ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

মাত্র ৩ দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দামে নতুন পরিবর্তন

২০২৬ আগস্ট ১২ ১১:১৬:৫৫
মাত্র ৩ দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দামে নতুন পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে দুই দফা দাম বাড়ানোর পর বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করে। নতুন এ দাম ওই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর থাকবে।

বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা।

এ ছাড়া—২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা, সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগের দামের তুলনায় প্রতি ভরিতে ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, দেশের স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

তেজাবি স্বর্ণের দামের পরিবর্তন দেশের বাজারে অলংকার তৈরিতে ব্যবহৃত স্বর্ণের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ডের দাম বাড়লে জুয়েলারি বাজারেও তার প্রভাব পড়ে।

স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তটি এসেছে আগের দাম সমন্বয়ের মাত্র কয়েক দিন পর।

এর আগে গত ৮ আগস্ট স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়ানো হয়। ওই সময় ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা।

এরপর ১১ আগস্ট আরও ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়ানোয় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা।অর্থাৎ, মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দুই দফা দাম বাড়ায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নতুন করে রেকর্ড উচ্চতার কাছাকাছি অবস্থান করছে।

স্বর্ণের দাম বাড়ায় নতুন করে গয়না কিনতে যাওয়া ক্রেতাদের ব্যয়ও বাড়বে। বিশেষ করে বিয়ে, সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে বাড়তি অর্থ গুনতে হবে।

তবে স্বর্ণের অলংকার কেনার সময় শুধু বাজুস নির্ধারিত মূল্যের বিষয়টি নয়, এর সঙ্গে প্রযোজ্য ভ্যাট ও অন্যান্য খরচও বিবেচনায় নিতে হয়। ফলে দোকানভেদে একজন ক্রেতার প্রকৃত পরিশোধযোগ্য অর্থ নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি হতে পারে।

বাজুসের পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত নতুন নির্ধারিত দামেই দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বর্ণ বিক্রি হবে।

মুসআব/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

অর্থনীতি এর সর্বশেষ খবর

অর্থনীতি - এর সব খবর



রে