ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Sharenews24

বেঁচে আছে মাইলস্টোনের শিক্ষার্থী মাহতাব

২০২৫ জুলাই ২৪ ১২:২২:২০
বেঁচে আছে মাইলস্টোনের শিক্ষার্থী মাহতাব

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হওয়া সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহতাব রহমান ভূঁইয়া (১৫) এখনো জীবিত রয়েছে এবং নিজে থেকে নিঃশ্বাস নিতে পারছে। তার পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে ভুয়া মৃত্যুর গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

মাহতাব বর্তমানে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চতুর্থ তলার আইসিইউর ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। তার শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গেলেও শ্বাসনালী অক্ষত রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তবে তার অবস্থা এখনো অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে মাহতাবের বড় মামা মহিবুল হাসান শামীম জানান,“আমি চিকিৎসকদের অনুরোধে আইসিইউর ভেতরে গিয়ে নিজের চোখে মাহতাবকে দেখেছি। সে চোখ খুলেছে, নিঃশ্বাস নিচ্ছে। চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।”

মাহতাব কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের চুলাশ ভূঁইয়া বাড়ির মিনহাজুর রহমান ভূঁইয়ার একমাত্র ছেলে। পরিবারসহ ঢাকার উত্তরায় বসবাস করত। তার বাবা প্রতিদিন নিজেই তাকে স্কুলে আনা-নেওয়া করতেন।

গত ২১ জুলাই (সোমবার) স্কুল ছুটির কিছুক্ষণ আগে রাজধানীর দিয়াবাড়ীতে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান মাইলস্টোন স্কুল ভবনে বিধ্বস্ত হয়। এতে বহু শিক্ষার্থী ও শিক্ষক হতাহত হন। মাহতাব গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করেন।

এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৯ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২২ জনের পরিচয় শনাক্ত করে পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ৭টি মরদেহ এখনো শনাক্ত হয়নি।

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে মাহতাবের মৃত্যু নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবারের সদস্যরা আরও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। মাহতাবের বাবা-মা হাসপাতালে ছেলের পাশে থেকেই কান্নায় ভেঙে পড়ছেন এবং খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

মাহতাবের পরিবার অনুরোধ করেছে, “গুজব না ছড়িয়ে আমাদের ছেলের জন্য শুধু দোয়া করুন। সে এখনো বেঁচে আছে, লড়ছে।”

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

জাতীয় এর সর্বশেষ খবর

জাতীয় - এর সব খবর



রে