ঢাকা, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে হয়ে যায়?

২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১১:১৩:৩২
হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে হয়ে যায়?

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের (ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো ইত্যাদি) ব্যাপক ব্যবহারের কারণে অনেকেই জানতে চান—অনলাইনে মেসেজে বিয়ের প্রস্তাব ও গ্রহণ করলে কি তা ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বৈধ বিয়ে হিসেবে গণ্য হবে?

ইসলামি শরিয়াহ ও ফিকাহ শাস্ত্রের আলোকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে।

শরিয়াহ বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ফেসবুক মেসেজ বা হোয়াটসঅ্যাপে এক পক্ষের প্রস্তাব এবং অপর পক্ষের “কবুল” লিখে পাঠানো বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।

বিয়ের বৈধতার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা বাধ্যতামূলক, এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—

বর ও কনে বা তাদের প্রতিনিধির একই “মজলিস” বা বৈঠকে উপস্থিত থাকা

ইজাব (প্রস্তাব) ও কবুল (গ্রহণ) সরাসরি উচ্চারণ করা

অন্তত দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষ সাক্ষী অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষীর উপস্থিতি থাকা

এ বিষয়ে একটি হাদিসে বলা হয়েছে, অভিভাবক ও দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষী ছাড়া বিয়ে সম্পন্ন হয় না।

তবে সাক্ষী নির্দিষ্টভাবে নিয়োগ করা বাধ্যতামূলক নয়। যদি প্রকাশ্যে বা অনেক মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয় এবং সবাই তা শুনতে পান, তাহলে উপস্থিত ব্যক্তিরাই সাক্ষী হিসেবে গণ্য হন।

বিশেষ করে মসজিদ বা জনসমাবেশে বিয়ে পড়ানো হলে সেখানে উপস্থিত সবাই সাক্ষী হিসেবে বিবেচিত হন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইনে “কবুল” লেখা কেবল একটি মৌখিক বা লিখিত সম্মতি হিসেবে গণ্য হতে পারে, কিন্তু এটি ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী বৈধ বিয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া নয়।বৈধ বিয়ে সম্পন্ন হতে হলে একই মজলিসে উপস্থিতি এবং সাক্ষীর শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

ওমর আলী/

শেয়ারনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

পাঠকের মতামত:

ধর্ম ও জীবন এর সর্বশেষ খবর

ধর্ম ও জীবন - এর সব খবর



রে