×
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেট লাইন ৩০ সেপ্টেম্বর, সুখবর পাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা

২০২৬ সেপ্টেম্বর ২২ ১৫:৫৩:৫৬
ডেট লাইন ৩০ সেপ্টেম্বর, সুখবর পাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বিনিয়োগকারীদেরকে সুখবর দিতে যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ। এজন্য এদিন বিকাল পৌনে ৩টায় কোম্পানিটির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি আগের বছর অর্থাৎ ৩০ জুন, ২০২৫ অর্থবছরের ৬৪ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল। তবে এ বছর এর পরিমাণ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ আগের বছরের তুলনায় চলতি বছরের ৯ মাসে (জুলাই’২৫-মার্চ’২৬) কোম্পানিটির আয় তুলনামুলকভাবে বেড়েছে। যে কারণে ডিভিডেন্ড বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছে বিনিয়োগকারীরা।

জানা যায়, ৯ মাসে (জুলাই’২৫-মার্চ’২৬) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ টাকা ৯৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ টাকা ৯২ পয়সা বেশি।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৫২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ টাকা ৩৬ পয়সা বেশি।

আর ৩১ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৩৯ টাকা ১০ পয়সায়।

১৯৮৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন যথাক্রমে- ৫০ কোটি টাকা ও ৩১ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আর বর্তমানে কোম্পানিটির মোট রিজার্ভের পরিমাণ ৩৬০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির মোট ৩ কোটি ১২ লাখ ৪৩ হাজার ৬২৭টি শেয়ারের মধ্যে ৪৪.৬৮ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ২৫.৩৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং ২৯.৯৫ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে।

বিগত ৫ বছরের হিসাব অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে কোম্পানিটির ডিভিডেন্ড বেড়েছে। যেমন- ২০২১ সালে ৪৭ শতাংশ, ২০২২ ও ২০২৩ সালে প্রতিবছর ৬০ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৬৩ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। এর আগের বছরেও পর্যায়ক্রমে ডিভিডেন্ড বেড়েছে।

আজ ডিএসইতে কোম্পানিটির প্রতি শেয়ার সর্বশেষ ৩১৫ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিটির বর্তমান পিই রেশিও ১১.৮৬ পয়েন্ট, যা বিনিয়োগের জন্য উপযোগী।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, কোম্পানিটির সার্বিক আথিক প্রতিবেদন ও কার্যক্রম পর্যালোচনা দেয়া যায় কোম্পানিটির ভীত শক্তিশালী। মূলধনের তুলনায় রিজার্ভও অনেক বেশি। তাছাড়া, বিগত বছরগুলোতে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য সন্তোষজনক ডিভিডেন্ড দিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বজায় থাকলেও এ বছরেও ডিভিডেন্ডের পরিমাণ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে দেখা যায় কোম্পানিটির পিই রেশিও অত্যন্ত বিনিয়োগ অনুকুলে রয়েছে। তাই এই শেয়ারে বিনিয়োগে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হতে পারে।

এসএ খান/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর



রে