটি দেশের সামগ্রিক প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে বড় অবদান রাখবে। এটি সফল হলে ভবিষ্যতে বিদেশের বাজারের চাহিদা মেটাতেও বাংলাদেশ সক্ষম হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। চলতি অর্থবছরে প্রতিরক্ষা খাতে এ ধরনের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশে আধুনিক প্রযুক্তির বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে।

প্রযুক্তিগত এই অগ্রযাত্রা পরোক্ষভাবে দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং ও আইটি সেক্টরে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং বাজারে দক্ষ জনবলের চাহিদা বাড়াবে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের আমদানিতে ক্যাশ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রযুক্তি ও প্রকৌশল খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য এ ধরনের সরকারি বড় প্রকল্প ভবিষ্যতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

সিরাজ/

চীনের সহায়তায় আকাশে বাংলাদেশের নতুন শক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও চীনের সিইটিসি ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে এক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক ড্রোন বা মনুষ্যবিহীন আকাশযান উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপিত হতে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) নিশ্চিত করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে বাংলাদেশে একটি আধুনিক ইউএভি উৎপাদন ও সংযোজন কেন্দ্র গড়ে তুলবে, যা দেশের সামরিক ইতিহাসে এক বড় মাইলফলক।

চুক্তিটির মূল লক্ষ্য হলো উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদে ড্রোন উৎপাদনে পূর্ণ স্বনির্ভরতা অর্জন করা। এর আওতায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রাথমিকভাবে মাঝারি উচ্চতায় দীর্ঘ সময় উড্ডয়ন সক্ষম ‘মেইল’ এবং খাড়াভাবে উড্ডয়ন ও অবতরণে সক্ষম ‘ভিটল’ ড্রোন তৈরির প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করবে। পাশাপাশি বিমান বাহিনীর নিজস্ব নকশায় ড্রোন তৈরির সক্ষমতাও এই প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি হবে।

এই দেশীয় ড্রোনসমূহ শুধুমাত্র সামরিক কাজেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলাতেও এগুলো অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। উন্নত অ্যারোস্পেস জনবল তৈরি এবং বিশেষায়িত জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে এটি দেশের সামগ্রিক প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে বড় অবদান রাখবে। এটি সফল হলে ভবিষ্যতে বিদেশের বাজারের চাহিদা মেটাতেও বাংলাদেশ সক্ষম হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। চলতি অর্থবছরে প্রতিরক্ষা খাতে এ ধরনের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশে আধুনিক প্রযুক্তির বাজার আরও সম্প্রসারিত হবে।

প্রযুক্তিগত এই অগ্রযাত্রা পরোক্ষভাবে দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং ও আইটি সেক্টরে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং বাজারে দক্ষ জনবলের চাহিদা বাড়াবে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের আমদানিতে ক্যাশ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রযুক্তি ও প্রকৌশল খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য এ ধরনের সরকারি বড় প্রকল্প ভবিষ্যতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

সিরাজ/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে